ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্পেনের টেক্সটাইল মেলায় বাংলাদেশের ১৮ প্রতিষ্ঠান,কাল শেষ হবে বন্ধু জামিউল হাসানের আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লক্ষ্য ছিল সালমান খান! অস্ত্র নিয়ে মুম্বাইয়ে রাধা ও ববিতা টার্মিনাল সরানোর পরিকল্পনা: একযাত্রায় দুই লং জার্নির অভিজ্ঞতা দেওয়া কেন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে শিশু চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা কালো শাড়িতে পার্টি লুক, রুপালি ব্রালেটে নজর কাড়লেন দেবচন্দ্রিমা সড়ক নিরাপদ রাখতে মুমিনের ৬ করণীয় আর্জেন্টিনার সঙ্গে নতুন চুক্তি করছেন স্কালোনি, থাকবেন কত দিন ‘মাদকের টাকার জন্য’ হামলা থামাতে গিয়ে প্রতিবেশীর ছুরিকাঘাতে যুবকের কবজি বিচ্ছিন্ন স্কুল-কলেজে এগিয়ে মেয়েরা, বিশ্ববিদ্যালয়-চাকরিতে পিছিয়ে কেন

তোমাকে ভাবতে গেলে কিছু নেই, ফাঁকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলায় বিজ্ঞান নেই, বিজ্ঞানে কলাবলা আছে মূর্খের অভিধানে ভেতো বিদ্যার ব্যকরণসবই জানে সে তো এলিয়েন প্যান্ডোরার বাক্সে থাকা অমৃতভাণ্ড তাহার ভান্ডারবিহীন ভাদ্রপ্রবণ স্নায়ুবিকারিআর্দ্র লবণের খাঁজে জোঁকেরা যেমন,লোকেরা এমন হলে ছেড়ে দাও সালতামামির সুতাআলতা মামির পায়ে মামার উদাসীন চোখে চলন্ত পায়েদের প্রজাপতি ছাপবলেন তো, নায়ে ঘের বিঁধে গেলে বণিকেরা বোকাসোকা থাকে?খোকারা ধোকায় পড়ে, বুড়োদের কি খবর, বাছা?নাচার জন্যে চাই মুদ্রা ও মন্ত্রমুকুল, তোমাদেরও বশ করে আবোল আর তাবোলের ছলা?

‘আত্মনং বিদ্ধি’ বলে লোকেভাত তো সমৃদ্ধি বলে শোকেতোকে বলেছি, টাকাপয়সা নয়, কাকা যা কয়, তা নয়, মানুষের রূপটা আলাদাযা গাধারাও বোঝে, তাতে চৌকস চিলেদের পোষে নাবউ রস দিলে ঢের বসে না মন বিষয়ে বিতৃষ্ণা বিশদ বিলোপন হয়ছিল পণ জয় করবার লোভ–হিংসার ভরা থলিবলি, এবেলা অধ্যয়নে আসোবদচয়নে কাশো কেন অহেতুক, ভাসমান চেচুয়ার বিল?যে ঠুয়ার কিল খেয়ে হয়ে গেছ বাঁকা,চাকা লাগিয়ে তারে চালাতে লাগে রাজপথ, তোর পায়ে লেগে আছে আন্ধার গলি।

খাতায় খতনা হলে অক্ষরে অধিবাস শক্তমাথায় সৎ না হলে লক্ষ্যরে যদি চাস পোক্ত প্রকারবেকারএ কার মাথা? কোন দিকে ফিরে দেয় বজ্রনিনাদের বিতণ্ডা বাতাবর্ত?পতন যা ছাতা ধরত, তারও শেষ পাটাতন পিচ্ছিলকাটা মন বিষ দিল ধামাধরা খয়রাতে খণ্ডকপালজামা পড়া কয় রাতে স্বপ্নরা ল্যাংটা হয়ে দৌড়ের দুয়ারে খায় ধাক্কা ও ধর্মাবতার?কুয়ারে হায় পাক্কা সমুদ্র ভেবে মুদ্রণমাধুরীর গুণে গুদারা দেখাওউদারা–মুদারা শেখাও তবে সহস্রারের দিকে ডিগবাজি শিখেছে সব সাত্ত্বিক গাতা-গর্ত।

তোমাকে ভাবতে গেলে কিছু নেই, ফাঁকাঝাঁকা ভরে ছেঁকে তোলার কথা মনে হলে খুন হয়ে যাইনুন বয়ে বেড়ানো স্বভাবে আর পারি নানাড়ি না পাগলের মতো সাঁকো, তবু আউলা জীবনবাউলা বাতুলে দেয় ক্ষণিকের ভুলে থাকা প্রেসক্রিপশন পরাঘুমমরার ধুম পড়ে গেলে অসহায় হয়ে দেখি, আমি মরি নাইঝরার মৌসুমে আমি কেন পড়ে থাকি ঘাসের মতনযতনে সন্দেহ বাড়ে, আরও বাড়ে জলাতঙ্ক রোগের রেওয়াজভোগের আওয়াজে কেন শব্দকে মাড়িয়ে যাওয়া ধরি না!

