ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজ–তুষির প্রথম সিনেমার স্মৃতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শরীফুল রাজ, নাজিফা তুষি ও কুমার উদয়ের চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল আইসক্রিম দিয়ে। রেদওয়ান রনি পরিচালিত সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ২০১৬ সালের ২৯ এপ্রিল। এক দশক পর তাঁদের শুরুর সেই সিনেমা মুক্তি পেয়েছে চরকিতে। গতকাল সোমবার রাত ১২টা থেকে প্ল্যাটফর্মটিতে দেখা যাচ্ছে আইসক্রিম।

১৬ অক্টোবর চরকির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সিনেমাটির থিমেটিক পোস্টার প্রকাশ করা হয়। ওই দিন রোববার মুক্তির তারিখ জানিয়ে লেখা হয়, ‘তাপমাত্রা বাড়ছে, আর অপেক্ষার বরফ গলছে! আর মাত্র দুদিন পর জানা যাবে, কে গলবে আর কে জমে যাবে! ২০ অক্টোবর আসছে রেদওয়ান রনি পরিচালিত চরকি এক্সক্লুসিভ ফিল্ম আইসক্রিম।’ ঘোষণার পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। রেদওয়ান রনি পোস্টারটি শেয়ার করলে মন্তব্যে উঠে আসে সিনেমাটি দেখার আগ্রহের পাশাপাশি পুরোনো স্মৃতিও। একজন লিখেছেন, ‘অপেক্ষায় আছি সিনেমাটি দেখার জন্য।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এটা ছিল আমার জন্য প্রথম বাংলা সিনেমা, যেটা আমি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখেছিলাম।’

দর্শকের স্মৃতির সঙ্গে মিলে গেছে সিনেমার পরিচালক ও তিন অভিনয়শিল্পীর অনুভূতিও। ওটিটিতে মুক্তি উপলক্ষে তাঁদের কথায় ফিরে এসেছে প্রথম সিনেমার রোমাঞ্চ, শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা, নিজেদের বন্ধুত্ব আর একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে সিনেমা তৈরির স্বপ্ন। যেমন শরীফুল রাজের কাছে আইসক্রিম তাঁর অভিনয়জীবনের ভিত। এই অভিনেতার ভাষ্যে, ‘১০ বছর আগের রাজ আর আজকের রাজের মধ্যে নিশ্চয়ই কিছু পরিবর্তন আছে। কিন্তু আইসক্রিম আমার জীবনের সেই ভিত্তি, যা আমাকে আজকের এই জায়গায় আসতে সাহায্য করেছে। রিহার্সাল, ক্যামেরার পেছনের সেই নার্ভাসনেস, রেদওয়ান রনি ভাইয়ের গাইডেন্স আর শুটিং সেটের মুহূর্ত এখনো জীবন্ত। ক্যারিয়ারের শুরুতে যেই প্যাশন নিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম, দর্শকেরা চরকিতে আইসক্রিম সিনেমার মাধ্যমে আমার শুরুর দিনগুলোকে দেখতে পাবেন।’

নাজিফা তুষির জন্য আইসক্রিম কেবল প্রথম চলচ্চিত্রই ছিল না, বিনোদন অঙ্গনে তাঁর প্রথম কাজও ছিল এটি। নাটক বা বিজ্ঞাপনে অভিনয় না করেই সরাসরি সিনেমায় নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। এখন সেই অভিজ্ঞতার কথা ভাবলে নিজেই অবাক হন।

তুষির ভাষ্যে, ‘সিনেমা যে একটা বড় ক্যানভাস, এসব কিছু না বুঝেই, না জেনেই সিনেমার ক্যানভাসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলাম। তখন আমি ইন্ডাস্ট্রির কিছুই জানি না, বুঝি না। আমার জাস্ট একটা ইচ্ছা ছিল যে আমি অভিনয় করতে চাই। আর তখন এফডিসির বাইরে বিকল্প সিনেমা হচ্ছিল অনেক কম। আমার কাছে মনে হয়েছিল যে আইসক্রিম ভালো সিনেমা এবং রেদওয়ান রনি ভালো নির্মাতা। ওই জায়গা থেকে আমি ছোট মানুষ, আমি ভেবেছি যে সিনেমাটা করা যায়।’ প্রথম সিনেমায় কাজ করতে গিয়েই অনেক কিছু শিখেছেন তুষি।

