ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দৌড়ের আগে পরিবার নিয়ে উৎসব, ছবি আঁকল শিশুরা খুলনায় সকালে যুবদল নেতাকে, সন্ধ্যায় দোকানিকে গুলি টঙ্গীতে মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ বর্তমান সংসদ পাঁচ বছর টিকবে কি না, সন্দেহ নাহিদ ইসলামের ইউপি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দিলেন এমপি, ইউএনওর হাততালি সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতির চালিকা শক্তি করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী ‘মাইরা ফেলার মতো কাজ তো করি নাই’: গুলির ঘটনায় আসিফ আকবর সিডনিতে কাল চালু হচ্ছে নতুন দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ‘সবার আগে তোর লাশ পড়ে থাকবে’ হুমকির পর কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যান ভাঙচুর চূড়ান্ত পর্বের টিকিট কাটল কৃষ্ণা-মাছুরার দল

সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতির চালিকা শক্তি করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিল্প, সংস্কৃতি ও কারুশিল্পকে দেশের মূলধারার অর্থনীতির অংশ করতে চায় সরকার। এ জন্য শিল্পী ও কারুশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বিক্রির সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আজ শনিবার রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ক্রিয়েটিভ ফুটপ্রিন্টস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এ ছাড়া বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের পর অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

.

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত অর্থনৈতিক চিন্তায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে রাখা হয়েছে। বর্তমান সরকার এই ধারণা থেকে বেরিয়ে সৃজনশীল অর্থনীতিকে দেশের প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

সরকারের একার পক্ষে সবকিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, নীতি সহায়তা ও অর্থায়নের পাশাপাশি সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে এ খাতকে এগিয়ে নেওয়া হবে। এ খাতে প্রয়োজনীয় তহবিল বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে।

.

দেশীয় কারুশিল্পী, চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি তাঁদের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, পণ্যের নকশা উন্নয়ন, পরিচিতি তৈরি ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিপণনের জন্যও সরকার সহায়তা দেবে। এ ক্ষেত্রে অ্যামাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই–কমার্স প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক শিল্পী ও কারুশিল্পীদের তৈরি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ বাড়বে।

.

সৃজনশীল শিল্প শুধু শিল্পকলা, কারুশিল্প কিংবা ব্যবসায়ের বিষয় নয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সংগীত, চলচ্চিত্র, থিয়েটার ও হস্তশিল্পের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচিতি ও প্রভাব বাড়ানো সম্ভব। সরকার এ খাতকে দেশের সফট পাওয়ার বা সাংস্কৃতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতির চালিকা শক্তি করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

শিল্প, সংস্কৃতি ও কারুশিল্পকে দেশের মূলধারার অর্থনীতির অংশ করতে চায় সরকার। এ জন্য শিল্পী ও কারুশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বিক্রির সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আজ শনিবার রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ক্রিয়েটিভ ফুটপ্রিন্টস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এ ছাড়া বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের পর অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

.

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত অর্থনৈতিক চিন্তায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে রাখা হয়েছে। বর্তমান সরকার এই ধারণা থেকে বেরিয়ে সৃজনশীল অর্থনীতিকে দেশের প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

সরকারের একার পক্ষে সবকিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, নীতি সহায়তা ও অর্থায়নের পাশাপাশি সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে এ খাতকে এগিয়ে নেওয়া হবে। এ খাতে প্রয়োজনীয় তহবিল বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে।

.

দেশীয় কারুশিল্পী, চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি তাঁদের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, পণ্যের নকশা উন্নয়ন, পরিচিতি তৈরি ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিপণনের জন্যও সরকার সহায়তা দেবে। এ ক্ষেত্রে অ্যামাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই–কমার্স প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক শিল্পী ও কারুশিল্পীদের তৈরি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ বাড়বে।

.

সৃজনশীল শিল্প শুধু শিল্পকলা, কারুশিল্প কিংবা ব্যবসায়ের বিষয় নয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সংগীত, চলচ্চিত্র, থিয়েটার ও হস্তশিল্পের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচিতি ও প্রভাব বাড়ানো সম্ভব। সরকার এ খাতকে দেশের সফট পাওয়ার বা সাংস্কৃতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।