ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাস্টহেড পিআরের চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড গ্রোথ অফিসার আশিক ইকবাল কেশবপুরে ধানখেতে পাওয়া গেল দুই নারী–পুরুষের অর্ধগলিত লাশ উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীই উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী রান্নার চুলা নিয়ে মেসে মারধর, কিশোরের মৃত্যু ফখরের সেঞ্চুরির পর মিনহাজের ঝোড়ো ব্যাটিং, ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতল পাকিস্তান এইচএসসিতে ক্যাডেটে পাসের হার শতভাগ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৪ শতাংশের বেশি কুমিল্লায় আবারও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, ২৩৬ জন আটকের পর মুচলেকায় ছাড়া পেল ১২৯ দ্বিতীয় টেস্টের দলে অমিত হাসান, বাদ মুমিনুল ভারতের সিইসি জ্ঞানেশ জনতার দরবারে অভিশংসিত ঈদে দেশে ফেরার কথা ছিল, ফিরলেন কফিনবন্দী হয়ে

শ্রীপুরে শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধান ও শাকসবজির ব্যাপক ক্ষতি

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানসহ বিভিন্ন শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে ঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়া ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয়দের দুর্ভোগ বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার কাওরাইদ, তেলীহাটি, গাজীপুর ও বরমী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে আকস্মিক এ ঝড় ও শিলাবৃষ্টির ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে জানা যায়, কাওরাইদ ইউনিয়নের কাওরাইদ, বেলদিয়া, বাপ্তা, নান্দিয়া, সাঙ্গুন, ধামলই, হয়দেবপুর, জাহাঙ্গীরপুর, যোগীরসিট, বিধাই, আবদার ও নয়াপাড়া গ্রামে বোরো ধানের ক্ষেত মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এছাড়া তেলীহাটি ইউনিয়নের আবদার, গাজীপুর ইউনিয়নের নগরহাওলা এবং বরমী ইউনিয়নের বরকুল ও পাঠানটেক এলাকাতেও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় ধান ও সবজিক্ষেতের পাশাপাশি বহু গাছপালা উপড়ে পড়ে। অনেক বসতবাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে এবং বিভিন্ন সড়কে গাছ পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে।

কাওরাইদ ইউনিয়নের প্রশাসক ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মাহাবুব আলম বলেন, প্রায় প্রতিটি গ্রামেই ফসল, গাছপালা ও ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা জানান, মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন। শিগগিরই বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজিব আহম্মেদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নির্ধারণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

শ্রীপুরে শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধান ও শাকসবজির ব্যাপক ক্ষতি

আপডেট সময় : ১০:৩৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানসহ বিভিন্ন শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে ঝড়ে গাছপালা উপড়ে পড়া ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয়দের দুর্ভোগ বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার কাওরাইদ, তেলীহাটি, গাজীপুর ও বরমী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে আকস্মিক এ ঝড় ও শিলাবৃষ্টির ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে জানা যায়, কাওরাইদ ইউনিয়নের কাওরাইদ, বেলদিয়া, বাপ্তা, নান্দিয়া, সাঙ্গুন, ধামলই, হয়দেবপুর, জাহাঙ্গীরপুর, যোগীরসিট, বিধাই, আবদার ও নয়াপাড়া গ্রামে বোরো ধানের ক্ষেত মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। এছাড়া তেলীহাটি ইউনিয়নের আবদার, গাজীপুর ইউনিয়নের নগরহাওলা এবং বরমী ইউনিয়নের বরকুল ও পাঠানটেক এলাকাতেও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় ধান ও সবজিক্ষেতের পাশাপাশি বহু গাছপালা উপড়ে পড়ে। অনেক বসতবাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে এবং বিভিন্ন সড়কে গাছ পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে।

কাওরাইদ ইউনিয়নের প্রশাসক ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মাহাবুব আলম বলেন, প্রায় প্রতিটি গ্রামেই ফসল, গাছপালা ও ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা জানান, মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন। শিগগিরই বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজিব আহম্মেদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব নির্ধারণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।