সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা
- আপডেট সময় : ০৯:৫২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরে সারের ডিলার হিসেবে মনোনীত ৫৭ জনের মধ্যে অন্তত ৪৫ জন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী। অভিযোগ উঠেছে, দলীয় প্রভাব খাঁটিয়ে তাঁরা সারের ডিলার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
আগে থেকে সার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আবেদনকারীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে ডিলার নিয়োগের নীতিমালায়। তবে ডিলার হিসেবে মনোনীত বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের অনেকেরই সারের ব্যবসার অভিজ্ঞতা নেই। বাদ পড়া অনেক আবেদনকারীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার পরও তাঁরা ডিলার হতে পারেননি।
.
সার ডিলার নিয়োগের নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন বা পৌরসভায় আবেদনকারীর নিজস্ব অথবা ভাড়া করা কমপক্ষে ২৫ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার গুদাম থাকতে হবে। গুদামের মেঝে পাকা এবং স্বাভাবিক বন্যার পানির স্তরের ওপরে হতে হবে। গুদামে খাদ্যপণ্য, রেস্তোরাঁর সামগ্রী, গবাদিপশু ও মাছের খাবার কিংবা সবজি রাখা যাবে না। একই গুদামে বীজ সংরক্ষণও নিষিদ্ধ।
.
লক্ষ্মীপুর জেলার ৫৮টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভার জন্য সারের ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। গত ১০ সেপ্টেম্বর ছিল আবেদনের শেষ দিন। ওই সময় পর্যন্ত ৩৩৬টি আবেদন জমা পড়ে।
৭ অক্টোবর কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং শাখার কৃষি অর্থনীতিবিদ শাহনাজ আক্তারের সই করা চিঠিতে ৫৭ জনকে সারের ডিলার হিসেবে মনোনীত করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত করা ডিলারদের ওই তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ডিলারদের মধ্যে ৪৫ জন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী। তাঁদের কেউ বিএনপির পদে রয়েছেন, কেউ ছাত্রদল, যুবদল কিংবা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। এর বাইরে কয়েকজন দলের সক্রিয় কর্মী। এ ছাড়া দলীয় নেতাদের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে, এমন ব্যক্তিও আছেন কয়েকজন। তবে বাদ পড়া ব্যক্তিদের তালিকায় এমন অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের রাজনীতিতে যুক্ত।
.
সার ডিলার নিয়োগের নীতিমালায় আগে থেকে সার ব্যবসা থাকার বিষয়টি ছিল। আমি গত এক যুগ ধরে এলাকায় সারের ব্যবসা করছি। কিন্তু আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এমন একজনকে, যিনি আগে কখনো সার ব্যবসা করেননি। এটি দুঃখজনক ও হতাশাজনক।
শাহেদ হাওলাদার, বাসিন্দা, চর কাদিরা ইউনিয়ন।
.
সার ডিলার নিয়োগের নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন বা পৌরসভায় আবেদনকারীর নিজস্ব অথবা ভাড়া করা কমপক্ষে ২৫ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার গুদাম থাকতে হবে। গুদামের মেঝে পাকা এবং স্বাভাবিক বন্যার পানির স্তরের ওপরে হতে হবে। গুদামে খাদ্যপণ্য, রেস্তোরাঁর সামগ্রী, গবাদিপশু ও মাছের খাবার কিংবা সবজি রাখা যাবে না। একই গুদামে বীজ সংরক্ষণও নিষিদ্ধ।
নীতিমালা অনুযায়ী, আবেদনকারীকে আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে হবে এবং ব্যাংকের অন্তত পাঁচ লাখ টাকার সাম্প্রতিক সচ্ছলতার সনদ জমা দিতে হবে। নীতিমালায় আগে থেকে সার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আবেদনকারীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
.
