ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘চট্টগ্রামের রবিন থেকে গিটারসম্রাট, আইয়ুব বাচ্চুর জীবনই তো সিনেমা!’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আইয়ুব বাচ্চুর জীবন ও সংগীতের যাত্রা নিয়ে সিনেমা হওয়া উচিত বলে মনে করেন গীতিকবি ও সংগীত প্রযোজক আসিফ ইকবাল। তাঁর মতে, চট্টগ্রামের রবিন থেকে গিটারসম্রাট হয়ে ওঠা, প্রথম অ্যালবামের ব্যর্থতা, সোলস ছেড়ে নিজের ব্যান্ড গঠন, ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা এবং শেষ পর্যন্ত অকালমৃত্যু—সব মিলিয়ে আইয়ুব বাচ্চুর জীবনেই রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ সিনেমার গল্প। নতুন করে গল্প তৈরি করার প্রয়োজন নেই, চিত্রনাট্যকারের কাজ হবে ঘটনাগুলো যথাযথভাবে সাজানো।

আইয়ুব বাচ্চুর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ঢাকার মগবাজারের একটি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে এ কথা বলেন আসিফ ইকবাল। চট্টগ্রাম মিউজিশিয়ানস ক্লাব ঢাকা, আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন ও তাঁর বন্ধুমহল যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে আইয়ুব বাচ্চুকে স্মরণ করে আসিফ ইকবাল বলেন, ‘একজন শিল্পী তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকেন। আইয়ুব বাচ্চুর গানও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মানুষকে আলোড়িত করবে এবং নতুন প্রজন্মকে পথ দেখাবে।’ তাঁর মতে, এভাবেই একজন কালোত্তীর্ণ শিল্পী নিজের সময়কে ছাড়িয়ে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন। অনুষ্ঠানে আইয়ুব বাচ্চুকে নিয়ে সিনেমা হওয়া উচিত বলে জানান আসিফ ইকবাল।

পরে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে আইয়ুব বাচ্চুকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার দিকটাও ব্যাখ্যা করেন আসিফ ইকবাল। তিনি বলেন, ‘গল্পটা তৈরি। চট্টগ্রামের রবিন (নিজের আরেক নাম) থেকে গিটারসম্রাট, মাঝখানে ব্যর্থ প্রথম অ্যালবাম, সোলস ছেড়ে ২৮ বছর বয়সে নিজের ব্যান্ড, ১৯৯২-এ দেশের প্রথম ডাবল অ্যালবাম, ২০১২-তে সিসিইউ, নিজের সতীর্থদের সঙ্গে বিরোধ, আর ৫৬ বছরে মৃত্যু। চিত্রনাট্যকারকে কিছু বানাতে হবে না, শুধু সাজাতে হবে।’

আসিফ ইকবালের মতে, আইয়ুব বাচ্চুর দুটি স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে। একটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ১৫ লাখ মানুষের সামনে কনসার্ট করা, অন্যটি তরুণদের গিটার শেখানোর একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। তাঁর মতে, সিনেমার মাধ্যমে প্রথম স্বপ্নটি পর্দায় তুলে ধরা সম্ভব, আর দ্বিতীয় স্বপ্ন পূরণের জন্য অর্থ সংগ্রহের পথও তৈরি হতে পারে।আইয়ুব বাচ্চুর অপ্রকাশিত গানগুলোর কথাও উল্লেখ করেন আসিফ ইকবাল। তিনি বলেন, এবি ফাউন্ডেশনের হাতে আইয়ুব বাচ্চুর প্রায় ২০০টি গান রয়েছে, যেগুলো ধাপে ধাপে প্রকাশের কথা। আসিফ ইকবালের মতে, এই গানগুলোও সিনেমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হতে পারে।

সংগীতশিল্পীদের জীবন নিয়ে সিনেমা নির্মাণের সম্ভাবনা তুলে ধরে আসিফ ইকবাল বলেন, ‘এই দেশে রাজনীতিকের বায়োপিক হয়েছে, সংগীতশিল্পীর হয়নি।’ তাঁর মতে, আইয়ুব বাচ্চুর জীবন নিয়ে সিনেমা নির্মিত হলে তাঁর সংগীত, সংগ্রাম ও স্বপ্নের গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে। এখনকার তরুণদের অনেকে ‘রুপালি গিটার’ গানটিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রিলসের মাধ্যমে চিনলেও শিল্পীর পুরো জীবন ও সংগীতযাত্রা জানার সুযোগ সীমিত। এ প্রসঙ্গে ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’ সিনেমার উদাহরণ টেনে আসিফ ইকবাল বলেন, ‘সংগীতভিত্তিক জীবনীচিত্রের বিশেষত্ব হলো, দর্শকেরা অনেক সময় শিল্পীর গান আগে থেকেই চেনেন। ফলে গান ও শিল্পীর জীবনের গল্পকে একসঙ্গে তুলে ধরার সুযোগ থাকে। তাঁর মতে, আইয়ুব বাচ্চুর জীবন ও গান—দুটিই এমন একটি সিনেমার সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে।

