রাজশাহী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার, কাজে যোগ দেবেন শুক্রবার
- আপডেট সময় : ০৬:৪০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছেন। হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা শেষে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তাঁরা কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। আগামীকাল শুক্রবার তাঁরা কাজে যোগ দেবেন।
পাঁচ দফা দাবিতে গতকাল বুধবার সকাল আটটা থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। দাবির মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসার সরঞ্জামের সরবরাহ নিশ্চিত করা, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা জোরদার, রোগীর স্বজনদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অবজারভেশন রুম ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু করা।
.
হাসপাতালের পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দাবি পূরণের আশ্বাসে কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।
.
হাসপাতালের পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দাবি পূরণের আশ্বাসে কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। রাজশাহী মেডিকেলের ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির সভাপতি শাহাদাত মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, কর্তৃপক্ষের প্রতি আস্থা রেখে তাঁরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আশ্বাস অনুযায়ী দ্রুত দাবিগুলোর দৃশ্যমান ও কার্যকর বাস্তবায়ন চান তাঁরা।
.রাজশাহী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, চিকিৎসাসেবা ব্যাহত.
হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামীম আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলামের কক্ষে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর বেলা সাড়ে তিনটার দিকে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে।
কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। প্রায় ২৫২ ইন্টার্ন চিকিৎসক কাজে না থাকায় রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
.রাজশাহী মেডিকেলে দ্বিতীয় দিনের মতো ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, রোগীদের ভোগান্তি.
আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দেখা যায়নি। নার্স ও মেডিক্যাল কর্মকর্তারা রোগীদের সেবা দিচ্ছিলেন। তবে রোগীর চাপের কারণে তাঁদের হিমশিম খেতে হয়। চিকিৎসক না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা। এ সময় চিকিৎসা না পেয়ে অনেককে হাসপাতাল ত্যাগ করতেও দেখা গেছে।
কর্মবিরতির মধ্যে রোগীদের সেবা চালু রাখতে মেডিক্যাল কর্মকর্তা, সহকারী রেজিস্ট্রার ও সহকারী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পর্যায়ের চিকিৎসকদের ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন ও রোগীদের নিয়মিত ফলোআপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।






