মেঘনার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন। যত দূর চোখ যায়, তত দূর ফসলের মাঠ। সয়াবিনসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ হওয়ায় কৃষিপ্রধান এই ইউনিয়নে সারের চাহিদাও বিপুল। ইউনিয়নটির সার ডিলার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন স্থানীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল আজিজ। তাঁর প্রতিষ্ঠান মেসার্স গাজী এন্টারপ্রাইজ আগে সারের ব্যবসায় ছিল না বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে।
জেলার রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ওরফে পলাশের প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফাল্গুনী এন্টারপ্রাইজও সার ডিলার হিসেবে মনোনীত হয়েছে। তাঁর প্রতিষ্ঠানটিরও আগে সারের ব্যবসা ছিল না।
রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নে মেসার্স হাসিনা এন্টারপ্রাইজের মালিক মেহেদী হাসান আইনানকে সার ডিলার হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তিনি রায়পুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তাঁরও আগে সারের ব্যবসা ছিল না।
বামনী ইউনিয়নে মেসার্স আমির হোসেন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আমির হোসেন ওরফে ছুটু ডিলার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। তিনি বামনী ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তিনিও এবার নতুন করে সার ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন।
উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নে মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মাসুদ মিয়াকে মনোনীত করা হয়েছে। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। চরমোহনা ইউনিয়নে ভূঁইয়া ট্রেডার্সের মালিক ফাহিম ভূঁইয়া মনোনীত হয়েছেন। তিনি ওই ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি। তাঁরও আগে সারের ব্যবসা ছিল না।
.
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নে মেসার্স সততা ট্রেডার্সের মালিক জাকির হোসেনকে মনোনীত করা হয়েছে। তিনি দালাল বাজার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি। প্রতিষ্ঠানটি রড, সিমেন্ট ও নারকেলের ব্যবসা করে।
রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে মেসার্স আবদুল্লাহ ট্রেডার্সের মালিক মো. বিল্লাল পাটোয়ারী মনোনীত হয়েছেন। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। করপাড়া ইউনিয়নে ডিলার হিসেবে মনোনীত হয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আহসান হাবিবের প্রতিষ্ঠান এস বি ট্রেডার্স। ভোলাকোট ইউনিয়নে মনোনীত হয়েছেন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ আহম্মদ।
কমলনগর উপজেলার সাহেবেরহাট ইউনিয়নে ইয়ামিন ট্রেডার্সের মো. ইসমাইল ডিলার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। তিনি ওই ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হেলাল উদ্দিনের ভাই। চর মার্টিন ইউনিয়নে মনোনীত হয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মো. গিয়াস উদ্দিন।
চর ফলকন ইউনিয়নে মনোনীত হয়েছেন মাহবুবুর রহমান। তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরীর আত্মীয় বলে জানা গেছে। তাঁর চাচাতো ভাই লোকমান হোসেন পাটারীর প্রতিষ্ঠানও পাটারীরহাট ইউনিয়নের ডিলার হিসেবে মনোনীত হয়েছে।
হাজিরহাট ইউনিয়নে মনোনীত হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইসমাইল হোসেন। চর কাদিরা ইউনিয়নে মনোনীত হয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান উদ্দিনের ছোট ভাই হেলাল উদ্দিন। তাঁদের কেউ আগে সার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
.
২০০২ সাল থেকে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে সার বিক্রি করে আসছেন মো. শোভন। তিনি এবার সারের ডিলার হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে মনোনীত ডিলারদের তালিকায় তাঁর নাম নেই। মো. শোভন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সারের ব্যবসা করেও ডিলারশিপ পাইনি। সব নিয়মকানুন মেনে আবেদন করেছি। কিন্তু আমার রাজনৈতিক পরিচয় না থাকায় ডিলার হতে পারলাম না।’
চর কাদিরা ইউনিয়নে সার ডিলার হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউনিয়ন যুবদলের নেতা শাহেদ হাওলাদার। তবে চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম নেই। তিনিও দীর্ঘদিন ধরে সারের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানান। শাহেদ হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘সার ডিলার নিয়োগের নীতিমালায় আগে থেকে সার ব্যবসা থাকার বিষয়টি ছিল। আমি এক যুগ ধরে এলাকায় সারের ব্যবসা করছি। কিন্তু আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এমন একজনকে, যিনি আগে কখনো সারের ব্যবসা করেননি। এটি দুঃখজনক ও হতাশাজনক।’
.