সে কথাই জানালেন হাওয়া অভিনেত্রী, ‘আইসক্রিম করার পর আমি অনেক কিছুই বুঝেছি। আইসক্রিম সিনেমাটা দর্শকেরা আবার দেখতে পারবেন, সেটা বেশ ভালো লাগার। তখনো বলেছি, সিনেমাটা সবাই দেখুন, একবার হলেও দেখুন, এখনো তা–ই বলছি। কিন্তু সত্যি খুব অবাক লাগে যে কীভাবে কীভাবে সিনেমাটা করেছিলাম এবং তারও ১০ বছর পার হয়ে গেল।’

কুমার উদয় এখন ব্যস্ত মঞ্চনাটক নিয়ে। এত দিন অনেকেই তাঁর প্রথম সিনেমাটি দেখতে চেয়েছেন। চরকিতে মুক্তি পাওয়ায় তাঁদের সেই আবদার পূরণের সুযোগ হলো। তবে উদয়ের কাছে সিনেমাটির স্মৃতি এখনো পুরোনো হয়নি। তিনি বলেন, ‘সিনেমার তো অনেক স্মৃতি ও সেগুলো সবই রঙিন। এমন না যে সেগুলো পাস্ট মেমরি, সেগুলো সব কালারফুল মেমরি হয়ে আছে আমার কাছে। সিনেমা শুরু হওয়ার আগে আমাদের তিনজনের যে বন্ডিংটা হচ্ছিল, সেই সময়টা আমার কাছে অসাধারণ। আমার আরেকটা জায়গায় খুব অবাক লাগছে, আইসক্রিম সিনেমাটা ১০ বছর পরও কীভাবে এত প্রাসঙ্গিক! আমার তো মনে হচ্ছে, এ সময় বা এ প্রজন্মের কাছে সিনেমাটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’

আইসক্রিম রেদওয়ান রনির পরিচালিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। পরিচালনার পাশাপাশি এর গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপও লিখেছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন সিনেমাটিতে নতুন মুখ বেছে নেওয়ার পেছনে ছিল গল্পের চাহিদা। এক দশক পর সিনেমাটি নতুন করে দর্শকের কাছে পৌঁছানোর উপলক্ষে নির্মাতার মনেও ফিরে এসেছে শুরুর স্বপ্ন আর পরিশ্রমের কথা।

রনির ভাষ্যে, ‘১০ বছর আগের কথা, যখন আইসক্রিম বানিয়েছিলাম, তখন এর পেছনে ছিল কিছু তরুণের অক্লান্ত পরিশ্রম আর তরতাজা স্বপ্ন, একঝাঁক নতুন মুখ আর সীমাহীন আবেগ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবনের সমীকরণ বদলালেও কিছু অনুভূতি ও বাস্তবতা কখনো ফিকে হয় না। সিনেমাটি চরকির পর্দায় নতুন করে আসতে যাচ্ছে, তখনো মনে হচ্ছে সিনেমার বিষয়বস্তু খুবই প্রাসঙ্গিক, মনে হচ্ছে যেন পুরোনো সেই স্বপ্ন নতুন সাজে ফিরছে আবার।’

দেশ ও দেশের বাইরের দর্শকের কাছে সিনেমাটি পৌঁছানোর সুযোগ নিয়েও আনন্দিত পরিচালক। তিনি বলেন, ‘প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি যাঁরা মিস করেছিলেন বা দেশের বাইরে ছিলেন, তাঁরা এখন যেকোনো দেশ থেকে বা দেশের যেকোনো জায়গা থেকে চরকিতে আইসক্রিম সিনেমাটি দেখতে পারবেন, এটাও অনেক আনন্দের।’

সিনেমার পাশাপাশি এর গানগুলোও পুরোনো দর্শক-শ্রোতাদের স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে পারে। ‘বোকা চাঁদ’, ‘পথ’সহ সিনেমার গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন অর্ণব, আরমিন মুসা, শারমিন সুলতানা সুমি ও মিনার রহমান। রাজ, তুষি ও উদয়ের পাশাপাশি এতে অভিনয় করেছেন এ টি এম শামসুজ্জামান, দিতি, ওমর সানী, সায়েম সাদাত ও নাদিয়া খানম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