আইয়ুব বাচ্চুর সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন আসিফ ইকবাল। তিনি জানান, তাঁর লেখা ‘১০০টা স্বপ্ন’ গানটি আইয়ুব বাচ্চু গেয়েছিলেন। সেই স্মৃতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাঁর নিজের স্বপ্নগুলো কেউ পর্দায় তুলবে কি না, সেই অপেক্ষা এখন তাঁর পালা।’

আসিফ ইকবালের মতে, একজন শিল্পীকে মনে রাখার সবচেয়ে বড় উপায় তাঁর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আইয়ুব বাচ্চুর গান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মানুষকে আলোড়িত করবে, নতুনদের পথ দেখাবে। তাঁর মতে, একজন শিল্পী বিশ্বাস করেন, তিনি না থাকলেও তাঁর সৃষ্টি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। আইয়ুব বাচ্চুর সৃষ্টিও সেভাবেই মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। এভাবেই তিনি বেঁচে থাকবেন, এমনকি আজকের প্রজন্মের মানুষগুলো একদিন না থাকলেও। আসিফ ইকবালের মতে, এটাই একজন কালোত্তীর্ণ শিল্পীর পরিচয়।

আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি মানুষের ভালোবাসার উদাহরণ হিসেবে তাঁর জানাজার কথাও উল্লেখ করেন আসিফ ইকবাল। তাঁর মতে, বাচ্চু ভাই কেমন মানুষ ও শিল্পী ছিলেন, তা বোঝার জন্য তাঁর জানাজায় মানুষের ঢলই যথেষ্ট। সেই ভালোবাসা শুধু স্মরণানুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ না রেখে তাঁর জীবন, সংগীত ও স্বপ্নকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি। আর এ ক্ষেত্রে সিনেমা হতে পারে কার্যকর একটি মাধ্যম। আইয়ুব বাচ্চুর জীবন নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মিত হলে তাঁর গান, সংগ্রাম ও অপূর্ণ স্বপ্নের গল্প আরও বিস্তৃত পরিসরে মানুষের কাছে পৌঁছাবে, নতুন প্রজন্মও জানতে পারবে এই শিল্পীর জীবনের নানা অধ্যায়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও ছিলেন শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, পার্থ বড়ুয়া, পিলু খান, রফিকুল আলম, ফোয়াদ নাসের বাবু, লাবু রহমান, রিপন খান, গোলাম মোর্শেদ, আসিফ আকবর, কোনাল, জয় শাহরিয়ার, সাব্বির, কিশোর, শফিক তুহিন, জুয়েল মোর্শেদ, তরুণ মুন্সি, রাশেদ ও আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

‘চট্টগ্রামের রবিন থেকে গিটারসম্রাট, আইয়ুব বাচ্চুর জীবনই তো সিনেমা!’

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

আইয়ুব বাচ্চুর জীবন ও সংগীতের যাত্রা নিয়ে সিনেমা হওয়া উচিত বলে মনে করেন গীতিকবি ও সংগীত প্রযোজক আসিফ ইকবাল। তাঁর মতে, চট্টগ্রামের রবিন থেকে গিটারসম্রাট হয়ে ওঠা, প্রথম অ্যালবামের ব্যর্থতা, সোলস ছেড়ে নিজের ব্যান্ড গঠন, ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা এবং শেষ পর্যন্ত অকালমৃত্যু—সব মিলিয়ে আইয়ুব বাচ্চুর জীবনেই রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ সিনেমার গল্প। নতুন করে গল্প তৈরি করার প্রয়োজন নেই, চিত্রনাট্যকারের কাজ হবে ঘটনাগুলো যথাযথভাবে সাজানো।

আইয়ুব বাচ্চুর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ঢাকার মগবাজারের একটি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে এ কথা বলেন আসিফ ইকবাল। চট্টগ্রাম মিউজিশিয়ানস ক্লাব ঢাকা, আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন ও তাঁর বন্ধুমহল যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে আইয়ুব বাচ্চুকে স্মরণ করে আসিফ ইকবাল বলেন, ‘একজন শিল্পী তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকেন। আইয়ুব বাচ্চুর গানও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মানুষকে আলোড়িত করবে এবং নতুন প্রজন্মকে পথ দেখাবে।’ তাঁর মতে, এভাবেই একজন কালোত্তীর্ণ শিল্পী নিজের সময়কে ছাড়িয়ে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন। অনুষ্ঠানে আইয়ুব বাচ্চুকে নিয়ে সিনেমা হওয়া উচিত বলে জানান আসিফ ইকবাল।

পরে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে আইয়ুব বাচ্চুকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার দিকটাও ব্যাখ্যা করেন আসিফ ইকবাল। তিনি বলেন, ‘গল্পটা তৈরি। চট্টগ্রামের রবিন (নিজের আরেক নাম) থেকে গিটারসম্রাট, মাঝখানে ব্যর্থ প্রথম অ্যালবাম, সোলস ছেড়ে ২৮ বছর বয়সে নিজের ব্যান্ড, ১৯৯২-এ দেশের প্রথম ডাবল অ্যালবাম, ২০১২-তে সিসিইউ, নিজের সতীর্থদের সঙ্গে বিরোধ, আর ৫৬ বছরে মৃত্যু। চিত্রনাট্যকারকে কিছু বানাতে হবে না, শুধু সাজাতে হবে।’

