ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেকোরেটরের কাজে গিয়ে তিন যুবকের মদ্যপান, অসুস্থ হয়ে দুজনের মৃত্যু বিগ ব্যাশে খেলবেন মোস্তাফিজও ‘গজনি’ থেকে আলোচনায়, আমিরের নায়িকা এখন কোথায় পরিযায়ী পাখি শিকার বন্ধে পাবনা বন্ধুসভার ক্যাম্পেইন ২৬ দিনে তিন হ্যাটট্রিক, তাঁকে জার্মানি চায়, ইতালিও চায়—কে এই ত্রেসোল্ডি প্রেম, ইল্যুশন এশিয়া কাপ আর্চারির দুই ফাইনালে বাংলাদেশ দিল্লির জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি মানল কর্তৃপক্ষ, তবে বিক্ষোভ শেষ হচ্ছে না হাতীবান্ধা সীমান্তে আলো জ্বেলে, ড্রোন দিয়ে রাতভর তল্লাশি, সেই ‘বাঘ’ কি পাওয়া গেল পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটি সমাধানের নেপথ্যের নায়ক কে এই অন্দ্রেজ সুরি

এআইয়ের জন্য আমরা কি ভাবতে ভুলে যাচ্ছি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আচ্ছা বলুন তো, শেষ কবে কারও ফোন নম্বর মুখস্থ ছিল আপনার? শেষ কবে নিজের মাথায় কোনো হিসাব করেছিলেন, ক্যালকুলেটর ছাড়া? প্রশ্নগুলো ছোট, কিন্তু এর ভেতরেই লুকিয়ে আছে এক বড় ইঙ্গিত।

রাত ৯টায় সাদিয়া (ছদ্মনাম) অফিসের একটা রিপোর্টের জন্য এআইকে বললেন, ‘পুরোটা লিখে দাও।’ ১০ মিনিটেই কাজ শেষ। পরদিন বস জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই সংখ্যাটা কীভাবে এল?’ সাদিয়া উত্তর দিতে পারলেন না!

মনোবিজ্ঞানে একে বলা যায় চিন্তার বোঝা যন্ত্রের ঘাড়ে চাপানো বা কগনিটিভ অফলোডিং। কিছুটা সুবিধাজনক, কিন্তু অতিরিক্ত হলে নিজের বিচারবুদ্ধি ও মৌলিক চিন্তার চর্চা কমে যেতে পারে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ সতর্ক করছেন।

.

১. আগে নিজে ভাবুন, তারপর এআইকে জিজ্ঞেস করুন। 

২. উত্তর না বুঝে/যাচাই না করে কখনো অন্যকে পাঠাবেন না। কারণ, পরে প্রশ্ন উঠলে দায়টা আপনারই। 

৩. সপ্তাহে অন্তত একদিন এআই ছাড়াই কাজ করুন, ঠিক যেমন পেশির জন্য ব্যায়াম দরকার।

যেমন ধরুন, জিপিএস থাকলেও পথ চেনা মানুষ বিপদে সবচেয়ে কম পরে। এআইয়ের ক্ষেত্রেও কথাটা খাটে। যন্ত্র সাহায্য করুক, কিন্তু বুঝে নেওয়ার দায়িত্বটা থাকুক নিজের হাতেই।

এআই আপনার মস্তিষ্কের সহকারী হতে পারে, কিন্তু বিকল্প নয়। আমাদেরই ঠিক করতে হবে, আমরা কি তাকে দিয়ে চিন্তা করাব, নাকি চিন্তা করতে সাহায্য নেব?

লেখক: টেক ব্লগার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

এআইয়ের জন্য আমরা কি ভাবতে ভুলে যাচ্ছি

আপডেট সময় : ০২:১৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

আচ্ছা বলুন তো, শেষ কবে কারও ফোন নম্বর মুখস্থ ছিল আপনার? শেষ কবে নিজের মাথায় কোনো হিসাব করেছিলেন, ক্যালকুলেটর ছাড়া? প্রশ্নগুলো ছোট, কিন্তু এর ভেতরেই লুকিয়ে আছে এক বড় ইঙ্গিত।

রাত ৯টায় সাদিয়া (ছদ্মনাম) অফিসের একটা রিপোর্টের জন্য এআইকে বললেন, ‘পুরোটা লিখে দাও।’ ১০ মিনিটেই কাজ শেষ। পরদিন বস জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই সংখ্যাটা কীভাবে এল?’ সাদিয়া উত্তর দিতে পারলেন না!

মনোবিজ্ঞানে একে বলা যায় চিন্তার বোঝা যন্ত্রের ঘাড়ে চাপানো বা কগনিটিভ অফলোডিং। কিছুটা সুবিধাজনক, কিন্তু অতিরিক্ত হলে নিজের বিচারবুদ্ধি ও মৌলিক চিন্তার চর্চা কমে যেতে পারে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ সতর্ক করছেন।

.

১. আগে নিজে ভাবুন, তারপর এআইকে জিজ্ঞেস করুন। 

২. উত্তর না বুঝে/যাচাই না করে কখনো অন্যকে পাঠাবেন না। কারণ, পরে প্রশ্ন উঠলে দায়টা আপনারই। 

৩. সপ্তাহে অন্তত একদিন এআই ছাড়াই কাজ করুন, ঠিক যেমন পেশির জন্য ব্যায়াম দরকার।

যেমন ধরুন, জিপিএস থাকলেও পথ চেনা মানুষ বিপদে সবচেয়ে কম পরে। এআইয়ের ক্ষেত্রেও কথাটা খাটে। যন্ত্র সাহায্য করুক, কিন্তু বুঝে নেওয়ার দায়িত্বটা থাকুক নিজের হাতেই।

এআই আপনার মস্তিষ্কের সহকারী হতে পারে, কিন্তু বিকল্প নয়। আমাদেরই ঠিক করতে হবে, আমরা কি তাকে দিয়ে চিন্তা করাব, নাকি চিন্তা করতে সাহায্য নেব?

লেখক: টেক ব্লগার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর