ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬জি প্রযুক্তি কী, কবে চালু হবে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

৫জি প্রযুক্তির বিস্তারই যেখানে এখনো সম্পূর্ণ হয়নি, সেখানে ৬জি নিয়ে এত আগ্রহ কেন? এর কারণ, নতুন প্রজন্মের মোবাইল যোগাযোগপ্রযুক্তি তৈরি, পরীক্ষা ও আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণে দীর্ঘ সময় লাগে। ফলে ভবিষ্যতে মুঠোফোন, গাড়ি, বাসাবাড়ি ও অন্যান্য যন্ত্রকে সংযুক্ত রাখতে যে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে, তার প্রস্তুতি শুরু করতে হয় আগেভাগেই।

৩জি, ৪জি ও ৫জির পর ৬জি আসবে। মোবাইল প্রযুক্তির বিবর্তনকে সাধারণত এভাবেই দেখা হয়। তবে ৬জি শুধু ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর প্রযুক্তি নয়। এর মাধ্যমে যোগাযোগ নেটওয়ার্কের কাজের পরিধি আরও বাড়তে পারে। এমনকি নেটওয়ার্কের বেতার সংকেত ব্যবহার করে আশপাশের পরিবেশে মানুষ বা গাড়ির উপস্থিতি শনাক্ত করার সুযোগও তৈরি হতে পারে।

৬জি হলো মোবাইল যোগাযোগপ্রযুক্তির ষষ্ঠ প্রজন্ম। জাতিসংঘের সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) এ প্রযুক্তিকে ‘আইএমটি-২০৩০’ নামে অভিহিত করেছে। তবে ৬জি এখনো বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। এর প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণের কাজ চলছে। ২০৩০ সালকে সামনে রেখে প্রযুক্তিটির মান ও কার্যক্ষমতা নির্ধারণে অগ্রগতি হচ্ছে।

প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলোও এরই মধ্যে ৬জি চালুর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান টি-মোবাইল ২০২৯ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ৬জি নেটওয়ার্ক চালুর কথা ভাবছে। তবে কোনো প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়া আর সর্বত্র সহজলভ্য হওয়া এক বিষয় নয়। ৪জি ও ৫জি যেভাবে ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, ৬জির ক্ষেত্রেও তেমনটি ঘটতে পারে। সূত্র: আরটিই

টেকবার্তার সঙ্গে যোগাযোগ: [email protected]

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

৬জি প্রযুক্তি কী, কবে চালু হবে

আপডেট সময় : ০৫:৩০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

৫জি প্রযুক্তির বিস্তারই যেখানে এখনো সম্পূর্ণ হয়নি, সেখানে ৬জি নিয়ে এত আগ্রহ কেন? এর কারণ, নতুন প্রজন্মের মোবাইল যোগাযোগপ্রযুক্তি তৈরি, পরীক্ষা ও আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণে দীর্ঘ সময় লাগে। ফলে ভবিষ্যতে মুঠোফোন, গাড়ি, বাসাবাড়ি ও অন্যান্য যন্ত্রকে সংযুক্ত রাখতে যে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে, তার প্রস্তুতি শুরু করতে হয় আগেভাগেই।

৩জি, ৪জি ও ৫জির পর ৬জি আসবে। মোবাইল প্রযুক্তির বিবর্তনকে সাধারণত এভাবেই দেখা হয়। তবে ৬জি শুধু ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর প্রযুক্তি নয়। এর মাধ্যমে যোগাযোগ নেটওয়ার্কের কাজের পরিধি আরও বাড়তে পারে। এমনকি নেটওয়ার্কের বেতার সংকেত ব্যবহার করে আশপাশের পরিবেশে মানুষ বা গাড়ির উপস্থিতি শনাক্ত করার সুযোগও তৈরি হতে পারে।

৬জি হলো মোবাইল যোগাযোগপ্রযুক্তির ষষ্ঠ প্রজন্ম। জাতিসংঘের সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) এ প্রযুক্তিকে ‘আইএমটি-২০৩০’ নামে অভিহিত করেছে। তবে ৬জি এখনো বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। এর প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণের কাজ চলছে। ২০৩০ সালকে সামনে রেখে প্রযুক্তিটির মান ও কার্যক্ষমতা নির্ধারণে অগ্রগতি হচ্ছে।

প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলোও এরই মধ্যে ৬জি চালুর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান টি-মোবাইল ২০২৯ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ৬জি নেটওয়ার্ক চালুর কথা ভাবছে। তবে কোনো প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়া আর সর্বত্র সহজলভ্য হওয়া এক বিষয় নয়। ৪জি ও ৫জি যেভাবে ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, ৬জির ক্ষেত্রেও তেমনটি ঘটতে পারে। সূত্র: আরটিই

টেকবার্তার সঙ্গে যোগাযোগ: [email protected]