ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দোয়ারাবাজারে কিশোর-কিশোরী স্বাস্থ্যসেবা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই—নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে’ স্লোগানকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে মা-শিশু স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি এবং কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় হাজী কনু মিয়া স্কুল ও কলেজের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ রফিজ আলী। পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক রেদওয়ানুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহিদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার (এমওডিসি) ডা. মুজতবা তামীম আল মাহদী, সাংবাদিক এস ডব্লিউ সাগর তালুকদার, অপরাজেয় বাংলাদেশ দোয়ারাবাজার শাখার ব্যবস্থাপক আজমল হোসেন এবং পিএইচডি গবেষক নিলুফার ইয়াসমিন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কৈশোরকাল একজন মেয়ের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়, যা সাধারণত ১০ থেকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত বিস্তৃত। এই সময়ে হরমোনগত পরিবর্তনের কারণে দেহে নানা শারীরিক পরিবর্তন ঘটে, যেমন উচ্চতা বৃদ্ধি, স্তন বিকাশ এবং ঋতুচক্র শুরু হওয়া।

তারা বলেন, এসব পরিবর্তন স্বাভাবিক হলেও সঠিক তথ্য ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে অনেক কিশোরী বিভ্রান্তি, লজ্জা ও ভয় থেকে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ে। তাই কিশোরীদের জন্য মানসম্মত ও কিশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, কৈশোরে দেহের দ্রুত বৃদ্ধির কারণে সুষম পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়। আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ কিশোরীদের সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করে। অন্যদিকে অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা ও শারীরিক দুর্বলতা তাদের শিক্ষাজীবন, কর্মক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সভায় মা-শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম জোরদার, পুষ্টি উন্নয়ন এবং কিশোর-কিশোরীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

দোয়ারাবাজারে কিশোর-কিশোরী স্বাস্থ্যসেবা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০২:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই—নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে’ স্লোগানকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নে মা-শিশু স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি এবং কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় হাজী কনু মিয়া স্কুল ও কলেজের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ রফিজ আলী। পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক রেদওয়ানুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পান্ডারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহিদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার (এমওডিসি) ডা. মুজতবা তামীম আল মাহদী, সাংবাদিক এস ডব্লিউ সাগর তালুকদার, অপরাজেয় বাংলাদেশ দোয়ারাবাজার শাখার ব্যবস্থাপক আজমল হোসেন এবং পিএইচডি গবেষক নিলুফার ইয়াসমিন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কৈশোরকাল একজন মেয়ের জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়, যা সাধারণত ১০ থেকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত বিস্তৃত। এই সময়ে হরমোনগত পরিবর্তনের কারণে দেহে নানা শারীরিক পরিবর্তন ঘটে, যেমন উচ্চতা বৃদ্ধি, স্তন বিকাশ এবং ঋতুচক্র শুরু হওয়া।

তারা বলেন, এসব পরিবর্তন স্বাভাবিক হলেও সঠিক তথ্য ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে অনেক কিশোরী বিভ্রান্তি, লজ্জা ও ভয় থেকে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ে। তাই কিশোরীদের জন্য মানসম্মত ও কিশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, কৈশোরে দেহের দ্রুত বৃদ্ধির কারণে সুষম পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়। আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ কিশোরীদের সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করে। অন্যদিকে অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা ও শারীরিক দুর্বলতা তাদের শিক্ষাজীবন, কর্মক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সভায় মা-শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম জোরদার, পুষ্টি উন্নয়ন এবং কিশোর-কিশোরীদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।