সুন্দরগঞ্জে উত্তরণ পাঠাগারের ইফতার মাহফিল ও সংবর্ধনা
- আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ ১৬০ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উত্তরণ পাঠাগারের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও পাঠাগারের কৃতি সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে সুন্দরগঞ্জ ডিগ্রি মহিলা কলেজে এ ইফতার মাহফিল ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও পাঠাগারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জ ডিড রাইটার সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ বি এম সাইফুল হোসেন মন্ডল শাহজাহান, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সঞ্জয় সরকার, সুন্দরগঞ্জ ডিড রাইটার সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. নুরুল ইসলাম ও মো. মোস্তাফিজার রহমান, এবং উত্তরণ পাঠাগারের সাবেক সভাপতি আরিফুর রহমান আরিফ ও জাকিউল আলম প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উত্তরণ পাঠাগারের সভাপতি সৈয়দ রাকিবুজ্জামান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন সাগর।
উত্তরণ পাঠাগারের সদস্যরা সরকারি বিসিএসে সাফল্য অর্জন করায় বিশেষভাবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধিতরা হলেন সাবেক সভাপতি রাকিব হাসান (৪৮ বিসিএস, শিক্ষা), সাবেক সভাপতি নাদিম মাহমুদ নিঝুম (৪৮ বিসিএস, স্বাস্থ্য), সাবেক নির্বাহী সদস্য তাজুল ইসলাম (৪৯ বিসিএস, শিক্ষা), সুহৃদ মাহদী আতিক শুভ (৪৯ বিসিএস, শিক্ষা) এবং ডিনস এওয়ার্ডপ্রাপ্ত সাগর মিয়া (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)।
বক্তারা সংবর্ধিতদের বিসিএসে উত্তীর্ণ হওয়াকে বিশেষভাবে উল্লেখ করে প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এটি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং শিক্ষা ও সমাজকল্যাণে উত্তরণ পাঠাগারের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার ফলাফল। সংবর্ধিতরা শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক জীবন্ত উদাহরণ হিসেবে দাঁড়াচ্ছেন এবং সমাজে শিক্ষার প্রসার ও মানবিক মূল্যবোধ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
বক্তারা রমজানের তাৎপর্যও তুলে ধরেন। তারা বলেন, এই পবিত্র মাস মানুষকে সংযম, ধৈর্য, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতাকে আরও দৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি করে। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, উত্তরণ পাঠাগারের শিক্ষামূলক কার্যক্রম ও সম্প্রদায়ের সামাজিক উদ্যোগগুলো এই শিক্ষার চেতনায় শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে এবং তরুণ প্রজন্মকে মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করছে।
শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।




















