ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিরোজপুর সদর উপজেলা চত্বরের ভিতরে ও বাহিরে পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম

পিরোজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এবং সম্মুখ ভাগের প্রধান সড়ক সংলগ্ন এলাকাকে পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক রাখতে এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুনুর রশীদের বিশেষ উদ্যোগে ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়।

‎​উপজেলা পরিষদের মূল প্রশাসনিক ভবনের চারপাশ, কর্মকর্তাদের বাসভবন এলাকা এবং অফিসের সম্মুখস্থ বাগানে জমে থাকা দীর্ঘদিনের আগাছা ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হচ্ছে। একই সাথে পরিষদের অভ্যন্তরীণ ড্রেনগুলো পরিষ্কারের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করা হয়েছে। কেবল চত্বরের ভিতরেই নয়, পরিষদের প্রধান প্রবেশপথ এবং সীমানা প্রাচীরের বাহিরের অংশকেও এই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। রাস্তার ধারের ময়লা-আবর্জনা ও ঝোপঝাড় অপসারণের ফলে পুরো এলাকায় এখন দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ বিরাজ করছে।

‎​তদারকিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুনুর রশীদ বলেন, “জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণন করেছি। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি শনিবার উপজেলার প্রতিটি দপ্তর, ইউনিয়ন পরিষদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং আবাসিক এলাকায় একযোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং একটি পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তোলা।”

‎​তিনি আরও বলেন, “সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি এই লড়াইয়ে প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আমি উপজেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারা প্রতি শনিবার নিজ নিজ অফিস প্রাঙ্গণ, বাসভবন এবং আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখুন। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর দিন।”

‎​ইউএনও আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যাতে একটি স্বাস্থ্যকর ও মনোরম পরিবেশ পায়, তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

‎​উপজেলা প্রশাসনের এই সময়োপযোগী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মতে, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ফলে চত্বরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি মশার উপদ্রব হ্রাস পাবে এবং একটি আদর্শ কর্মপরিবেশ বজায় থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

পিরোজপুর সদর উপজেলা চত্বরের ভিতরে ও বাহিরে পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম

আপডেট সময় : ০৭:০১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এবং সম্মুখ ভাগের প্রধান সড়ক সংলগ্ন এলাকাকে পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক রাখতে এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুনুর রশীদের বিশেষ উদ্যোগে ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়।

‎​উপজেলা পরিষদের মূল প্রশাসনিক ভবনের চারপাশ, কর্মকর্তাদের বাসভবন এলাকা এবং অফিসের সম্মুখস্থ বাগানে জমে থাকা দীর্ঘদিনের আগাছা ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হচ্ছে। একই সাথে পরিষদের অভ্যন্তরীণ ড্রেনগুলো পরিষ্কারের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করা হয়েছে। কেবল চত্বরের ভিতরেই নয়, পরিষদের প্রধান প্রবেশপথ এবং সীমানা প্রাচীরের বাহিরের অংশকেও এই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। রাস্তার ধারের ময়লা-আবর্জনা ও ঝোপঝাড় অপসারণের ফলে পুরো এলাকায় এখন দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ বিরাজ করছে।

‎​তদারকিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুনুর রশীদ বলেন, “জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণন করেছি। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি শনিবার উপজেলার প্রতিটি দপ্তর, ইউনিয়ন পরিষদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং আবাসিক এলাকায় একযোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং একটি পরিচ্ছন্ন উপজেলা গড়ে তোলা।”

‎​তিনি আরও বলেন, “সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি এই লড়াইয়ে প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আমি উপজেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারা প্রতি শনিবার নিজ নিজ অফিস প্রাঙ্গণ, বাসভবন এবং আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখুন। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর দিন।”

‎​ইউএনও আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যাতে একটি স্বাস্থ্যকর ও মনোরম পরিবেশ পায়, তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

‎​উপজেলা প্রশাসনের এই সময়োপযোগী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মতে, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ফলে চত্বরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি মশার উপদ্রব হ্রাস পাবে এবং একটি আদর্শ কর্মপরিবেশ বজায় থাকবে।