বিশ্বায়নের যুগে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই
- আপডেট সময় : ১১:১৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বায়নের উত্তাল স্রোতে টিকে থাকতে মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে বিনির্মাণ করতেই সরকার কাজ করছে, যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রধান কারিগর।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় শিক্ষাখাতে প্রয়োজন হলে বাজেট বাড়ানো হবে। তবে শুধু অবকাঠামো নয়, শিক্ষার মানও সমানভাবে উন্নত করতে হবে, যাতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ টিকে থাকতে পারে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কীভাবে পাঠদান হয় তা নিজেরাই দেখে বুঝতে হবে এবং সেই মানের শিক্ষা দাবি করতে হবে। এখন আর একমুখী জ্ঞানের যুগ নেই, জানার দরজা খুলে গেছে চারদিকে।
জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশের শিক্ষার্থীরা সম্ভাবনায় ভরপুর। এই শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলে বিশ্বায়নের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব, অন্যথায় ভবিষ্যৎ অন্ধকার হতে পারে।
ড. মিলন আরও বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জনগণের করের টাকায় পরিচালিত হয়। তাই শিক্ষার্থীদের দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা উপলব্ধি করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ফেসবুকে বট বাহিনী পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়াচ্ছে। তাকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করা হচ্ছে, এমনকি পরীক্ষার রুটিন নিয়েও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ সেল গঠনের কথাও জানান তিনি। ইউজিসির পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ থাকবে, যাতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ সরাসরি তদারকি করা যায়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ এনামউল্লাহর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক মোফাজ্জল হোসেন দুলাল।