রাজ–তুষির প্রথম সিনেমার স্মৃতি

আপডেট সময় : ০৭:২২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

শরীফুল রাজ, নাজিফা তুষি ও কুমার উদয়ের চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল আইসক্রিম দিয়ে। রেদওয়ান রনি পরিচালিত সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ২০১৬ সালের ২৯ এপ্রিল। এক দশক পর তাঁদের শুরুর সেই সিনেমা মুক্তি পেয়েছে চরকিতে। গতকাল সোমবার রাত ১২টা থেকে প্ল্যাটফর্মটিতে দেখা যাচ্ছে আইসক্রিম।

১৬ অক্টোবর চরকির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সিনেমাটির থিমেটিক পোস্টার প্রকাশ করা হয়। ওই দিন রোববার মুক্তির তারিখ জানিয়ে লেখা হয়, ‘তাপমাত্রা বাড়ছে, আর অপেক্ষার বরফ গলছে! আর মাত্র দুদিন পর জানা যাবে, কে গলবে আর কে জমে যাবে! ২০ অক্টোবর আসছে রেদওয়ান রনি পরিচালিত চরকি এক্সক্লুসিভ ফিল্ম আইসক্রিম।’ ঘোষণার পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। রেদওয়ান রনি পোস্টারটি শেয়ার করলে মন্তব্যে উঠে আসে সিনেমাটি দেখার আগ্রহের পাশাপাশি পুরোনো স্মৃতিও। একজন লিখেছেন, ‘অপেক্ষায় আছি সিনেমাটি দেখার জন্য।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এটা ছিল আমার জন্য প্রথম বাংলা সিনেমা, যেটা আমি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখেছিলাম।’

দর্শকের স্মৃতির সঙ্গে মিলে গেছে সিনেমার পরিচালক ও তিন অভিনয়শিল্পীর অনুভূতিও। ওটিটিতে মুক্তি উপলক্ষে তাঁদের কথায় ফিরে এসেছে প্রথম সিনেমার রোমাঞ্চ, শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা, নিজেদের বন্ধুত্ব আর একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে সিনেমা তৈরির স্বপ্ন। যেমন শরীফুল রাজের কাছে আইসক্রিম তাঁর অভিনয়জীবনের ভিত। এই অভিনেতার ভাষ্যে, ‘১০ বছর আগের রাজ আর আজকের রাজের মধ্যে নিশ্চয়ই কিছু পরিবর্তন আছে। কিন্তু আইসক্রিম আমার জীবনের সেই ভিত্তি, যা আমাকে আজকের এই জায়গায় আসতে সাহায্য করেছে। রিহার্সাল, ক্যামেরার পেছনের সেই নার্ভাসনেস, রেদওয়ান রনি ভাইয়ের গাইডেন্স আর শুটিং সেটের মুহূর্ত এখনো জীবন্ত। ক্যারিয়ারের শুরুতে যেই প্যাশন নিয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম, দর্শকেরা চরকিতে আইসক্রিম সিনেমার মাধ্যমে আমার শুরুর দিনগুলোকে দেখতে পাবেন।’

নাজিফা তুষির জন্য আইসক্রিম কেবল প্রথম চলচ্চিত্রই ছিল না, বিনোদন অঙ্গনে তাঁর প্রথম কাজও ছিল এটি। নাটক বা বিজ্ঞাপনে অভিনয় না করেই সরাসরি সিনেমায় নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। এখন সেই অভিজ্ঞতার কথা ভাবলে নিজেই অবাক হন।

তুষির ভাষ্যে, ‘সিনেমা যে একটা বড় ক্যানভাস, এসব কিছু না বুঝেই, না জেনেই সিনেমার ক্যানভাসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলাম। তখন আমি ইন্ডাস্ট্রির কিছুই জানি না, বুঝি না। আমার জাস্ট একটা ইচ্ছা ছিল যে আমি অভিনয় করতে চাই। আর তখন এফডিসির বাইরে বিকল্প সিনেমা হচ্ছিল অনেক কম। আমার কাছে মনে হয়েছিল যে আইসক্রিম ভালো সিনেমা এবং রেদওয়ান রনি ভালো নির্মাতা। ওই জায়গা থেকে আমি ছোট মানুষ, আমি ভেবেছি যে সিনেমাটা করা যায়।’ প্রথম সিনেমায় কাজ করতে গিয়েই অনেক কিছু শিখেছেন তুষি।

