ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নয়াদিল্লিতে সিজেপির কর্মসূচি ঘিরে সতর্ক ৩২ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘জাতীয় পতাকা ওড়াও’ কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৩২ হাজারের বেশি সদস্য সতর্ক অবস্থানে থাকছেন।

আজ শুক্রবার এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, রাজধানী নয়াদিল্লির কনট প্লেসে এই কর্মসূচি পালন করার কথা সিজেপির।

তবে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাছাই করা কয়েকজনকে ‘উপযুক্ত’ কোনো স্থানে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

কর্মসূচি ঘিরে আজ কনট প্লেস ও সেন্ট্রাল বা মধ্য দিল্লিতে ছয় হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত দিল্লি পুলিশ।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচি পালন করে আসছে সিজেপি।

এই কর্মসূচি ঘিরে এক সপ্তাহ ধরে রাজধানী নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) প্রায় ২৬ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। তাঁদের পাশাপাশি এখন স্থানীয় পুলিশ সদস্যদেরও মোতায়েন করা হবে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সেন্ট্রাল বা মধ্য দিল্লিতে সব মিলিয়ে প্রায় ৩২ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকার কথা।

১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের সময় নয়াদিল্লি জেলায় প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। এই জেলার মধ্যে রয়েছে কনট প্লেস, রাজীব চক, সেন্ট্রাল পার্ক, আশপাশের মেট্রো স্টেশন, যন্তর মন্তর ও পালিকা বাজার।

মঙ্গলবার সকালে সিজেপির দুই জ্যেষ্ঠ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা গ্রেপ্তার হওয়ার পর দলের আহ্বায়ক অভিজিৎ দিপকে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। গত বুধবার সৌরভ ও আশুতোষকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।

গত মঙ্গলবার সৌরভ, আশুতোষসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়। তাঁরা তালাবদ্ধ ফটক টপকে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে ঢুকেছিলেন। সেখানে ভারতের জাতীয় পতাকা উড়িয়েছিলেন।

স্থানটি আগে বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত ছিল। পরে সেখানে বিক্ষোভের অনুমতি বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। পুলিশ পরে জানায়, তাঁদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল।

গত বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর সৌরভ, আশুতোষকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সময় আজ বিকেল পাঁচটায় জাতীয় পতাকা ওড়াও কর্মসূচি হওয়ার কথা। কর্মসূচিতে অভিজিৎ দিপকের অংশ নেওয়ার কথা। তিনি গত বুধবার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, শুক্রবারের কর্মসূচি ঘিরে তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

আজকের কর্মসূচিতে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, আন্দোলনকর্মী ও আম আদমি পার্টির (আপ) সদস্যদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

দিল্লি পুলিশের উপকমিশনার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহা যাদব জানিয়েছেন, বড় মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় জমায়েতসহ মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

নয়াদিল্লিতে সিজেপির কর্মসূচি ঘিরে সতর্ক ৩২ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী

আপডেট সময় : ১০:৪৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘জাতীয় পতাকা ওড়াও’ কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৩২ হাজারের বেশি সদস্য সতর্ক অবস্থানে থাকছেন।

আজ শুক্রবার এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, রাজধানী নয়াদিল্লির কনট প্লেসে এই কর্মসূচি পালন করার কথা সিজেপির।

তবে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাছাই করা কয়েকজনকে ‘উপযুক্ত’ কোনো স্থানে মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

কর্মসূচি ঘিরে আজ কনট প্লেস ও সেন্ট্রাল বা মধ্য দিল্লিতে ছয় হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত দিল্লি পুলিশ।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচি পালন করে আসছে সিজেপি।

এই কর্মসূচি ঘিরে এক সপ্তাহ ধরে রাজধানী নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) প্রায় ২৬ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। তাঁদের পাশাপাশি এখন স্থানীয় পুলিশ সদস্যদেরও মোতায়েন করা হবে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সেন্ট্রাল বা মধ্য দিল্লিতে সব মিলিয়ে প্রায় ৩২ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকার কথা।

১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের সময় নয়াদিল্লি জেলায় প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। এই জেলার মধ্যে রয়েছে কনট প্লেস, রাজীব চক, সেন্ট্রাল পার্ক, আশপাশের মেট্রো স্টেশন, যন্তর মন্তর ও পালিকা বাজার।

মঙ্গলবার সকালে সিজেপির দুই জ্যেষ্ঠ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা গ্রেপ্তার হওয়ার পর দলের আহ্বায়ক অভিজিৎ দিপকে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। গত বুধবার সৌরভ ও আশুতোষকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়।

গত মঙ্গলবার সৌরভ, আশুতোষসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়। তাঁরা তালাবদ্ধ ফটক টপকে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে ঢুকেছিলেন। সেখানে ভারতের জাতীয় পতাকা উড়িয়েছিলেন।

স্থানটি আগে বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত ছিল। পরে সেখানে বিক্ষোভের অনুমতি বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। পুলিশ পরে জানায়, তাঁদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল।

গত বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর সৌরভ, আশুতোষকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সময় আজ বিকেল পাঁচটায় জাতীয় পতাকা ওড়াও কর্মসূচি হওয়ার কথা। কর্মসূচিতে অভিজিৎ দিপকের অংশ নেওয়ার কথা। তিনি গত বুধবার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, শুক্রবারের কর্মসূচি ঘিরে তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

আজকের কর্মসূচিতে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, আন্দোলনকর্মী ও আম আদমি পার্টির (আপ) সদস্যদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

দিল্লি পুলিশের উপকমিশনার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহা যাদব জানিয়েছেন, বড় মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় জমায়েতসহ মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।