ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

লোহাগাড়ায় বজ্রপাতে কৃষকের ৩ গরুর মৃত্যু, দিশাহারা পরিবার

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ ৮৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা-এর চুনতি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বজ্রপাতে আব্দুর রহিম নামের এক কৃষকের তিনটি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) গভীর রাতে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে তীব্র বজ্রপাত হয়। এ সময় বজ্রপাত সরাসরি আব্দুর রহিমের গোহাল ঘরে আঘাত হানে। এতে ঘটনাস্থলেই তার তিনটি গরুর মৃত্যু হয়। বজ্রপাতের তীব্রতায় গরুগুলোর শরীরের ওপরের চামড়া পুড়ে যায়, যা ঘটনাটিকে আরও হৃদয়বিদারক করে তোলে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুর রহিম জানান, তিনি মূলত কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। এই গরুগুলোই ছিল তার আয়ের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। হঠাৎ এমন ক্ষতিতে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। নতুন করে গরু কেনার মতো আর্থিক সামর্থ্যও তার নেই।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে সান্ত্বনা দেন এবং ভেঙে না পড়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি অনেকেই তাকে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়-এ লিখিত আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে সরকারি সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিত্তবান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

লোহাগাড়ায় বজ্রপাতে কৃষকের ৩ গরুর মৃত্যু, দিশাহারা পরিবার

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা-এর চুনতি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বজ্রপাতে আব্দুর রহিম নামের এক কৃষকের তিনটি গরুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) গভীর রাতে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে তীব্র বজ্রপাত হয়। এ সময় বজ্রপাত সরাসরি আব্দুর রহিমের গোহাল ঘরে আঘাত হানে। এতে ঘটনাস্থলেই তার তিনটি গরুর মৃত্যু হয়। বজ্রপাতের তীব্রতায় গরুগুলোর শরীরের ওপরের চামড়া পুড়ে যায়, যা ঘটনাটিকে আরও হৃদয়বিদারক করে তোলে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুর রহিম জানান, তিনি মূলত কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। এই গরুগুলোই ছিল তার আয়ের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। হঠাৎ এমন ক্ষতিতে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। নতুন করে গরু কেনার মতো আর্থিক সামর্থ্যও তার নেই।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাকে সান্ত্বনা দেন এবং ভেঙে না পড়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি অনেকেই তাকে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়-এ লিখিত আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে সরকারি সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিত্তবান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।