ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের ভিসার স্লটগুলো অসাধু এজেন্টরা বেশ আগেই ব্লক করে ফেলে: উপহাইকমিশনার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের মানুষ যাতে সরাসরি আরও কম ভোগান্তিতে ভারতীয় ভিসা পেতে পারেন, সে জন্য অনেক পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের উপহাইকমিশনার পাওয়ান বাধে। আজ রোববার তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পাওয়ান বাধে বলেন, ‘মূল সমস্যাটা হলো স্লট নিয়ে। কারণ, আমরা অবশ্যই (ট্রাভেল) এজেন্টদের পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে পারছি না; এখানে প্রচুর অসাধু এজেন্ট (মধ্যস্থতাকারী) কাজ করছে, যাদের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। তারা বেশ আগেই স্লটগুলো ব্লক করে ফেলে, যার ফলে সাধারণ নাগরিকেরা ভিসার স্লট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন এবং দুর্ভাগ্যবশত তাদের (ভিসাপ্রত্যাশী) ওই এজেন্টদের শরণাপন্ন হতে হয়।’

উল্লেখ্য, ভারতীয় ভিসার স্লট বলতে বোঝায় ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত সুযোগ বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট।

দিন দিন ভিসাদান পদ্ধতিকে উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে ভারতীয় উপহাইকমিশনার বলেন, ‘আমরা ওয়েবসাইটে আরও আইটি ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত ফিচার যুক্ত করেছি, যাতে সাধারণ মানুষ নিজেরাই সরাসরি আবেদন করে ভিসা পেতে পারেন। তবে গত কয়েক মাসে বেশ কিছুটা পরিবর্তনও এসেছে এবং এজেন্টদের কাছে না গিয়েই অনেক মানুষ এখন নিজেরাই সরাসরি ভিসার জন্য আবেদন করতে ও পেতে সক্ষম হচ্ছেন।’

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহা প্রতিষ্ঠিত কুমুদিনী হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থাপনার প্রশংসা করেন সহকারী হাইকমিশনার। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনেকাংশেই অভিন্ন। আমাদের দেশেরও দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনও প্রায় একই রকম।’

এর আগে সন্ধ্যায় তিনি কুমুদিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছালে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক মহাবীর পতি চন্দন তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় অন্যদের মধ্যে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হালিম, কুমুদিনী হাসপাতালের উপপরিচালক অনিমেষ ভৌমিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পাওয়ান বাধে কুমুদিনী লাইব্রেরি পরিদর্শনের পর বজরা নৌকাযোগে লৌহজং নদ পার হয়ে রণদার বাড়ির পূজামণ্ডপে যান। সেখানে তিনি ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় আরতি উপভোগ করেন। এ সময় কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শ্রীমতী সাহা ও কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক প্রদীপ কুমার রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

ভারতের ভিসার স্লটগুলো অসাধু এজেন্টরা বেশ আগেই ব্লক করে ফেলে: উপহাইকমিশনার

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের মানুষ যাতে সরাসরি আরও কম ভোগান্তিতে ভারতীয় ভিসা পেতে পারেন, সে জন্য অনেক পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের উপহাইকমিশনার পাওয়ান বাধে। আজ রোববার তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পাওয়ান বাধে বলেন, ‘মূল সমস্যাটা হলো স্লট নিয়ে। কারণ, আমরা অবশ্যই (ট্রাভেল) এজেন্টদের পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে পারছি না; এখানে প্রচুর অসাধু এজেন্ট (মধ্যস্থতাকারী) কাজ করছে, যাদের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। তারা বেশ আগেই স্লটগুলো ব্লক করে ফেলে, যার ফলে সাধারণ নাগরিকেরা ভিসার স্লট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন এবং দুর্ভাগ্যবশত তাদের (ভিসাপ্রত্যাশী) ওই এজেন্টদের শরণাপন্ন হতে হয়।’

উল্লেখ্য, ভারতীয় ভিসার স্লট বলতে বোঝায় ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত সুযোগ বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট।

দিন দিন ভিসাদান পদ্ধতিকে উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে ভারতীয় উপহাইকমিশনার বলেন, ‘আমরা ওয়েবসাইটে আরও আইটি ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত ফিচার যুক্ত করেছি, যাতে সাধারণ মানুষ নিজেরাই সরাসরি আবেদন করে ভিসা পেতে পারেন। তবে গত কয়েক মাসে বেশ কিছুটা পরিবর্তনও এসেছে এবং এজেন্টদের কাছে না গিয়েই অনেক মানুষ এখন নিজেরাই সরাসরি ভিসার জন্য আবেদন করতে ও পেতে সক্ষম হচ্ছেন।’

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে দানবীর রণদাপ্রসাদ সাহা প্রতিষ্ঠিত কুমুদিনী হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থাপনার প্রশংসা করেন সহকারী হাইকমিশনার। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনেকাংশেই অভিন্ন। আমাদের দেশেরও দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনও প্রায় একই রকম।’

এর আগে সন্ধ্যায় তিনি কুমুদিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছালে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক মহাবীর পতি চন্দন তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় অন্যদের মধ্যে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হালিম, কুমুদিনী হাসপাতালের উপপরিচালক অনিমেষ ভৌমিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পাওয়ান বাধে কুমুদিনী লাইব্রেরি পরিদর্শনের পর বজরা নৌকাযোগে লৌহজং নদ পার হয়ে রণদার বাড়ির পূজামণ্ডপে যান। সেখানে তিনি ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় আরতি উপভোগ করেন। এ সময় কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শ্রীমতী সাহা ও কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক প্রদীপ কুমার রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।