রংপুরে তিস্তা সংহতি সভায় বক্তাদের প্রশ্ন, নিজস্ব টাকায় পদ্মা হলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা কেন নয়?
- আপডেট সময় : ১০:৫০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

চীন ভারত আমেরিকার কাছে ভিক্ষার টাকায় নয়, নিজস্ব অর্থায়ানে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সঞ্চয়পত্রের মতো তিস্তা বন্ড চালুর দাবি জানিয়েছে তিস্তা অববাহিকার রাজনৈতিক ও পেশাজীবি নেতৃবৃন্দ। একই সাথে সরকারের কাছে তাদের প্রশ্ন নিজস্ব টাকায় পদ্মা হলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নয় কেন?
শুক্রবার (৬ জুন) বিকেলে রংপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পদ্মা হলে তিস্তা নয় কেন, তিস্তা সংহতি সভায় অংশ নিয়ে তারা একথা বলেন।
তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে সংহতি সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী। বক্তব্য রাখেন রংপুর মহানগর জামায়াত আমীর এটিএম আজম খান, জেলা এনসিপি আহবায়কআল মামুন, গঙ্গাচড়ার লক্ষিটারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদি, হাতিবান্ধার ডাউবাড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মশিউর রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন জেলা সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু, রিহ্যাব সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আরিফুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার শেখ রেজওয়ান, সামাজিক সংগঠন বাংলার চোখের প্রতিষ্ঠান তানবীর হোসেন আশরাফি, আইনজীবি মাহে আলম, শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি অশোক সরকার, কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের মহাসচিব মোহাম্মদ আলী, জাসাস নেতা এসএম রাসেলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, পেশাজীবি, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান। মুলপত্র পাঠ করেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য বখতিয়ার হোসেন শিশির। সংহতি সভাটি সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সদস্য আলমগীর কবির।
এসময় বক্তারা বলেন, সব সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কোন উদ্যোগ নেই। অথচ এর সাথে কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত।
সরকারকে সঞ্চয়পত্রের আদলে তিস্তা বন্ড চালুর দাবি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, চীন ভারত আমেরিকার ভিক্ষা নয়। নিজস্ব টাকায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। নিজস্ব টাকায় পদ্মা ব্যারেজ হলে কেন তিস্তা মহাপরিকল্পনা হবে না। সঞ্চয় পত্রের মতো বন্ড ছাড়ুন। তিস্তা পাড়ের মানুষ সঞ্চয়পত্র কিনবে। এছাড়াও সংবিধানের আলোকে উন্নয়নে বৈষম্য দূর করতে আসছে বাজেটে তিস্তা প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রাখাসহ ৬ দফা দাবি জানান বক্তারা।
এসময় ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে জুন মাস জুড়ে পুরো তিস্তা অববাহিকার ৫ জেলার ১২ উপজেলায় উঠান বৈঠক, পথসভা, হাটসভা, লিফলেট বিতরণ, গণ সমাবেশসহ ১ জুলাই ৫ জেলায় একযোগে মশাল প্রজ্বলণ ও গণ অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।



















