ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতি সারল রিয়াল মাদ্রিদ সাইবার হামলার শঙ্কায় বিশ্বজুড়ে বহু ওয়েবসাইট বন্ধ এপস্টিনের সঙ্গে ভারতের মন্ত্রী পুরির বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে, সরব বিরোধীরা কন্ট্রোল রুমে মেরামতকাজের তথ্য দেওয়া হয়নি, প্রকৌশলী সাময়িক বরখাস্ত রাজপরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে চান হ্যারি ভারত সফরে রুবিও, কেন জামনগরে নজর যুক্তরাষ্ট্রের দেশে প্রথমবারের মতো হচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জরিপ, তাদের আত্মসামাজিক অবস্থা জানতে চায় বিবিএস মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে ১০ বছর আগে বের হওয়া যাবে না এমন ব্যাটিং করে কী আর ফাইনালে যাওয়া যায় চট্টগ্রামের ‘রিপু রজনী’ মণ্ডপ ঘুরে যা বললেন অভিনেত্রী পূজা চেরী

রাজপরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে চান হ্যারি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পুরোনো টানাপোড়েন কাটিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের সঙ্গে আবার সুসম্পর্ক গড়তে চান প্রিন্স হ্যারি। ব্রিটিশ সাময়িকী জিকিউ–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি। হ্যারির আশা, ছয় বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর কারণে বাবা রাজা চার্লস ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তাঁর যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা শিগগিরই কেটে যাবে।

রাজা চার্লসের ছোট ছেলে হ্যারি। তাঁর স্ত্রীর নাম মেগান। এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। ২০২০ সালে রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান হ্যারি–মেগান। সেখান থেকে রাজপরিবার নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনা করেন তাঁরা। এতে পরিবারে সঙ্গে তাঁদের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। ফলে কয়েক বছর বাবা চার্লস ও বড় ভাই উইলিয়ামের সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়নি।

.

তবে রাজা চার্লস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি পরিবারের সঙ্গে আবার দেখা–সাক্ষাৎ শুরু হয় হ্যারির। জিকিউ সাময়িকীকে তিনি বলেছেন, তিনি পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ গলাতে চান। বিশ্বে যা কিছু ঘটছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন। হ্যারি বলেন, ‘কেউ কেউ চান না সম্পর্ক ঠিক হোক। কিন্তু আমি চাই, সবকিছু ঠিক হয়ে যাক।’

.

হ্যারির বয়স যখন ১২ বছর, তখন তাঁর মা প্রিন্সেস ডায়ানা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনে মায়ের মৃত্যুর প্রভাব নিয়ে কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে আবার ফিরে আসার কারণও ব্যাখ্যা করেন। হ্যারি বলেন, সন্তানদের ব্রিটিশ স্কুলে পড়ানোর সুযোগ তাঁর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানেরা দুই সপ্তাহ হলো ব্রিটিশ স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে। তারা বিষয়টি খুবই উপভোগ করছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের তিক্ত সম্পর্কের উন্নতি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন হ্যারি। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এই বিরোধই তাঁর যুক্তরাজ্য ত্যাগের একটি কারণ ছিল বলে জানান তিনি। বিভিন্ন সংবাদপত্রের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও করেছেন হ্যারি। তিনি বলেন, আশা করছেন পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

রাজপরিবারের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরতে চান হ্যারি

আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

পুরোনো টানাপোড়েন কাটিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের সঙ্গে আবার সুসম্পর্ক গড়তে চান প্রিন্স হ্যারি। ব্রিটিশ সাময়িকী জিকিউ–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি। হ্যারির আশা, ছয় বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর কারণে বাবা রাজা চার্লস ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তাঁর যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা শিগগিরই কেটে যাবে।

রাজা চার্লসের ছোট ছেলে হ্যারি। তাঁর স্ত্রীর নাম মেগান। এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। ২০২০ সালে রাজপরিবারের দায়িত্ব ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান হ্যারি–মেগান। সেখান থেকে রাজপরিবার নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনা করেন তাঁরা। এতে পরিবারে সঙ্গে তাঁদের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। ফলে কয়েক বছর বাবা চার্লস ও বড় ভাই উইলিয়ামের সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়নি।

.

তবে রাজা চার্লস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি পরিবারের সঙ্গে আবার দেখা–সাক্ষাৎ শুরু হয় হ্যারির। জিকিউ সাময়িকীকে তিনি বলেছেন, তিনি পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ গলাতে চান। বিশ্বে যা কিছু ঘটছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন। হ্যারি বলেন, ‘কেউ কেউ চান না সম্পর্ক ঠিক হোক। কিন্তু আমি চাই, সবকিছু ঠিক হয়ে যাক।’

.

হ্যারির বয়স যখন ১২ বছর, তখন তাঁর মা প্রিন্সেস ডায়ানা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনে মায়ের মৃত্যুর প্রভাব নিয়ে কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে আবার ফিরে আসার কারণও ব্যাখ্যা করেন। হ্যারি বলেন, সন্তানদের ব্রিটিশ স্কুলে পড়ানোর সুযোগ তাঁর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানেরা দুই সপ্তাহ হলো ব্রিটিশ স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে। তারা বিষয়টি খুবই উপভোগ করছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের তিক্ত সম্পর্কের উন্নতি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন হ্যারি। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এই বিরোধই তাঁর যুক্তরাজ্য ত্যাগের একটি কারণ ছিল বলে জানান তিনি। বিভিন্ন সংবাদপত্রের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও করেছেন হ্যারি। তিনি বলেন, আশা করছেন পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে।