ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি আরবে আগুনে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের লাশ বাড়িতে ফিরল তিন মাস পর ব্র্যাকে ডিপ্লোমা পাসে চাকরির সুযোগ, আছে পিতৃত্বকালীন ছুটি এবার আপনিও হতে পারেন ফ্যাশন হাউসের মডেল, পাবেন মাসিক বেতন জামায়াত–কওমির বিরোধ কেন, কোথা থেকে এর শুরু ২৮ বিশিষ্টজনের বিবৃতি: স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত ঠিক করে দিতে পারে না কে মুক্তিযোদ্ধা, কে নন যশোর বোর্ডে ৫৫ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেননি, কমেছে জিপিএ-৫ ‘বাঁধনহারা’র পাতায় মুক্তির খোঁজ: নজরুলের উপন্যাস নিয়ে পাঠচক্র এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ–৫, তাঁর নাটকের ভিউ সবচেয়ে বেশি… বেতন বৃদ্ধির দাবিতে তিন ঘণ্টা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ খেলাপি ঋণের জালে আটকা ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ কী

পহেলা বৈশাখে নানা আয়োজন বর্ষবরণ পর্ষদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বর্ণিল ও আনন্দঘন আয়োজনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে বর্ষবরণ পর্ষদ। ‘জাগাও পথিকে, ও সে ঘুমে অচেতন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বর্ষবরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয় ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়ক-এর মীনা বাজার সংলগ্ন সড়কে।

আয়োজকদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনের মধ্যে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, সংগীত, নৃত্য এবং বাঙালির চিরায়ত লোকজ সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা। সকাল ৯টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উৎসবের সূচনা হয়, যা শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টায়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শ্রেণি-পেশার মানুষ, সংস্কৃতিকর্মী ও শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের ভাষ্য, বাঙালি চিরায়ত সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

সকাল ৯টায় সমবেত কণ্ঠে গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজন শুরু হয়। জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা, ধন ধান্য পুষ্প ভরা এবং এসো হে বৈশাখ গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় ধানমন্ডি-২৭ নম্বরের মীনাবাজারের সামনে থেকে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। রাপাপ্লাজা ঘুরে ২৭ নম্বর সড়ক হয়ে আবার অনুষ্ঠানস্থলে ফিরে আসে শোভাযাত্রা। এরপর বেলা ১১টা থেকে মীনাবাজার চত্বরে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা। সেখানে ছিল ব্রতচারী ও ঢালীনৃত্য, মূকাভিনয়, একক আবৃত্তি ও একক গান পরিবেশনা।

দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত মধ্যাহ্ন বিরতির পর শুরু হয় বৈকালিক অধিবেশন। এ পর্বে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ ও বিভিন্ন শাখা সংসদ, উঠোন, তপোবন, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সংগঠনের পরিবেশনায় সমবেত সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

এ ছাড়া বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে মুক্তধারা সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র, উদীচী, স্রোত ও কথা আবৃত্তি চর্চাসহ বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা। একক সঙ্গীত পরিবেশনায় অংশ নেন মকবুল আহমেদ, সুকুমার বিশ্বাস, নারায়ন চন্দ্র শীল, পীযুষ বড়ুয়া, মনিরা রওনক বুবলি, আখি হালদার, শাওন রায়, অরুনিমা আহমেদ প্রথমা ও শিল্পী সাহা।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন বেলায়েত হোসেন, লায়লা আফরোজ, নায়লা তারান্নুম কাকলি, মো. মাসুদ উজ জামান, শিখা সেনগুপ্তা, অনিকেত রাজেশ, শাহদাত হোসেন নিপু, ইকবাল খোরশেদ, অলোক বসু, শাহীদা ফাল্গুনী, মোস্তাফিজুর রহমান মামুন ও মেহেদী হাসান।

এ ছাড়া ব্রতচারী নৃত্য পরিবেশন করে তক্ষশীলা বিদ্যালয়। আর মূকাভিনয় পরিবেশন করেন রঙ্গন আহমেদ। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শেষ হয় সরদার হিরক রাজা ও তার সঙ্গীদের বাউল গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

পহেলা বৈশাখে নানা আয়োজন বর্ষবরণ পর্ষদের

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বর্ণিল ও আনন্দঘন আয়োজনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে বর্ষবরণ পর্ষদ। ‘জাগাও পথিকে, ও সে ঘুমে অচেতন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বর্ষবরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয় ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়ক-এর মীনা বাজার সংলগ্ন সড়কে।

আয়োজকদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনের মধ্যে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, সংগীত, নৃত্য এবং বাঙালির চিরায়ত লোকজ সংস্কৃতির নানা উপস্থাপনা। সকাল ৯টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উৎসবের সূচনা হয়, যা শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টায়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শ্রেণি-পেশার মানুষ, সংস্কৃতিকর্মী ও শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের ভাষ্য, বাঙালি চিরায়ত সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

সকাল ৯টায় সমবেত কণ্ঠে গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজন শুরু হয়। জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা, ধন ধান্য পুষ্প ভরা এবং এসো হে বৈশাখ গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় ধানমন্ডি-২৭ নম্বরের মীনাবাজারের সামনে থেকে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। রাপাপ্লাজা ঘুরে ২৭ নম্বর সড়ক হয়ে আবার অনুষ্ঠানস্থলে ফিরে আসে শোভাযাত্রা। এরপর বেলা ১১টা থেকে মীনাবাজার চত্বরে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা। সেখানে ছিল ব্রতচারী ও ঢালীনৃত্য, মূকাভিনয়, একক আবৃত্তি ও একক গান পরিবেশনা।

দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত মধ্যাহ্ন বিরতির পর শুরু হয় বৈকালিক অধিবেশন। এ পর্বে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ ও বিভিন্ন শাখা সংসদ, উঠোন, তপোবন, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সংগঠনের পরিবেশনায় সমবেত সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

এ ছাড়া বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে মুক্তধারা সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র, উদীচী, স্রোত ও কথা আবৃত্তি চর্চাসহ বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা। একক সঙ্গীত পরিবেশনায় অংশ নেন মকবুল আহমেদ, সুকুমার বিশ্বাস, নারায়ন চন্দ্র শীল, পীযুষ বড়ুয়া, মনিরা রওনক বুবলি, আখি হালদার, শাওন রায়, অরুনিমা আহমেদ প্রথমা ও শিল্পী সাহা।

একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন বেলায়েত হোসেন, লায়লা আফরোজ, নায়লা তারান্নুম কাকলি, মো. মাসুদ উজ জামান, শিখা সেনগুপ্তা, অনিকেত রাজেশ, শাহদাত হোসেন নিপু, ইকবাল খোরশেদ, অলোক বসু, শাহীদা ফাল্গুনী, মোস্তাফিজুর রহমান মামুন ও মেহেদী হাসান।

এ ছাড়া ব্রতচারী নৃত্য পরিবেশন করে তক্ষশীলা বিদ্যালয়। আর মূকাভিনয় পরিবেশন করেন রঙ্গন আহমেদ। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শেষ হয় সরদার হিরক রাজা ও তার সঙ্গীদের বাউল গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।