ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এইচএসসিতে পাসের হার ৫১.৬২%, জিপিএ-৫ ৩৫ হাজার এইচএসসিতে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা দেবেন এবারের এইচএসসিতে ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেননি এইচএসসিতে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা দেবেন এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪০০৮৪ জন এমপির ছেলেকে আবার রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন, নাটোর জেলা বিএনপির বিশেষ সভা বন্ডে বিনিয়োগ কতটা লাভজনক, কী বিবেচনা করতে হবে ব্যালন ডি’অর: কে কত পয়েন্ট পেলেন, কোন দেশ কাকে ভোট দিল মৌসুমী–ওমর সানীর দুই সন্তান কে কোথায়, কী করছেন শুটিংয়ে ভূতের মুখোমুখি, হ্যালোইনে জানুন ভয়ংকর অভিজ্ঞতার গল্প

৩৫ দিনে ঢাকা থেকে ৮৯৪ ফ্লাইট বাতিল, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ৩৫ দিনে মোট ৮৯৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, একই সময়ে বিকল্প রুট ব্যবহার করে সীমিত পরিসরে এক হাজার ২৮৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে বা পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করলে ঢাকার সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সরাসরি বিমান যোগাযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।

তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিলের মধ্য দিয়ে সংকট শুরু হয়। মার্চজুড়ে তা অব্যাহত থাকে। ১ মার্চ সর্বোচ্চ ৪০টি এবং ২ মার্চ ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়। পুরো মার্চ মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৮ থেকে ৩৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

এদিকে ১ এপ্রিলও ১৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে এয়ার অ্যারাবিয়া ও জাজিরা এয়ারওয়েজের চারটি করে, কাতার এয়ারওয়েজের চারটি এবং কুয়েত এয়ারওয়েজ, গালফ এয়ার ও এমিরেটসের দুটি করে ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

সংকটকালীন পরিস্থিতিতেও বিকল্প রুটে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত মাস্কাট, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী মোট ১,২৮৯টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চের মাঝামাঝি থেকে ফ্লাইট পরিচালনার সংখ্যা কিছুটা বাড়তে শুরু করে। ২৪ ও ২৬ মার্চ সর্বোচ্চ ৫০টি করে ফ্লাইট পরিচালিত হয়। ৩১ মার্চ ৪৮টি ফ্লাইট চলেছে এবং ১ এপ্রিল ৫১টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফ্লাইট বাতিলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মী, ব্যবসায়ী ও ট্রানজিট যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেক যাত্রীকে বিমানবন্দর থেকে ফিরে যেতে হয়েছে, আবার অনেকের ভ্রমণ পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হবে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

৩৫ দিনে ঢাকা থেকে ৮৯৪ ফ্লাইট বাতিল, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় ভোগান্তি

আপডেট সময় : ১১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ৩৫ দিনে মোট ৮৯৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, একই সময়ে বিকল্প রুট ব্যবহার করে সীমিত পরিসরে এক হাজার ২৮৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে বা পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করলে ঢাকার সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সরাসরি বিমান যোগাযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।

তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিলের মধ্য দিয়ে সংকট শুরু হয়। মার্চজুড়ে তা অব্যাহত থাকে। ১ মার্চ সর্বোচ্চ ৪০টি এবং ২ মার্চ ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়। পুরো মার্চ মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৮ থেকে ৩৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

এদিকে ১ এপ্রিলও ১৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে এয়ার অ্যারাবিয়া ও জাজিরা এয়ারওয়েজের চারটি করে, কাতার এয়ারওয়েজের চারটি এবং কুয়েত এয়ারওয়েজ, গালফ এয়ার ও এমিরেটসের দুটি করে ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

সংকটকালীন পরিস্থিতিতেও বিকল্প রুটে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত মাস্কাট, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী মোট ১,২৮৯টি ফ্লাইট পরিচালিত বা পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চের মাঝামাঝি থেকে ফ্লাইট পরিচালনার সংখ্যা কিছুটা বাড়তে শুরু করে। ২৪ ও ২৬ মার্চ সর্বোচ্চ ৫০টি করে ফ্লাইট পরিচালিত হয়। ৩১ মার্চ ৪৮টি ফ্লাইট চলেছে এবং ১ এপ্রিল ৫১টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

ফ্লাইট বাতিলের কারণে মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মী, ব্যবসায়ী ও ট্রানজিট যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেক যাত্রীকে বিমানবন্দর থেকে ফিরে যেতে হয়েছে, আবার অনেকের ভ্রমণ পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো হবে। যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।