ঢাকা ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত ক্ষমতা হারানোর ভয়েই কি আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছেন নেতানিয়াহু বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল গায়ে পা লাগলে ‘সালাম’ করা: প্রথা নাকি বিধান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি এসআরবির অভিযানের সময় তরুণের মৃত্যু, গুলি করেছে কে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে বড় নিয়োগ হচ্ছে হানিফসহ চার আসামির অপরাধ কী, মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও তাঁরা কী কী সাজা পেলেন

পদ নয়, মানুষের ভোটাধিকারই রাজনীতির আসল শক্তি: স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দলীয় রাজনীতির গণ্ডির বাইরে গিয়ে মানুষের ভোটাধিকার ও স্থানীয় জনমতকে প্রাধান্য দিয়ে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে অবস্থান নিয়েছেন হাসান মামুন। তিনি জানিয়েছেন, রাজনীতিতে তার লক্ষ্য কোনো পদ-পদবি নয়; বরং সাধারণ মানুষের আস্থা ও সমর্থনই তার প্রকৃত শক্তি।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন হাসান মামুন। সে সময় তিনি বলেন, দল থেকে মনোনয়ন না পেলে তিনি পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। এমনকি দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বহিষ্কার হলেও তা মেনে নেবেন বলেও জানান। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সব সিদ্ধান্তের প্রতি তার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দেন, দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি সম্মান রেখেও মানুষের ভোটাধিকার প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করবেন না।

হাসান মামুন বলেন, আমি দলের নিয়মকানুন ও শৃঙ্খলায় বিশ্বাস করি। কিন্তু তিন লক্ষাধিক মানুষের ভোটাধিকার উপেক্ষা করার অধিকার কারও নেই।

তার এই অবস্থান স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গলাচিপা ও দশমিনার রাজনৈতিক মহলের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে নতুন গতি এনেছে। তৃণমূলের মনোভাব, স্থানীয় জনমত এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের মধ্যে নতুন একটি রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, এটি ভোটের মর্যাদা ও জনগণের মতামতের প্রতি স্পষ্ট সম্মান প্রদর্শনের দৃষ্টান্ত।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, দলীয় পরিচয়ের বাইরে থেকেও হাসান মামুন শক্তিশালী জনসমর্থন গড়ে তুলতে সক্ষম হতে পারেন। তার এই রাজনৈতিক অবস্থান দীর্ঘমেয়াদে গলাচিপা-দশমিনার রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও তারা মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, পদ নয় বরং আদর্শ, জনআস্থা ও মানুষের বিশ্বাসকে সামনে রেখে এগোনোর যে বার্তা হাসান মামুন দিয়েছেন, তা স্থানীয় রাজনীতিতে একটি ভিন্ন ধারা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

পদ নয়, মানুষের ভোটাধিকারই রাজনীতির আসল শক্তি: স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

দলীয় রাজনীতির গণ্ডির বাইরে গিয়ে মানুষের ভোটাধিকার ও স্থানীয় জনমতকে প্রাধান্য দিয়ে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে অবস্থান নিয়েছেন হাসান মামুন। তিনি জানিয়েছেন, রাজনীতিতে তার লক্ষ্য কোনো পদ-পদবি নয়; বরং সাধারণ মানুষের আস্থা ও সমর্থনই তার প্রকৃত শক্তি।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন হাসান মামুন। সে সময় তিনি বলেন, দল থেকে মনোনয়ন না পেলে তিনি পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। এমনকি দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বহিষ্কার হলেও তা মেনে নেবেন বলেও জানান। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সব সিদ্ধান্তের প্রতি তার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দেন, দলীয় শৃঙ্খলার প্রতি সম্মান রেখেও মানুষের ভোটাধিকার প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করবেন না।

হাসান মামুন বলেন, আমি দলের নিয়মকানুন ও শৃঙ্খলায় বিশ্বাস করি। কিন্তু তিন লক্ষাধিক মানুষের ভোটাধিকার উপেক্ষা করার অধিকার কারও নেই।

তার এই অবস্থান স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গলাচিপা ও দশমিনার রাজনৈতিক মহলের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে নতুন গতি এনেছে। তৃণমূলের মনোভাব, স্থানীয় জনমত এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের মধ্যে নতুন একটি রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, এটি ভোটের মর্যাদা ও জনগণের মতামতের প্রতি স্পষ্ট সম্মান প্রদর্শনের দৃষ্টান্ত।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, দলীয় পরিচয়ের বাইরে থেকেও হাসান মামুন শক্তিশালী জনসমর্থন গড়ে তুলতে সক্ষম হতে পারেন। তার এই রাজনৈতিক অবস্থান দীর্ঘমেয়াদে গলাচিপা-দশমিনার রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও তারা মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, পদ নয় বরং আদর্শ, জনআস্থা ও মানুষের বিশ্বাসকে সামনে রেখে এগোনোর যে বার্তা হাসান মামুন দিয়েছেন, তা স্থানীয় রাজনীতিতে একটি ভিন্ন ধারা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।