ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর সফর: সূর্যোদয়ের দেশ থেকে আমাদের প্রত্যাশা চীনের মন রক্ষায় কেন মরিয়া রিয়াল ও লা লিগা, কোথায় আটকা শেষ পর্যন্ত যখন আপনি চূড়ায় উঠবেন, সেই আনন্দের তুলনা নেই… একজন এআই লেখক পার্লামেন্টে প্রথম দিনই স্পিকারকে হটাতে একমত আরব দলসহ নেতানিয়াহু বিরোধীরা কুকুর পোষা পাপ আর বিড়াল পোষা কি সুন্নত বিজ্ঞাপনে এআইয়ের ধাক্কা, গুগলের বাজারমূল্য কমল ৫০০ বিলিয়ন ডলার কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ, উদ্ধার ১৩ ককটেল, গ্রেপ্তার আওয়ামী যুবলীগের চার নেতা–কর্মী তাহসিফকে ধাওয়া দিয়েছিল ইউনিফর্ম পরা লোকজন, দাবি দীপের ও অন্যান্য খবর অভাব ঘোচাতে বিদেশে গিয়ে ফিরলেন কফিনবন্দী হয়ে, মা–বাবার স্বপ্ন শেষ

গোপালগঞ্জে ঈদুল ফিতরে কারাবন্দিদের জন্য রাজকীয় খাবার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:১০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দিদের জন্য নেওয়া হয়েছে ব্যতিক্রমী ও হৃদয়স্পর্শী উদ্যোগ। ঈদের আনন্দ থেকে বন্দিদের বঞ্চিত না করতে কারা কর্তৃপক্ষ আয়োজন করেছে রাজকীয় খাবারের, যা ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে।

কারা সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য পরিবেশন করা হবে সেমাই, খেজুর, রুটি ও ডিম। আর দুপুরের প্রধান খাবারের তালিকায় থাকছে সুস্বাদু পোলাও, গরুর মাংস, মুরগির রোস্ট, ডাল ও সবজি। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে জর্দা ও বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন।

এছাড়া ভিন্নধর্মাবলম্বী বন্দিদের জন্যও রাখা হয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। হিন্দু ধর্মাবলম্বী বন্দিদের জন্য পরিবেশন করা হবে খাসির মাংস, যাতে তারা নিজেদের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঈদের দিনটিতে অংশ নিতে পারেন।

গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, “ঈদ সবার জন্য আনন্দের। বন্দিরাও যেন এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই প্রতিবছরের মতো এবারও উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

জেলার মোঃ নাসির উদ্দীন জানান, খাবারের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করা হচ্ছে।

ডেপুটি জেলার সুমি ঘোষ বলেন, “বন্দিদের মানসিক স্বস্তি ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে তাদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে।”

এদিকে, ঈদ উপলক্ষে কারাগারে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত প্রহরা, তল্লাশি ও সার্বক্ষণিক নজরদারির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন মানবিক উদ্যোগ বন্দিদের মধ্যে নতুন আশা জাগায় এবং সংশোধনের পথে এগিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

গোপালগঞ্জে ঈদুল ফিতরে কারাবন্দিদের জন্য রাজকীয় খাবার

আপডেট সময় : ০৮:১০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দিদের জন্য নেওয়া হয়েছে ব্যতিক্রমী ও হৃদয়স্পর্শী উদ্যোগ। ঈদের আনন্দ থেকে বন্দিদের বঞ্চিত না করতে কারা কর্তৃপক্ষ আয়োজন করেছে রাজকীয় খাবারের, যা ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে।

কারা সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য পরিবেশন করা হবে সেমাই, খেজুর, রুটি ও ডিম। আর দুপুরের প্রধান খাবারের তালিকায় থাকছে সুস্বাদু পোলাও, গরুর মাংস, মুরগির রোস্ট, ডাল ও সবজি। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে জর্দা ও বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন।

এছাড়া ভিন্নধর্মাবলম্বী বন্দিদের জন্যও রাখা হয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। হিন্দু ধর্মাবলম্বী বন্দিদের জন্য পরিবেশন করা হবে খাসির মাংস, যাতে তারা নিজেদের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঈদের দিনটিতে অংশ নিতে পারেন।

গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, “ঈদ সবার জন্য আনন্দের। বন্দিরাও যেন এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই প্রতিবছরের মতো এবারও উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

জেলার মোঃ নাসির উদ্দীন জানান, খাবারের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করা হচ্ছে।

ডেপুটি জেলার সুমি ঘোষ বলেন, “বন্দিদের মানসিক স্বস্তি ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে তাদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে।”

এদিকে, ঈদ উপলক্ষে কারাগারে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত প্রহরা, তল্লাশি ও সার্বক্ষণিক নজরদারির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন মানবিক উদ্যোগ বন্দিদের মধ্যে নতুন আশা জাগায় এবং সংশোধনের পথে এগিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।