ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দ গাড়িতে সর্বোচ্চ ২৫০ লিটার পেট্রল বা অকটেন অথবা ৩৫৮ ঘনমিটার সিএনজি ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএসসিসির মহাব্যবস্থাপক মো. মশিউর রহমান খানের সই করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এদিনই ডিএসসিসি কর্মকর্তাদের গাড়িতে ইচ্ছেমতো জ্বালানি বরাদ্দ ও ব্যবহারে অনিয়ম নিয়ে প্রথম আলোতে ‘গাড়িতে ইচ্ছেমতো জ্বালানি বরাদ্দ নেন কর্মকর্তারা, যাতায়াতে ব্যবহার করেন অ্যাম্বুলেন্সও’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দের ব্যবস্থা নিল ডিএসসিসি।

.

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশনে জ্বালানি ব্যবহারসংক্রান্ত নিজস্ব নীতিমালা না থাকায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জ্বালানি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে জারি করা আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রথম আলোর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ডিএসসিসির কর্মকর্তাদের গাড়িতে মাসে ৪০০ থেকে ৬০০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। অথচ সরকারি নির্দেশনায় সাধারণ প্রাধিকারপ্রাপ্ত গাড়ির জন্য মাসে ২০০ লিটার এবং সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ লিটার জ্বালানি ব্যবহারের সীমা রয়েছে।

.

অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, অতিরিক্ত বরাদ্দের জ্বালানি বিক্রি করে দেন চালকদের একাংশ। কোনো কোনো কর্মকর্তা দাপ্তরিক কাজের বাইরেও গাড়ি ব্যবহার করেন। এমনকি রোগী পরিবহনের অ্যাম্বুলেন্সে কর্মকর্তাদের বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের তথ্যও পাওয়া যায়। প্রথম আলোর হিসাবে, ডিএসসিসির অন্তত ৭৬ জন কর্মকর্তার গাড়িতে মাসিক জ্বালানি বরাদ্দ ২৫০ লিটারে সীমিত করা গেলে বছরে প্রায় ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা সাশ্রয় হতে পারে।

.গাড়িতে ইচ্ছেমতো জ্বালানি বরাদ্দ নেন কর্মকর্তারা, যাতায়াতে ব্যবহার করেন অ্যাম্বুলেন্সও.

প্রতিবেদন তৈরির সময় ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম প্রথম আলোকে বলেছিলেন, সংস্থার নিজস্ব নীতিমালা না থাকলেও সরকারের বিদ্যমান নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। অনিয়ম খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ কমাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি

আপডেট সময় : ০৪:০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দ গাড়িতে সর্বোচ্চ ২৫০ লিটার পেট্রল বা অকটেন অথবা ৩৫৮ ঘনমিটার সিএনজি ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএসসিসির মহাব্যবস্থাপক মো. মশিউর রহমান খানের সই করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এদিনই ডিএসসিসি কর্মকর্তাদের গাড়িতে ইচ্ছেমতো জ্বালানি বরাদ্দ ও ব্যবহারে অনিয়ম নিয়ে প্রথম আলোতে ‘গাড়িতে ইচ্ছেমতো জ্বালানি বরাদ্দ নেন কর্মকর্তারা, যাতায়াতে ব্যবহার করেন অ্যাম্বুলেন্সও’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর কর্মকর্তাদের গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দের ব্যবস্থা নিল ডিএসসিসি।

.

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশনে জ্বালানি ব্যবহারসংক্রান্ত নিজস্ব নীতিমালা না থাকায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জ্বালানি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে জারি করা আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রথম আলোর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ডিএসসিসির কর্মকর্তাদের গাড়িতে মাসে ৪০০ থেকে ৬০০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। অথচ সরকারি নির্দেশনায় সাধারণ প্রাধিকারপ্রাপ্ত গাড়ির জন্য মাসে ২০০ লিটার এবং সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ লিটার জ্বালানি ব্যবহারের সীমা রয়েছে।

.

অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, অতিরিক্ত বরাদ্দের জ্বালানি বিক্রি করে দেন চালকদের একাংশ। কোনো কোনো কর্মকর্তা দাপ্তরিক কাজের বাইরেও গাড়ি ব্যবহার করেন। এমনকি রোগী পরিবহনের অ্যাম্বুলেন্সে কর্মকর্তাদের বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের তথ্যও পাওয়া যায়। প্রথম আলোর হিসাবে, ডিএসসিসির অন্তত ৭৬ জন কর্মকর্তার গাড়িতে মাসিক জ্বালানি বরাদ্দ ২৫০ লিটারে সীমিত করা গেলে বছরে প্রায় ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা সাশ্রয় হতে পারে।

.গাড়িতে ইচ্ছেমতো জ্বালানি বরাদ্দ নেন কর্মকর্তারা, যাতায়াতে ব্যবহার করেন অ্যাম্বুলেন্সও.

প্রতিবেদন তৈরির সময় ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম প্রথম আলোকে বলেছিলেন, সংস্থার নিজস্ব নীতিমালা না থাকলেও সরকারের বিদ্যমান নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। অনিয়ম খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি।