ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর সফর: সূর্যোদয়ের দেশ থেকে আমাদের প্রত্যাশা চীনের মন রক্ষায় কেন মরিয়া রিয়াল ও লা লিগা, কোথায় আটকা শেষ পর্যন্ত যখন আপনি চূড়ায় উঠবেন, সেই আনন্দের তুলনা নেই… একজন এআই লেখক পার্লামেন্টে প্রথম দিনই স্পিকারকে হটাতে একমত আরব দলসহ নেতানিয়াহু বিরোধীরা কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ, উদ্ধার ১৩ ককটেল, গ্রেপ্তার আওয়ামী যুবলীগের চার নেতা–কর্মী তাহসিফকে ধাওয়া দিয়েছিল ইউনিফর্ম পরা লোকজন, দাবি দীপের ও অন্যান্য খবর অভাব ঘোচাতে বিদেশে গিয়ে ফিরলেন কফিনবন্দী হয়ে, মা–বাবার স্বপ্ন শেষ

দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধ থাকার পর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৭ নং ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু 

নরসিংদী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধ থাকার পর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩৬৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৭ নং ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।

শুক্রবার রাত ২টা থেকে এ ইউনিটে পুরোদমে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক ।

এর আগে গ্যাস সংকটের জন্য ২০২৫ সালের ১৪ জুন ৭ নং ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্যাস পুনরায় সরবরাহ পাওয়ায় শুক্রবার রাত থেকেই এ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

জানাগেছে, গত দুই বছর ধরে ঘোড়াশাল কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে গ্যাসের তীব্র সংকট চলছে। মূলত সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সরবরাহ কমিয়ে দেয় সরকার। এর ফলে গত বছরের জুনের মাঝামাঝি সময়ে ৪, ৫ ও ৭ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন একে একে বন্ধ হয়ে যায়। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বিকল্প উপায়ে গ্যাস সরবরাহের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলেও এতদিন তার সুরাহা হয়নি। এর আগে, ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩ নম্বর ইউনিটের টারবাইনের রোটার ব্লেডে কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়ায় বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে।

৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট দুটি বর্তমানে উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলেই এগুলোতে উৎপাদন শুরু করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক।

অপর দিকে ২০১০ সালের জুন মাসে ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৬ নম্বর ইউনিটে আগুন লেগে টারবাইন পুড়ে যায়। সেই থেকে এ ইউনিটটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ ও ২ নম্বর ইউনিট দুটি দীর্ঘ ৯ বছর ধরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ। রাশিয়ার কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এই পুরোনো ইউনিট দুটি ভেঙে সেখানে আধুনিক ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার ।

প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক জানান, ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩নং ইউনিটের টারবাইনের রোটারের ব্লেডে ত্রুটির কারণে সেটার মেরামতের কাজ চলছে। অপর ৪ ও ৫ নং ইউনিট দুটি প্রস্তুত আছে, পুরো গ্যাস পেলেই এ দুটির বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধ থাকার পর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৭ নং ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু 

আপডেট সময় : ০৮:১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধ থাকার পর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩৬৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৭ নং ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।

শুক্রবার রাত ২টা থেকে এ ইউনিটে পুরোদমে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক ।

এর আগে গ্যাস সংকটের জন্য ২০২৫ সালের ১৪ জুন ৭ নং ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্যাস পুনরায় সরবরাহ পাওয়ায় শুক্রবার রাত থেকেই এ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

জানাগেছে, গত দুই বছর ধরে ঘোড়াশাল কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে গ্যাসের তীব্র সংকট চলছে। মূলত সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সরবরাহ কমিয়ে দেয় সরকার। এর ফলে গত বছরের জুনের মাঝামাঝি সময়ে ৪, ৫ ও ৭ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন একে একে বন্ধ হয়ে যায়। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বিকল্প উপায়ে গ্যাস সরবরাহের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলেও এতদিন তার সুরাহা হয়নি। এর আগে, ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩ নম্বর ইউনিটের টারবাইনের রোটার ব্লেডে কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়ায় বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে।

৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট দুটি বর্তমানে উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলেই এগুলোতে উৎপাদন শুরু করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক।

অপর দিকে ২০১০ সালের জুন মাসে ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৬ নম্বর ইউনিটে আগুন লেগে টারবাইন পুড়ে যায়। সেই থেকে এ ইউনিটটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ ও ২ নম্বর ইউনিট দুটি দীর্ঘ ৯ বছর ধরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ। রাশিয়ার কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এই পুরোনো ইউনিট দুটি ভেঙে সেখানে আধুনিক ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার ।

প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক জানান, ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩নং ইউনিটের টারবাইনের রোটারের ব্লেডে ত্রুটির কারণে সেটার মেরামতের কাজ চলছে। অপর ৪ ও ৫ নং ইউনিট দুটি প্রস্তুত আছে, পুরো গ্যাস পেলেই এ দুটির বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু হবে।