সে কথাই জানালেন হাওয়া অভিনেত্রী, ‘আইসক্রিম করার পর আমি অনেক কিছুই বুঝেছি। আইসক্রিম সিনেমাটা দর্শকেরা আবার দেখতে পারবেন, সেটা বেশ ভালো লাগার। তখনো বলেছি, সিনেমাটা সবাই দেখুন, একবার হলেও দেখুন, এখনো তা–ই বলছি। কিন্তু সত্যি খুব অবাক লাগে যে কীভাবে কীভাবে সিনেমাটা করেছিলাম এবং তারও ১০ বছর পার হয়ে গেল।’

কুমার উদয় এখন ব্যস্ত মঞ্চনাটক নিয়ে। এত দিন অনেকেই তাঁর প্রথম সিনেমাটি দেখতে চেয়েছেন। চরকিতে মুক্তি পাওয়ায় তাঁদের সেই আবদার পূরণের সুযোগ হলো। তবে উদয়ের কাছে সিনেমাটির স্মৃতি এখনো পুরোনো হয়নি। তিনি বলেন, ‘সিনেমার তো অনেক স্মৃতি ও সেগুলো সবই রঙিন। এমন না যে সেগুলো পাস্ট মেমরি, সেগুলো সব কালারফুল মেমরি হয়ে আছে আমার কাছে। সিনেমা শুরু হওয়ার আগে আমাদের তিনজনের যে বন্ডিংটা হচ্ছিল, সেই সময়টা আমার কাছে অসাধারণ। আমার আরেকটা জায়গায় খুব অবাক লাগছে, আইসক্রিম সিনেমাটা ১০ বছর পরও কীভাবে এত প্রাসঙ্গিক! আমার তো মনে হচ্ছে, এ সময় বা এ প্রজন্মের কাছে সিনেমাটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’

আইসক্রিম রেদওয়ান রনির পরিচালিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। পরিচালনার পাশাপাশি এর গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপও লিখেছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন সিনেমাটিতে নতুন মুখ বেছে নেওয়ার পেছনে ছিল গল্পের চাহিদা। এক দশক পর সিনেমাটি নতুন করে দর্শকের কাছে পৌঁছানোর উপলক্ষে নির্মাতার মনেও ফিরে এসেছে শুরুর স্বপ্ন আর পরিশ্রমের কথা।

রনির ভাষ্যে, ‘১০ বছর আগের কথা, যখন আইসক্রিম বানিয়েছিলাম, তখন এর পেছনে ছিল কিছু তরুণের অক্লান্ত পরিশ্রম আর তরতাজা স্বপ্ন, একঝাঁক নতুন মুখ আর সীমাহীন আবেগ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবনের সমীকরণ বদলালেও কিছু অনুভূতি ও বাস্তবতা কখনো ফিকে হয় না। সিনেমাটি চরকির পর্দায় নতুন করে আসতে যাচ্ছে, তখনো মনে হচ্ছে সিনেমার বিষয়বস্তু খুবই প্রাসঙ্গিক, মনে হচ্ছে যেন পুরোনো সেই স্বপ্ন নতুন সাজে ফিরছে আবার।’

দেশ ও দেশের বাইরের দর্শকের কাছে সিনেমাটি পৌঁছানোর সুযোগ নিয়েও আনন্দিত পরিচালক। তিনি বলেন, ‘প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি যাঁরা মিস করেছিলেন বা দেশের বাইরে ছিলেন, তাঁরা এখন যেকোনো দেশ থেকে বা দেশের যেকোনো জায়গা থেকে চরকিতে আইসক্রিম সিনেমাটি দেখতে পারবেন, এটাও অনেক আনন্দের।’

সিনেমার পাশাপাশি এর গানগুলোও পুরোনো দর্শক-শ্রোতাদের স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে পারে। ‘বোকা চাঁদ’, ‘পথ’সহ সিনেমার গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন অর্ণব, আরমিন মুসা, শারমিন সুলতানা সুমি ও মিনার রহমান। রাজ, তুষি ও উদয়ের পাশাপাশি এতে অভিনয় করেছেন এ টি এম শামসুজ্জামান, দিতি, ওমর সানী, সায়েম সাদাত ও নাদিয়া খানম।