কমলনগর উপজেলার চর মার্টিন ইউনিয়নে সার ডিলার হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের সদস্য তারেক রহমান ওরফে রকি। তাঁর দাবি, পৈতৃক সূত্রেই তাঁদের পরিবার সার ও কীটনাশকের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের প্রতিষ্ঠান এর আগে সারের ডিলার ছিল। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তা বাতিল হয়। তাঁদের সার ব্যবসার বয়স প্রায় ৫০ বছর। এবার তিনি ডিলার হতে আবেদন করেও মনোনীত হননি।
.
তারেক রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘অযোগ্য ব্যক্তিদের সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যাঁদের মনোনীত করা হয়েছে, তাঁদের গুদাম নেই। এমনকি অনেকেরই নেই সার বিক্রির অভিজ্ঞতা। এতে প্রকৃত সার ব্যবসায়ীরা ব্যবসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।’ তিনি অভিযোগ করেন, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী টাকার বিনিময়ে ডিলার নিয়োগের বাণিজ্য করেছেন।
তবে ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নুরুল হুদা চৌধুরী। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারের ডিলার নিয়োগে দলীয়ভাবে আমরা কোনো হস্তক্ষেপ করিনি। সবাই নিজ নিজ যোগ্যতায় ডিলার হয়েছেন। পাটারীরহাট ইউনিয়নের লোকমান হোসেন আমার দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাই। আর চর ফলকন ইউনিয়নের মাহবুবুর রহমানকে আমার ভাগনে বলা হলেও বিষয়টি সত্য নয়। তিনি আগে ছাত্রদল করতেন, এখন যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।’ নুরুল হুদা চৌধুরী আরও বলেন, ‘তবে আমাদেরও প্রত্যাশা ছিল, নীতিমালা অনুযায়ী আগে থেকে যাঁরা সার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাঁরাই ডিলার নিয়োগে অগ্রাধিকার পাবেন।’
.
দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ডিলার হিসেবে মনোনীত আমিনুল আজিজ বাদশা ডিলার মনোনয়নে রাজনৈতিক বিবেচনার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আমি যথাযথ কাগজপত্র জমা দিয়ে ডিলারের জন্য মনোনীত হয়েছি।’
রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ওরফে পলাশ বলেন, ‘এখানে সারের চাহিদা কম। তারপরও ডিলারশিপ নিয়েছি। এর জন্য রাজনৈতিক কোনো তদবির ছিল না।’
বামনী ইউনিয়নের মনোনীত ডিলার আমির হোসেন ওরফে ছুটু বলেন, ‘আগে অনেক ব্যবসা করেছি। সার ব্যবসায় এবার নতুনভাবে যুক্ত হচ্ছি। নিজের যোগ্যতা বলেই মনোনীত হয়েছি।’
কমলনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে তাঁকে মনোনীত করেছে। তবে তিনি আগে কখনো সারের ব্যবসা করেননি।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে অন্য কেউ আর আবেদন করেননি। আমি একমাত্র আবেদনকারী ছিলাম। সার্বিক বিচারে আমাকে ডিলার হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব থাকা লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানকে ফোন করা হয়। তিনি কল রিসিভ না করে বার্তা পাঠাতে বলেন। পরে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।
.
জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এবং জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সদস্যসচিব জহির আহমেদ বলেন, তালিকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের সংখ্যা বেশি—এমন তথ্য তিনিও জানতে পেরেছেন। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করে সুপারিশসহ তালিকা পাঠিয়েছিল। পরে সেই তালিকা কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত করে তালিকা পাঠানো হয়েছে।
জানতে চাইলে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাছিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত ১৭ বছর আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা সারের ডিলারসহ বিভিন্ন কিছু থেকে বঞ্চিত ছিলেন। দল ক্ষমতায় আসার পর এখন অনেকে ব্যবসা-বাণিজ্যে মনোযোগ দিচ্ছেন। এ কারণে সারের ডিলারের জন্য তাঁরা আবেদন করেছেন। সবাই নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন। মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলের কোনো প্রভাব ছিল না।’
























