ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পরিবারের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছেন ইয়াছিন আবাহনীর প্রথম হার, এক পাকিস্তানির জোড়া গোলে প্রথম জয় ব্রাদার্সের গাজীপুরে মাদ্রাসায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষকসহ দুজন গ্রেপ্তার কারওয়ান বাজারে ভ্যানগাড়িতে রুবেলের স্মার্ট ক্যাফে: অ্যাপে অর্ডার, কিউআরে বিল পরিশোধ ‘কিসের চুমু রে’ বলে মাদ্রাসাশিক্ষককে থাপ্পড়ের ভিডিও ভাইরাল, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ মিরপুর টেস্টে টিকিট ছাড়াই খেলা দেখা যাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর এবার ৩৬ ঘণ্টা বন্ধ ডিজিটাল ভূমিসেবার সার্ভার পাথর-পানির জাফলংয়ে ছুটির আমেজ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ছাপরা থেকে নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার সুন্দরগঞ্জে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২

শাহেদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর, দাফন হবে বগুড়ায় গ্রামের বাড়িতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত বাংলাদেশি শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার সকালে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিবারের কাছে তাঁর লাশ হস্তান্তর করা হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের উপস্থিতিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে শাহেদের লাশ গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী কহিনুর আক্তার। পরে তাঁরা লাশবাহী গাড়িতে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।

.

১০ অক্টোবর কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের হামলায় নিহত হন বাংলাদেশি কর্মী শাহেদ আহম্মেদ। তাঁর বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তাঁর বাবা সৌদি আরব প্রবাসী রফিকুল ইসলাম এবং মা শাহেরা বেগম গৃহিণী। শাহেদের দুই ছেলে—কাওছার ও আবদুল্লাহ। তাদের বয়স যথাক্রমে ১১ ও ৬ বছর।

শাহেদ সৌদি আরবের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জেদ্দা প্রকল্পে প্লাম্বার হিসেবে কাজ করতেন। দেশটিতে তাঁর কাজের অনুমতিপত্র (ইকামা) ছিল। বাংলাদেশে এক মাসের ছুটি কাটিয়ে রিয়াদ হয়ে জেদ্দায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন তিনি। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার সময় সেখানে অবস্থান করছিলেন শাহেদ। সেখানে হামলায় তিনিসহ দুই বাংলাদেশি নিহত হন। নিহত অন্যজন হলেন কুমিল্লার নাঙ্গোলকোট উপজেলার বাসিন্দা নাসরুল্লাহ বদরপুরি।

.জেদ্দায় পৌঁছে ফোন দেব, বলেছিলেন শাহেদ, স্ত্রী পেলেন মৃত্যুর খবর.

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিমানবন্দরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, গত এক মাসে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শুধু শাহেদের লাশ আজ দেশে এসেছে। অন্যদের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

.

লাশ নিয়ে বাড়িতে পৌঁছানোর পর সরকারি চাচাইতারা-মাদলা যুক্ত উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক গোরস্তানে তাঁকে দাফন করা হবে।

কহিনুর আক্তার, নিহত শাহেদ আহম্মেদের স্ত্রী

.

কহিনুর আক্তার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘লাশ নিয়ে বাড়িতে পৌঁছানোর পর সরকারি চাচাইতারা-মাদলা যুক্ত উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক গোরস্তানে তাঁকে দাফন করা হবে।’

শাহেদের চাচাতো ভাই মাসুম রানা বলেন, পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও স্বজন ও প্রতিবেশীরা শাহেদের লাশের অপেক্ষায় আছেন। বাড়ির পাশে কবর খোঁড়া হয়েছে। জানাজা শেষে সেখানে শাহেদকে দাফন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

শাহেদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর, দাফন হবে বগুড়ায় গ্রামের বাড়িতে

আপডেট সময় : ০২:২০:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত বাংলাদেশি শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার সকালে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিবারের কাছে তাঁর লাশ হস্তান্তর করা হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের উপস্থিতিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে শাহেদের লাশ গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী কহিনুর আক্তার। পরে তাঁরা লাশবাহী গাড়িতে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।

.

১০ অক্টোবর কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের হামলায় নিহত হন বাংলাদেশি কর্মী শাহেদ আহম্মেদ। তাঁর বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তাঁর বাবা সৌদি আরব প্রবাসী রফিকুল ইসলাম এবং মা শাহেরা বেগম গৃহিণী। শাহেদের দুই ছেলে—কাওছার ও আবদুল্লাহ। তাদের বয়স যথাক্রমে ১১ ও ৬ বছর।

শাহেদ সৌদি আরবের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জেদ্দা প্রকল্পে প্লাম্বার হিসেবে কাজ করতেন। দেশটিতে তাঁর কাজের অনুমতিপত্র (ইকামা) ছিল। বাংলাদেশে এক মাসের ছুটি কাটিয়ে রিয়াদ হয়ে জেদ্দায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন তিনি। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার সময় সেখানে অবস্থান করছিলেন শাহেদ। সেখানে হামলায় তিনিসহ দুই বাংলাদেশি নিহত হন। নিহত অন্যজন হলেন কুমিল্লার নাঙ্গোলকোট উপজেলার বাসিন্দা নাসরুল্লাহ বদরপুরি।

.জেদ্দায় পৌঁছে ফোন দেব, বলেছিলেন শাহেদ, স্ত্রী পেলেন মৃত্যুর খবর.

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিমানবন্দরে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, গত এক মাসে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শুধু শাহেদের লাশ আজ দেশে এসেছে। অন্যদের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

.

লাশ নিয়ে বাড়িতে পৌঁছানোর পর সরকারি চাচাইতারা-মাদলা যুক্ত উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক গোরস্তানে তাঁকে দাফন করা হবে।

কহিনুর আক্তার, নিহত শাহেদ আহম্মেদের স্ত্রী

.

কহিনুর আক্তার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘লাশ নিয়ে বাড়িতে পৌঁছানোর পর সরকারি চাচাইতারা-মাদলা যুক্ত উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পারিবারিক গোরস্তানে তাঁকে দাফন করা হবে।’

শাহেদের চাচাতো ভাই মাসুম রানা বলেন, পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও স্বজন ও প্রতিবেশীরা শাহেদের লাশের অপেক্ষায় আছেন। বাড়ির পাশে কবর খোঁড়া হয়েছে। জানাজা শেষে সেখানে শাহেদকে দাফন করা হবে।