ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসির পরীক্ষা হবে আগামীকাল: ১১–দলীয় ঐক্য জলঢাকায় সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার, কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সাইবার হামলার ঝুঁকিতে ৩টি মডেলের আইফোন, সতর্ক করল অ্যাপল দুই পা হারানো সাখাওয়াতের হাতে হুইলচেয়ার, ঘরে এক মাসের বাজার হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে পাননি পাঁচ চিকিৎসককে, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মিশিগানে আগের দিন ওবামা, পরদিন ট্রাম্প সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গাজায় নিজের সেনাসন্তান নিহত হওয়াতেই কি রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন আইজেনকট বাংলাদেশের শিক্ষক থেকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী, আমার অভিজ্ঞতা

ফেনী-৩

দ্বৈত নাগরিকত্ব বিতর্ক পেরিয়ে ভোটের মাঠে বিএনপির মিন্টু

ফেনী প্রতিনিধি 
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফেনী-৩ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসক মনিরা হক নিজ কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য জানান।

ফেনী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুর রহিম মিন্টুর দ্বৈত নাগরিকত্ব বিষয়টি জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, মিন্টুর পূর্বে দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল। ২০২৫ সালের ৯ ডিসেম্বর তিনি তা পরিত্যাগ করেছেন এবং মার্কিন দূতাবাসে নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য আবেদন করেছেন। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের কারণে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর আবদুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের বলেন, “যারা আমার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ফেনীর জনগণের কল্যাণে ও উন্নয়নের জন্যই আমি এই নির্বাচন করছি।”

হলফনামা অনুযায়ী, ব্যবসায়ী মিন্টুর মোট সম্পদ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা, এবং গত অর্থবছরে দেশের ভেতরে তার বার্ষিক আয় ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৭ জনের বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন: বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টু, জাতীয় পার্টি থেকে মো. আবু সুফিয়ান, জামায়াতে ইসলামী থেকে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. সাইফ উদ্দিন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে মো. আবু নাছের, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) থেকে আবদুল মালেক এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন থেকে মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান পাটোয়ারী।

এদিকে সরকারি পাওনা পরিশোধ না করা, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা ও ভোটারের তথ্য সমস্যার কারণে অন্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

ফেনী-৩

দ্বৈত নাগরিকত্ব বিতর্ক পেরিয়ে ভোটের মাঠে বিএনপির মিন্টু

আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

ফেনী-৩ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসক মনিরা হক নিজ কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য জানান।

ফেনী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুর রহিম মিন্টুর দ্বৈত নাগরিকত্ব বিষয়টি জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, মিন্টুর পূর্বে দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল। ২০২৫ সালের ৯ ডিসেম্বর তিনি তা পরিত্যাগ করেছেন এবং মার্কিন দূতাবাসে নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য আবেদন করেছেন। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের কারণে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর আবদুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের বলেন, “যারা আমার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ফেনীর জনগণের কল্যাণে ও উন্নয়নের জন্যই আমি এই নির্বাচন করছি।”

হলফনামা অনুযায়ী, ব্যবসায়ী মিন্টুর মোট সম্পদ ৫০৭ কোটি ৮০ লাখ ৮ হাজার ১৭১ টাকা, এবং গত অর্থবছরে দেশের ভেতরে তার বার্ষিক আয় ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৯০ টাকা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৭ জনের বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন: বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টু, জাতীয় পার্টি থেকে মো. আবু সুফিয়ান, জামায়াতে ইসলামী থেকে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. সাইফ উদ্দিন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে মো. আবু নাছের, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) থেকে আবদুল মালেক এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন থেকে মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান পাটোয়ারী।

এদিকে সরকারি পাওনা পরিশোধ না করা, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকা ও ভোটারের তথ্য সমস্যার কারণে অন্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।