আসিফ ইকবালের মতে, আইয়ুব বাচ্চুর দুটি স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে। একটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ১৫ লাখ মানুষের সামনে কনসার্ট করা, অন্যটি তরুণদের গিটার শেখানোর একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। তাঁর মতে, সিনেমার মাধ্যমে প্রথম স্বপ্নটি পর্দায় তুলে ধরা সম্ভব, আর দ্বিতীয় স্বপ্ন পূরণের জন্য অর্থ সংগ্রহের পথও তৈরি হতে পারে।আইয়ুব বাচ্চুর অপ্রকাশিত গানগুলোর কথাও উল্লেখ করেন আসিফ ইকবাল। তিনি বলেন, এবি ফাউন্ডেশনের হাতে আইয়ুব বাচ্চুর প্রায় ২০০টি গান রয়েছে, যেগুলো ধাপে ধাপে প্রকাশের কথা। আসিফ ইকবালের মতে, এই গানগুলোও সিনেমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হতে পারে।

সংগীতশিল্পীদের জীবন নিয়ে সিনেমা নির্মাণের সম্ভাবনা তুলে ধরে আসিফ ইকবাল বলেন, ‘এই দেশে রাজনীতিকের বায়োপিক হয়েছে, সংগীতশিল্পীর হয়নি।’ তাঁর মতে, আইয়ুব বাচ্চুর জীবন নিয়ে সিনেমা নির্মিত হলে তাঁর সংগীত, সংগ্রাম ও স্বপ্নের গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে। এখনকার তরুণদের অনেকে ‘রুপালি গিটার’ গানটিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রিলসের মাধ্যমে চিনলেও শিল্পীর পুরো জীবন ও সংগীতযাত্রা জানার সুযোগ সীমিত। এ প্রসঙ্গে ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’ সিনেমার উদাহরণ টেনে আসিফ ইকবাল বলেন, ‘সংগীতভিত্তিক জীবনীচিত্রের বিশেষত্ব হলো, দর্শকেরা অনেক সময় শিল্পীর গান আগে থেকেই চেনেন। ফলে গান ও শিল্পীর জীবনের গল্পকে একসঙ্গে তুলে ধরার সুযোগ থাকে। তাঁর মতে, আইয়ুব বাচ্চুর জীবন ও গান—দুটিই এমন একটি সিনেমার সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে।

আইয়ুব বাচ্চুর সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন আসিফ ইকবাল। তিনি জানান, তাঁর লেখা ‘১০০টা স্বপ্ন’ গানটি আইয়ুব বাচ্চু গেয়েছিলেন। সেই স্মৃতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাঁর নিজের স্বপ্নগুলো কেউ পর্দায় তুলবে কি না, সেই অপেক্ষা এখন তাঁর পালা।’

আসিফ ইকবালের মতে, একজন শিল্পীকে মনে রাখার সবচেয়ে বড় উপায় তাঁর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আইয়ুব বাচ্চুর গান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মানুষকে আলোড়িত করবে, নতুনদের পথ দেখাবে। তাঁর মতে, একজন শিল্পী বিশ্বাস করেন, তিনি না থাকলেও তাঁর সৃষ্টি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। আইয়ুব বাচ্চুর সৃষ্টিও সেভাবেই মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। এভাবেই তিনি বেঁচে থাকবেন, এমনকি আজকের প্রজন্মের মানুষগুলো একদিন না থাকলেও। আসিফ ইকবালের মতে, এটাই একজন কালোত্তীর্ণ শিল্পীর পরিচয়।

আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি মানুষের ভালোবাসার উদাহরণ হিসেবে তাঁর জানাজার কথাও উল্লেখ করেন আসিফ ইকবাল। তাঁর মতে, বাচ্চু ভাই কেমন মানুষ ও শিল্পী ছিলেন, তা বোঝার জন্য তাঁর জানাজায় মানুষের ঢলই যথেষ্ট। সেই ভালোবাসা শুধু স্মরণানুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ না রেখে তাঁর জীবন, সংগীত ও স্বপ্নকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি। আর এ ক্ষেত্রে সিনেমা হতে পারে কার্যকর একটি মাধ্যম। আইয়ুব বাচ্চুর জীবন নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মিত হলে তাঁর গান, সংগ্রাম ও অপূর্ণ স্বপ্নের গল্প আরও বিস্তৃত পরিসরে মানুষের কাছে পৌঁছাবে, নতুন প্রজন্মও জানতে পারবে এই শিল্পীর জীবনের নানা অধ্যায়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও ছিলেন শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, পার্থ বড়ুয়া, পিলু খান, রফিকুল আলম, ফোয়াদ নাসের বাবু, লাবু রহমান, রিপন খান, গোলাম মোর্শেদ, আসিফ আকবর, কোনাল, জয় শাহরিয়ার, সাব্বির, কিশোর, শফিক তুহিন, জুয়েল মোর্শেদ, তরুণ মুন্সি, রাশেদ ও আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা প্রমুখ।