ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত–ওয়েস্ট ইন্ডিজ: বোলারদের বেধড়ক পিটুনি খাওয়ার ম্যাচে যত রেকর্ড, যত কীর্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টি-টুয়েন্টিতে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া। শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৫৯ রান তাড়া করে জিতেছিল তারা।

টি-টুয়েন্টিতে ২৫০ বা তার বেশি রান তোলার হিসাবে যৌথভাবে দ্বিতীয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড। দুই দলই ২৫০ বা এর চেয়ে বেশি করেছে চারবার। ভারত করেছে সাতবার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের সর্বোচ্চ টি-টুয়েন্টি সংগ্রহ এখন ২৪৯/৫। এর আগে ২০১৬ সালে ফ্লোরিডার লডারহিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৪৪ রান ছিল সর্বোচ্চ, সেই ম্যাচে ১ রানে হেরেছিল ভারত।

রাঁচিতে ৩৮.৩ ওভারে দুই দল মিলে কাল তুলেছে ৫০১ রান, যা টি-টুয়েন্টিতে এক ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। শীর্ষে ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের ৫১৭ রান।

মাত্র ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেছেন শাই হোপ। ছেলেদের টি-টুয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৯ বলে সেঞ্চুরি করেন জনসন চার্লস।

দুই দল বাউন্ডারি থেকে করেছে ৩৮২ রান, যা টি-টুয়েন্টিতে তৃতীয় সর্বোচ্চ। বাউন্ডারি থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করেছে ২০৪, এক ইনিংসে যা তাদের সর্বোচ্চ এবং রান তাড়া করতে নেমে কোনো দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। শীর্ষে ২০২৫ সালে জিব্রাল্টারের বিপক্ষে বুলগেরিয়ার ২১৪ রান।

টি-টুয়েন্টিতে উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসেবে সেঞ্চুরি আছে দুটি, দুটিই শাই হোপের। গত বছর বাসেটরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করেছিলেন অপরাজিত ১০২ রান। মাত্র ৬ দিন আগে নিউ চণ্ডীগড়ে ওয়ানডেতে অপরাজিত ১৬২ রান করেছিলেন হোপ, যা উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ। ওয়ানডেতে ১৫০ রানের পর টি-টুয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করতে তাঁর লেগেছে মাত্র ছয় দিন—যেকোনো ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম।

ভারতের বিপক্ষে ২০টি ছক্কা মেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, যা টি-টুয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০১৬ সালে লডারহিলে মেরেছিল ২১টি। এক ম্যাচে অন্তত ২০ ছক্কা মারার ঘটনা ক্যারিবীয়দের জন্য এটি চতুর্থবার।

হোপ ও শেরফান রাদারফোর্ডের ১২০ রানের জুটি ছেলেদের টি-টুয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে চতুর্থ উইকেটে সর্বোচ্চ। চতুর্থ বা তার পরের উইকেটে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আন্দ্রে রাসেলের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে ১৩৯ রান করেছিলেন রাদারফোর্ড।

কাল বাঁহাতি স্পিনাররা প্রতি ওভারে গড়ে ১৪.৬৪ রান দিয়েছেন, যা ছেলেদের টি-টুয়েন্টিতে বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে সবচেয়ে খরুচে বোলিং (অন্তত ১০ ওভার)। ভারতের বাঁহাতি স্পিনাররা ৭.৩ ওভারে দিয়েছেন ১১৬ রান, ওভারপ্রতি ১৫.৪৬ করে। অন্তত পাঁচ ওভার বল করা কোনো দলের মধ্যে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইকোনমি রেট।

সঞ্জু স্যামসনের ৮২ ও হোপের অপরাজিত ১০২—দুই উইকেটকিপার মিলে করেছেন ১৮৪ রান। টি-টুয়েন্টিতে এক ম্যাচে উইকেটকিপারদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মিলিত সংগ্রহ এটি। ২০২২ সালে বুলগেরিয়া-সার্বিয়া ম্যাচে হয়েছিল ১৮৮ রান। তবে একই টি-টুয়েন্টিতে দুই উইকেটকিপারের ৮০ বা তার বেশি রান করার ঘটনাও এই প্রথম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

