হাতিয়ায় জমি দখলচেষ্টার অভিযোগে হামলা-ভাঙচুর, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ০৪:২৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

হাতিয়ায় জমি দখলের অপচেষ্টাকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করার পর অভিযুক্তরা পুনরায় হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা।
শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে হাতিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগী নারী তাহমিনা খানম ইলফাত।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১৯ ও ২০২৫ সালে স্থানীয় ওবায়দুল হক এবং তার ছেলে মো. এরশাদের কাছ থেকে ৫ শতক জমি বায়নামূলে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে ওই জমিতে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ এবং সীমানা নির্ধারণ করে গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হয়। কিন্তু বিক্রেতারা টাকা গ্রহণ করলেও জমি রেজিস্ট্রি না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সময়ক্ষেপণ করছেন। একই সঙ্গে জমিটি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ৩ জুন দিবাগত রাতে সজিব উদ্দিন, এরশাদ ওরফে ইয়াছিন আরাফাত, সাখাওয়াত হোসেন, ইউপি সদস্য ছাইফুল ইসলাম, রাসেল উদ্দিনসহ কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তারা বাড়িঘরে ভাঙচুর, মারধর, লুটপাট এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। বাড়ির দরজা কেটে ফেলা হয় এবং নির্মিত গাইড ওয়াল ভেঙে দেওয়া হয়। পরে সে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন বলেও জানান সংবাদ সম্মেলনে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত তাহমিনা খানম ইলফাতের স্বামী মো. শোয়াইব হোসেন বলেন, এ ঘটনায় গত ৪ জুন হাতিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ দায়েরের পর অভিযুক্তরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে পুনরায় হামলার হুমকি দিচ্ছে এবং তাদের ছোট সন্তানকে হত্যার ভয় দেখাচ্ছে। ফলে পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
ঘটনাটি উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রেহানিয়া গ্রামে ঘটেছে।
ঘটনার বিষয়ে হাতিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো. কবির হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ঘটনা তদন্তে শুক্রবার বিকেলে পুলিশ পাঠানো হবে।
ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।



















