ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে বর্ষবরণে ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০১:০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৮৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এ আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল ইসলামের উদ্যোগে এ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘অঙ্গীকার শিল্পীগোষ্ঠী’ এবং সুন্দরগঞ্জের ‘রংধনু শিল্পীগোষ্ঠী’ মনোমুগ্ধকর ইসলামী সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। তাদের পরিবেশনায় ধর্মীয় আবহ ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যের এক অনন্য সমন্বয় ফুটে ওঠে, যা দর্শকদের মধ্যে ভিন্নধর্মী এক অনুভূতির সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান।

সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জহুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সামিউল ইসলাম।

ইউনিয়ন জামায়াতের টিম সদস্য মো. মিন্টু মিয়া খাজার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম এবং জামায়াত নেতা রশিদুল ইসলাম রাঙ্গা।

সাংসদ অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এ উৎসব উদযাপনে আমাদের নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও ধর্মীয় চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখা জরুরি। ইসলামী সংস্কৃতি মানুষের আত্মিক উন্নয়ন ঘটায় এবং সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অপসংস্কৃতির বিস্তারের মধ্যে ইসলামী সাংস্কৃতিক চর্চা অত্যন্ত জরুরি। নতুন প্রজন্মকে সুস্থ, সুন্দর ও নৈতিক জীবন গঠনে উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

তিনি বলেন, এ ধরনের সুস্থ, শালীন ও মূল্যবোধভিত্তিক সাংস্কৃতিক আয়োজন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সুন্দরগঞ্জে বর্ষবরণে ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

আপডেট সময় : ০১:০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী ইসলামী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এ আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল ইসলামের উদ্যোগে এ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে রংপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘অঙ্গীকার শিল্পীগোষ্ঠী’ এবং সুন্দরগঞ্জের ‘রংধনু শিল্পীগোষ্ঠী’ মনোমুগ্ধকর ইসলামী সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। তাদের পরিবেশনায় ধর্মীয় আবহ ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যের এক অনন্য সমন্বয় ফুটে ওঠে, যা দর্শকদের মধ্যে ভিন্নধর্মী এক অনুভূতির সৃষ্টি করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান।

সর্বানন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জহুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সামিউল ইসলাম।

ইউনিয়ন জামায়াতের টিম সদস্য মো. মিন্টু মিয়া খাজার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম এবং জামায়াত নেতা রশিদুল ইসলাম রাঙ্গা।

সাংসদ অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, ‘বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এ উৎসব উদযাপনে আমাদের নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও ধর্মীয় চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখা জরুরি। ইসলামী সংস্কৃতি মানুষের আত্মিক উন্নয়ন ঘটায় এবং সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অপসংস্কৃতির বিস্তারের মধ্যে ইসলামী সাংস্কৃতিক চর্চা অত্যন্ত জরুরি। নতুন প্রজন্মকে সুস্থ, সুন্দর ও নৈতিক জীবন গঠনে উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

তিনি বলেন, এ ধরনের সুস্থ, শালীন ও মূল্যবোধভিত্তিক সাংস্কৃতিক আয়োজন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।