জলঢাকায় S8T সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৭:১৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন সেচ ক্যালেনে সংস্কারে S8T প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ২০২২ সালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি শুরু হয় কাজ এখন পর্যন্ত চলমান কবে শেষ হবে অনিশ্চয়তায় প্রকল্পটি পানি শূন্যতায় দীর্ঘ সময়।
কাজের গুণগত মান নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন বলতেছেন এলাকাবাসী নিম্নমানের সামগ্রী ময়লা, আবর্জনা, ভরা পাথর, বালু, দিয়েই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি।
এলাকাবাসীরা বলতেছেন যেভাবে কাজটি করা হচ্ছে আরো দুই বছর লাগতে পারে তবুও শেষ করতে পারবেন কি না এই প্রকল্পটির কাজ তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন । তবে এ কথা থেকেই যায় কাজের তৃতীয়বারের মতো সময়ে বাড়িয়ে নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি।
সচেতন নাগরিকরা বলতেছে যে পুরো কাজটি অনিয়মের ভরপুর কেউ কিছু বলতে গেলেই বলেন যে এভাবেই সিডিউল অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে কথা হয় রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মুছান্না গালিব ইসলামের সাথে তিনি বলেন সাইনবোর্ড টি লাগানো ছিলো সরিয়ে ফেলছে আর কাজ তো চলমান তিনি বলেন সমস্যা কি এ যেনো জেনেও না জানার ভান করেন।
দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়ে যায় তবুও শেষ করতে পারে না সেচ প্রকল্পটি তথ্য চাইতে গেলেই বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে গরমিল করেন এই কর্মকর্তা গালিব। এবং একই কাজের সংশ্লিষ্ট উপসহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদকে একাধিকবার তথ্য চাওয়ার জন্য ফোন দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেন না। স্থানীয়দের অভিযোগ হচ্ছে সঠিক সময়ে কাজ না করা, পানির জন্য হাহাকার পানি দিতে পারেন না,এবং বহুদিন ধরে কাজ ফেলে রাখা, মানুষের ক্ষতি করা, সহ অনেক অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে। এদিকে সরকার এত কোটি টাকা খরচ করে চাষীদের উন্নয়নের জন্য কিন্তু সঠিক সময়ে পানি দিতে না পারায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপর।
এদিকে স্থানীয়রা আরো বলেন তারা যে কাজ করছে এ পর্যন্ত কাজের অর্ধেক শেষ করতে পারেনি চার বছর ধরে।এখনো যেটা পড়ে রয়েছে তাও লাগতে পারে তিন বছর তাহলে সংস্কারের নামে তামাশা আর কত যে উন্নয়ন জনগণের জন্য।একটি প্রকল্পের কাজ এদিকে শেষ না হতেই তো ফাটল ধরে যাবে অন্যদিকে তাহলে জনগণ কি সেবা পেতে পারে এসব সেচ প্রকল্প দিয়ে এমনই প্রশ্ন জাগে সচেতন ব্যক্তিদের মধ্যে। তবে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফোন রিসিভ করেন না।


