ভারত–ওয়েস্ট ইন্ডিজ: বোলারদের বেধড়ক পিটুনি খাওয়ার ম্যাচে যত রেকর্ড, যত কীর্তি

আপডেট সময় : ১১:০১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

টি-টুয়েন্টিতে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া। শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৫৯ রান তাড়া করে জিতেছিল তারা।

টি-টুয়েন্টিতে ২৫০ বা তার বেশি রান তোলার হিসাবে যৌথভাবে দ্বিতীয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড। দুই দলই ২৫০ বা এর চেয়ে বেশি করেছে চারবার। ভারত করেছে সাতবার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের সর্বোচ্চ টি-টুয়েন্টি সংগ্রহ এখন ২৪৯/৫। এর আগে ২০১৬ সালে ফ্লোরিডার লডারহিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৪৪ রান ছিল সর্বোচ্চ, সেই ম্যাচে ১ রানে হেরেছিল ভারত।

রাঁচিতে ৩৮.৩ ওভারে দুই দল মিলে কাল তুলেছে ৫০১ রান, যা টি-টুয়েন্টিতে এক ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। শীর্ষে ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের ৫১৭ রান।

মাত্র ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেছেন শাই হোপ। ছেলেদের টি-টুয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৯ বলে সেঞ্চুরি করেন জনসন চার্লস।

দুই দল বাউন্ডারি থেকে করেছে ৩৮২ রান, যা টি-টুয়েন্টিতে তৃতীয় সর্বোচ্চ। বাউন্ডারি থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ করেছে ২০৪, এক ইনিংসে যা তাদের সর্বোচ্চ এবং রান তাড়া করতে নেমে কোনো দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। শীর্ষে ২০২৫ সালে জিব্রাল্টারের বিপক্ষে বুলগেরিয়ার ২১৪ রান।

টি-টুয়েন্টিতে উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসেবে সেঞ্চুরি আছে দুটি, দুটিই শাই হোপের। গত বছর বাসেটরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করেছিলেন অপরাজিত ১০২ রান। মাত্র ৬ দিন আগে নিউ চণ্ডীগড়ে ওয়ানডেতে অপরাজিত ১৬২ রান করেছিলেন হোপ, যা উইকেটকিপার-অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ। ওয়ানডেতে ১৫০ রানের পর টি-টুয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করতে তাঁর লেগেছে মাত্র ছয় দিন—যেকোনো ব্যাটসম্যানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম।

ভারতের বিপক্ষে ২০টি ছক্কা মেরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, যা টি-টুয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০১৬ সালে লডারহিলে মেরেছিল ২১টি। এক ম্যাচে অন্তত ২০ ছক্কা মারার ঘটনা ক্যারিবীয়দের জন্য এটি চতুর্থবার।

হোপ ও শেরফান রাদারফোর্ডের ১২০ রানের জুটি ছেলেদের টি-টুয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে চতুর্থ উইকেটে সর্বোচ্চ। চতুর্থ বা তার পরের উইকেটে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আন্দ্রে রাসেলের সঙ্গে ষষ্ঠ উইকেটে ১৩৯ রান করেছিলেন রাদারফোর্ড।

কাল বাঁহাতি স্পিনাররা প্রতি ওভারে গড়ে ১৪.৬৪ রান দিয়েছেন, যা ছেলেদের টি-টুয়েন্টিতে বাঁহাতি স্পিনারদের মধ্যে সবচেয়ে খরুচে বোলিং (অন্তত ১০ ওভার)। ভারতের বাঁহাতি স্পিনাররা ৭.৩ ওভারে দিয়েছেন ১১৬ রান, ওভারপ্রতি ১৫.৪৬ করে। অন্তত পাঁচ ওভার বল করা কোনো দলের মধ্যে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইকোনমি রেট।

সঞ্জু স্যামসনের ৮২ ও হোপের অপরাজিত ১০২—দুই উইকেটকিপার মিলে করেছেন ১৮৪ রান। টি-টুয়েন্টিতে এক ম্যাচে উইকেটকিপারদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মিলিত সংগ্রহ এটি। ২০২২ সালে বুলগেরিয়া-সার্বিয়া ম্যাচে হয়েছিল ১৮৮ রান। তবে একই টি-টুয়েন্টিতে দুই উইকেটকিপারের ৮০ বা তার বেশি রান করার ঘটনাও এই প্রথম।