ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিপক্ষকে সমর্থনকারীদের ভিসা দেওয়া সীমিত করবে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
  • আপডেট সময় : ১১:০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষকে সমর্থন বা সহায়তাকারীদের জন্য ভিসা প্রদানে নতুন বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। সংস্থাটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এ নীতির আওতায় ইতোমধ্যে ২৬ জনের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

এই পদক্ষেপকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর প্রস্তাবিত ‘ডনরো ডকট্রিন’-এর অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ১৯শ শতকের মনরো ডকট্রিন-এর আধুনিক রূপ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আরও শক্তিশালী করা।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষকে সহায়তা বা অর্থায়ন করে, কৌশলগত সম্পদের নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা দুর্বল করে কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করে—তাদের এই নীতির আওতায় আনা হবে।

তবে বিবৃতিতে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এ উদ্যোগ মূলত চীন-এর ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলা এবং লাতিন আমেরিকায় মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণের কৌশলের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিশ্লেষকরা আরও মনে করছেন, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের পূর্ববর্তী নীতির ধারাবাহিকতা, যেখানে রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ব্যক্তি বা যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচকদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

প্রতিপক্ষকে সমর্থনকারীদের ভিসা দেওয়া সীমিত করবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১১:০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষকে সমর্থন বা সহায়তাকারীদের জন্য ভিসা প্রদানে নতুন বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট। সংস্থাটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এ নীতির আওতায় ইতোমধ্যে ২৬ জনের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

এই পদক্ষেপকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর প্রস্তাবিত ‘ডনরো ডকট্রিন’-এর অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ১৯শ শতকের মনরো ডকট্রিন-এর আধুনিক রূপ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আরও শক্তিশালী করা।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষকে সহায়তা বা অর্থায়ন করে, কৌশলগত সম্পদের নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা দুর্বল করে কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করে—তাদের এই নীতির আওতায় আনা হবে।

তবে বিবৃতিতে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এ উদ্যোগ মূলত চীন-এর ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলা এবং লাতিন আমেরিকায় মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণের কৌশলের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বিশ্লেষকরা আরও মনে করছেন, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের পূর্ববর্তী নীতির ধারাবাহিকতা, যেখানে রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ব্যক্তি বা যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচকদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।