ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার, কারণ কী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক বাজারের জ্বালানি তেলের দাম আবার ১১০ ডলার হলো। আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারে ওঠে। তিন–চার দিন ধরেই এই অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তি আছে।

গত সপ্তাহেও তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়েছিল। পরে অবশ্য ১০৬-১০৭ ডলারে নেমে আসে। মে মাসের পর ব্রেন্টের দাম এই পর্যায়ে ওঠেনি। গত ১৯ মে ব্রেন্টের দাম ছিল ১১১ দশমিক ২৮ ডলার।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম আজ ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ৮১ ডলার হয়েছে। বাজার এখনো চলমান। অয়েলপ্রাইসডটকম থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চলছে। যুদ্ধের প্রথম দিকে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। পরে যুদ্ধবিরতির খবরে দাম কমলেও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সংবাদে দেখা যায়, চলতি বছরের মে মাসে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১১ ডলারের ওপরে থাকলেও জুনের শেষে তা কমে ৭৩ ডলারে নেমে আসে। এপ্রিলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। তখন বাজারে প্রত্যাশা তৈরি হয়, সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

তবে জুলাই থেকে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। সেই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। দাম আবার বাড়তে থাকে। তেলের বাজারে প্রকৃত সরবরাহের পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির বড় প্রভাব রয়েছে। হরমুজ প্রণালি ও সৌদি আরবের অবকাঠামোতে হামলার ঝুঁকিতে থাকলে তেলের দাম আরও বাড়তে থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার, কারণ কী

আপডেট সময় : ১২:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারের জ্বালানি তেলের দাম আবার ১১০ ডলার হলো। আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারে ওঠে। তিন–চার দিন ধরেই এই অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তি আছে।

গত সপ্তাহেও তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়েছিল। পরে অবশ্য ১০৬-১০৭ ডলারে নেমে আসে। মে মাসের পর ব্রেন্টের দাম এই পর্যায়ে ওঠেনি। গত ১৯ মে ব্রেন্টের দাম ছিল ১১১ দশমিক ২৮ ডলার।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম আজ ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ৮১ ডলার হয়েছে। বাজার এখনো চলমান। অয়েলপ্রাইসডটকম থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা চলছে। যুদ্ধের প্রথম দিকে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। পরে যুদ্ধবিরতির খবরে দাম কমলেও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সংবাদে দেখা যায়, চলতি বছরের মে মাসে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১১ ডলারের ওপরে থাকলেও জুনের শেষে তা কমে ৭৩ ডলারে নেমে আসে। এপ্রিলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। তখন বাজারে প্রত্যাশা তৈরি হয়, সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

তবে জুলাই থেকে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। সেই সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। দাম আবার বাড়তে থাকে। তেলের বাজারে প্রকৃত সরবরাহের পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির বড় প্রভাব রয়েছে। হরমুজ প্রণালি ও সৌদি আরবের অবকাঠামোতে হামলার ঝুঁকিতে থাকলে তেলের দাম আরও বাড়তে থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।