ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইবান্ধায় ৩ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বলেশ্বর নদীতে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ, স্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক পুনরায় অতিথি পাখির দেখা মিলেছে ইবিতে, নিরাপদ আবাস নিশ্চিতের দাবি অভয়ারণ্য’র শিশুদের নিয়ে চিলড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশনের জলবায়ু সচেতনতা কর্মসূচি রংপুরে তিস্তা সংহতি সভায় বক্তাদের প্রশ্ন, নিজস্ব টাকায় পদ্মা হলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা কেন নয়? রংপুরের পীরগঞ্জে ৩০০ হাত পতাকা নিয়ে আর্জেন্টিনা ভক্তদের আনন্দ শোভাযাত্রা বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরগঞ্জে বছরব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ কাগজে নিষেধাজ্ঞা, মাঠে ইউক্যালিপটাস-আকাশমনির দাপট হাতিয়ায় জমি দখলচেষ্টার অভিযোগে হামলা-ভাঙচুর, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন, নিরাপত্তা ও বিচার দাবি

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের ঘটনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক, মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ফজলুল হক সরকার, সিনিয়র স্টাফ নার্স রেবা রাণী বসুনীয়া প্রমুখ। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্ট, অফিস স্টাফ, হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সিএইচসিপিসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, ঈদুল আজহার পরদিন গত ২৯ মে বিকেলে জরুরি বিভাগে এক শিশুর চিকিৎসা চলাকালে রোগীর স্বজনরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে আরও লোকজন ডেকে এনে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটানো হয়। এতে হাসপাতালের চেয়ার-টেবিল ও দরজা ভাঙচুর করা হয় এবং দুইজন কর্মচারী আহত হন।

তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতার কারণে গত দুদিন ধরে হাসপাতালের বহির্বিভাগের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক বলেন, ‘হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেসব আসামির নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হবে না।’

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুইজনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে দুজনের নাম উল্লেখ করে মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান থানায় এজাহার দাখিল করেন এবং পরবর্তীতে ১ জুন থানায় মামলা রুজু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন, নিরাপত্তা ও বিচার দাবি

আপডেট সময় : ০৪:৩০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের ঘটনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক, মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ফজলুল হক সরকার, সিনিয়র স্টাফ নার্স রেবা রাণী বসুনীয়া প্রমুখ। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্ট, অফিস স্টাফ, হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সিএইচসিপিসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, ঈদুল আজহার পরদিন গত ২৯ মে বিকেলে জরুরি বিভাগে এক শিশুর চিকিৎসা চলাকালে রোগীর স্বজনরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে আরও লোকজন ডেকে এনে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটানো হয়। এতে হাসপাতালের চেয়ার-টেবিল ও দরজা ভাঙচুর করা হয় এবং দুইজন কর্মচারী আহত হন।

তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতার কারণে গত দুদিন ধরে হাসপাতালের বহির্বিভাগের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক বলেন, ‘হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেসব আসামির নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হবে না।’

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুইজনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে দুজনের নাম উল্লেখ করে মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান থানায় এজাহার দাখিল করেন এবং পরবর্তীতে ১ জুন থানায় মামলা রুজু হয়।