দুঃখ ঝুলিয়ে দিয়েছি তেমাথায়কে মাথায় রাখে মজে যাওয়া পুকুরের তেজভিজে গেলে একমাত্র শীতের পোশাকবেক ছাত্র আসে রোদেপ্রবোধে প্রত্যেকেই মাস্টারমশাই মনমাতবরবন রাতভর কাঁদেঅনুনাদে অন্তর ছলকে গিয়েই দেখে শূন্য পাতার হাড়গোরঅন্য ত্রাতার ঘরদোরে ফোটে কলিঅঞ্জলি উল্টে গেলে কেউ আর লেখে না ফুল বাকির খাতায়

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

তোমাকে ভাবতে গেলে কিছু নেই, ফাঁকা

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

কলায় বিজ্ঞান নেই, বিজ্ঞানে কলাবলা আছে মূর্খের অভিধানে ভেতো বিদ্যার ব্যকরণসবই জানে সে তো এলিয়েন প্যান্ডোরার বাক্সে থাকা অমৃতভাণ্ড তাহার ভান্ডারবিহীন ভাদ্রপ্রবণ স্নায়ুবিকারিআর্দ্র লবণের খাঁজে জোঁকেরা যেমন,লোকেরা এমন হলে ছেড়ে দাও সালতামামির সুতাআলতা মামির পায়ে মামার উদাসীন চোখে চলন্ত পায়েদের প্রজাপতি ছাপবলেন তো, নায়ে ঘের বিঁধে গেলে বণিকেরা বোকাসোকা থাকে?খোকারা ধোকায় পড়ে, বুড়োদের কি খবর, বাছা?নাচার জন্যে চাই মুদ্রা ও মন্ত্রমুকুল, তোমাদেরও বশ করে আবোল আর তাবোলের ছলা?

‘আত্মনং বিদ্ধি’ বলে লোকেভাত তো সমৃদ্ধি বলে শোকেতোকে বলেছি, টাকাপয়সা নয়, কাকা যা কয়, তা নয়, মানুষের রূপটা আলাদাযা গাধারাও বোঝে, তাতে চৌকস চিলেদের পোষে নাবউ রস দিলে ঢের বসে না মন বিষয়ে বিতৃষ্ণা বিশদ বিলোপন হয়ছিল পণ জয় করবার লোভ–হিংসার ভরা থলিবলি, এবেলা অধ্যয়নে আসোবদচয়নে কাশো কেন অহেতুক, ভাসমান চেচুয়ার বিল?যে ঠুয়ার কিল খেয়ে হয়ে গেছ বাঁকা,চাকা লাগিয়ে তারে চালাতে লাগে রাজপথ, তোর পায়ে লেগে আছে আন্ধার গলি।

খাতায় খতনা হলে অক্ষরে অধিবাস শক্তমাথায় সৎ না হলে লক্ষ্যরে যদি চাস পোক্ত প্রকারবেকারএ কার মাথা? কোন দিকে ফিরে দেয় বজ্রনিনাদের বিতণ্ডা বাতাবর্ত?পতন যা ছাতা ধরত, তারও শেষ পাটাতন পিচ্ছিলকাটা মন বিষ দিল ধামাধরা খয়রাতে খণ্ডকপালজামা পড়া কয় রাতে স্বপ্নরা ল্যাংটা হয়ে দৌড়ের দুয়ারে খায় ধাক্কা ও ধর্মাবতার?কুয়ারে হায় পাক্কা সমুদ্র ভেবে মুদ্রণমাধুরীর গুণে গুদারা দেখাওউদারা–মুদারা শেখাও তবে সহস্রারের দিকে ডিগবাজি শিখেছে সব সাত্ত্বিক গাতা-গর্ত।

তোমাকে ভাবতে গেলে কিছু নেই, ফাঁকাঝাঁকা ভরে ছেঁকে তোলার কথা মনে হলে খুন হয়ে যাইনুন বয়ে বেড়ানো স্বভাবে আর পারি নানাড়ি না পাগলের মতো সাঁকো, তবু আউলা জীবনবাউলা বাতুলে দেয় ক্ষণিকের ভুলে থাকা প্রেসক্রিপশন পরাঘুমমরার ধুম পড়ে গেলে অসহায় হয়ে দেখি, আমি মরি নাইঝরার মৌসুমে আমি কেন পড়ে থাকি ঘাসের মতনযতনে সন্দেহ বাড়ে, আরও বাড়ে জলাতঙ্ক রোগের রেওয়াজভোগের আওয়াজে কেন শব্দকে মাড়িয়ে যাওয়া ধরি না!

দুঃখ ঝুলিয়ে দিয়েছি তেমাথায়কে মাথায় রাখে মজে যাওয়া পুকুরের তেজভিজে গেলে একমাত্র শীতের পোশাকবেক ছাত্র আসে রোদেপ্রবোধে প্রত্যেকেই মাস্টারমশাই মনমাতবরবন রাতভর কাঁদেঅনুনাদে অন্তর ছলকে গিয়েই দেখে শূন্য পাতার হাড়গোরঅন্য ত্রাতার ঘরদোরে ফোটে কলিঅঞ্জলি উল্টে গেলে কেউ আর লেখে না ফুল বাকির খাতায়