ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ডেমরায় ছেলের ছুরিকাঘাতে আহত বাবার মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর ডেমরায় ছেলের ছুরিকাঘাতে আহত বাবা লিটন মিয়া (৪৫) মারা গেছেন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ছেলে সোহেল (২৪) মানসিকভাবে অসুস্থ। ঘটনার পর তাঁকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত লিটনের বড় ছেলে রাসেল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ছোট ভাই সোহেল মানসিকভাবে অসুস্থ। কিছুদিন ভালো থাকে, আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ কারণে তাঁকে মাঝেমধ্যে মানসিক হাসপাতালে রাখতে হয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাসেল আমিন বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে সোহেল মুঠোফোন দেখছিল। এ সময় তাঁর বাবা সোহেলকে মুঠোফোন বন্ধ করতে বলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা রাতের খাবার খেয়ে নিজ নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। মা সানু বেগম সবার খোঁজখবর নিয়ে নিজের কক্ষে ঘুমাতে গেলে সোহেল হঠাৎ তাঁদের কক্ষে ঢুকে বাবা-মাকে ছুরিকাঘাত করে।

পরে আহত লিটন ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর সোহেলকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রাসেল আমিন আরও বলেন, চিকিৎসার পর তাঁর মা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তবে গত রাতে তাঁর বাবা মারা গেছেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বলেন, লিটন মিয়ার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

লিটন মিয়ার তিন ছেলে। পরিবার নিয়ে তিনি ডেমরার কোনাপাড়া আদর্শবাগ এলাকায় থাকতেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

ডেমরায় ছেলের ছুরিকাঘাতে আহত বাবার মৃত্যু

আপডেট সময় : ১২:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর ডেমরায় ছেলের ছুরিকাঘাতে আহত বাবা লিটন মিয়া (৪৫) মারা গেছেন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত একটার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ছেলে সোহেল (২৪) মানসিকভাবে অসুস্থ। ঘটনার পর তাঁকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত লিটনের বড় ছেলে রাসেল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ছোট ভাই সোহেল মানসিকভাবে অসুস্থ। কিছুদিন ভালো থাকে, আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ কারণে তাঁকে মাঝেমধ্যে মানসিক হাসপাতালে রাখতে হয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাসেল আমিন বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে সোহেল মুঠোফোন দেখছিল। এ সময় তাঁর বাবা সোহেলকে মুঠোফোন বন্ধ করতে বলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা রাতের খাবার খেয়ে নিজ নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। মা সানু বেগম সবার খোঁজখবর নিয়ে নিজের কক্ষে ঘুমাতে গেলে সোহেল হঠাৎ তাঁদের কক্ষে ঢুকে বাবা-মাকে ছুরিকাঘাত করে।

পরে আহত লিটন ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর সোহেলকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রাসেল আমিন আরও বলেন, চিকিৎসার পর তাঁর মা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তবে গত রাতে তাঁর বাবা মারা গেছেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান বলেন, লিটন মিয়ার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

লিটন মিয়ার তিন ছেলে। পরিবার নিয়ে তিনি ডেমরার কোনাপাড়া আদর্শবাগ এলাকায় থাকতেন।