ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আমেরিকান ড্রিম নিয়ে কিছু ভাবনা হার্ভার্ডের লিড ফেলোশিপ, অনলাইনের পাশাপাশি কেমব্রিজে ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণ বেলে মাছ কেন বালির নিচে থাকে খরচের চাপে ৮১% কর্মীর অবসরকালীন আর্থিক পরিকল্পনা নেই ছাতিমের গন্ধে মন মাতে কেন সিলেটে তৌসিফ, সাফা ও টয়ার ঘোরাঘুরির গল্প যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্রের কাছে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৯ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত শিক্ষক সাধন চক্রবর্তীকে বাঁচাতে সহায়তা দরকার মস্কোর পার্কে হামলার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তার পর কিশোরকে আটক করল রাশিয়া কেমব্রিজের কুয়াশায় ক্রিস্টোফার রাউন্ডের ছায়া: প্রেম, ঈর্ষা ও এক অশান্ত আত্মার গল্প

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন, নিরাপত্তা ও বিচার দাবি

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের ঘটনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক, মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ফজলুল হক সরকার, সিনিয়র স্টাফ নার্স রেবা রাণী বসুনীয়া প্রমুখ। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্ট, অফিস স্টাফ, হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সিএইচসিপিসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, ঈদুল আজহার পরদিন গত ২৯ মে বিকেলে জরুরি বিভাগে এক শিশুর চিকিৎসা চলাকালে রোগীর স্বজনরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে আরও লোকজন ডেকে এনে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটানো হয়। এতে হাসপাতালের চেয়ার-টেবিল ও দরজা ভাঙচুর করা হয় এবং দুইজন কর্মচারী আহত হন।

তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতার কারণে গত দুদিন ধরে হাসপাতালের বহির্বিভাগের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক বলেন, ‘হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেসব আসামির নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হবে না।’

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুইজনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে দুজনের নাম উল্লেখ করে মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান থানায় এজাহার দাখিল করেন এবং পরবর্তীতে ১ জুন থানায় মামলা রুজু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন, নিরাপত্তা ও বিচার দাবি

আপডেট সময় : ০৪:৩০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা প্রদানের ঘটনায় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক, মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান, সিনিয়র স্টাফ নার্স মো. ফজলুল হক সরকার, সিনিয়র স্টাফ নার্স রেবা রাণী বসুনীয়া প্রমুখ। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, ফার্মাসিস্ট, টেকনোলজিস্ট, অফিস স্টাফ, হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সিএইচসিপিসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, ঈদুল আজহার পরদিন গত ২৯ মে বিকেলে জরুরি বিভাগে এক শিশুর চিকিৎসা চলাকালে রোগীর স্বজনরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। একপর্যায়ে আরও লোকজন ডেকে এনে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটানো হয়। এতে হাসপাতালের চেয়ার-টেবিল ও দরজা ভাঙচুর করা হয় এবং দুইজন কর্মচারী আহত হন।

তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নিরাপত্তাহীনতার কারণে গত দুদিন ধরে হাসপাতালের বহির্বিভাগের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারহানা বিনতে ফারুক বলেন, ‘হাসপাতালে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেসব আসামির নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে বহির্বিভাগের সেবা চালু করা হবে না।’

এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুইজনকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে দুজনের নাম উল্লেখ করে মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সাইদুর রহমান থানায় এজাহার দাখিল করেন এবং পরবর্তীতে ১ জুন থানায় মামলা রুজু হয়।