ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠক অনুষ্ঠিত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা, নিজেদের ঘর ভেঙে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা কোরবানির ঈদ সামনে রেখে তাড়াশের উপজেলায় পশুর হাটে কেনাবেচা ধুম ইউএনও-কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে সড়কে আলেমদের মোনাজাত গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু গাইবান্ধায় ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, জরিমানা দেড় লাখ শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন তিস্তামুখঘাট-বাহাদুরাবাদ সড়ক ও রেলসেতুর দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন সরকারি ধান ক্রয়ের তালিকায় ভুয়া কৃষক, উদ্বোধনের দিনেই ধরা পড়লো অনিয়ম ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো অবসরপ্রাপ্ত জজের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জামায়াতের দিনব্যাপী শিক্ষাশিবির

অধঃস্তন সংগঠন হচ্ছে মূল সংগঠনের জীবনী শক্তি : মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের বিশ্রাম নেওয়ার কোন সুযোগ নেই; বরং ময়দানে সব সময় আপসহীন থেকে আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় সকল স্তরের জনশক্তিকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

তিনি আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আলহেরা মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা আয়োজিত ইউনিয়ন আমীর/সভাপতি ও সেক্রেটারিদের এক দিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমীর মোবারক হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় শিক্ষাশিবিরে দারসুল কুরআন পেশ করেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা নাজমুল আলম আরিফ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জোনায়েদ হাসান,রাজিফুল হাসান বাপ্পী,কাজী সিরাজুল ইসলাম, আবুল বাশার ভুইয়া, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মো: রোকন উদ্দিন, মো: খুরশিদ আলম প্রমুখ।

সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘একটি সফল ও কার্যকরী বিপ্লবের জন্য একদল সৎ, যোগ্য ও তাক্বওয়াবান মানুষের প্রয়োজন। জাতির সে আশা-আকাংখা পুরুণে জামায়াত দীর্ঘ পরিসরে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। সে কাজে সফল ভাবেই আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে অধঃস্তন সংগঠনগুলো। মূলত, অধঃস্তন মূল সংগঠনের সঞ্জিবনী শক্তি। তাই একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তৃণমূল সংগঠনগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। ইউনিয়ন দায়িত্বশীলদের নেতৃত্বের গুণাবলী সৃষ্টি, বৈষয়িক ও ইসলামী জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর জন্য তাদেরকে অবশ্যই অধ্যবসায়ী হতে হবে। প্রত্যেক ইউনিয়ন সংগঠনগুলোকে দাওয়াতের সূতিকাগার ও ইসলামী আন্দোলনের দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করতে হবে। তাহলেই ইসলামী বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠবে’। তিনি দেশকে ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সকলকে ময়দানে সক্রিয় থাকার আহবান জানান।

তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব ও জুলাই সনদ আমাদের জাতীয় জীবনের অন্যতম অর্জন। এ বিপ্লবই দেশ ও জাতিকে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেছে। এজন্য রাজপথে জীবন দিতে হয়েছে হাজার হাজার তরতাজা প্রাণের। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় গিয়ে এখন সবকিছু ভুলে যেতে বসেছে। কারণ, জুলাই বিপ্লবে তাদের উল্লেখযোগ্য কোন অবদান ছিলো না। তারা এখন জুলাই সনদকে পাশ কাটানোর নানা ধরনের অপযুক্তি ও কুযুক্তি উপস্থাপন করছে। যা গণরায়ের প্রতি রীতিমত অশ্রদ্ধা। কিন্তু এসব করে সরকার কোনভাবেই গণরায় পাশ কাটাতে পারবে না বরং তা তাদের জন্যই তা হবে আত্মঘাতি’। তিনি সরকারকে টালবাহানা বন্ধ করে অবিলম্বে জুলাই সনদ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহবান জানান। অন্যথায় জুলাই যোদ্ধারা জনগণকে সাথে নিয়ে আবারো রাজপথে নামবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জামায়াতের দিনব্যাপী শিক্ষাশিবির

অধঃস্তন সংগঠন হচ্ছে মূল সংগঠনের জীবনী শক্তি : মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

আপডেট সময় : ১২:২৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের বিশ্রাম নেওয়ার কোন সুযোগ নেই; বরং ময়দানে সব সময় আপসহীন থেকে আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় সকল স্তরের জনশক্তিকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

তিনি আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আলহেরা মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা আয়োজিত ইউনিয়ন আমীর/সভাপতি ও সেক্রেটারিদের এক দিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমীর মোবারক হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় শিক্ষাশিবিরে দারসুল কুরআন পেশ করেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা নাজমুল আলম আরিফ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জোনায়েদ হাসান,রাজিফুল হাসান বাপ্পী,কাজী সিরাজুল ইসলাম, আবুল বাশার ভুইয়া, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মো: রোকন উদ্দিন, মো: খুরশিদ আলম প্রমুখ।

সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘একটি সফল ও কার্যকরী বিপ্লবের জন্য একদল সৎ, যোগ্য ও তাক্বওয়াবান মানুষের প্রয়োজন। জাতির সে আশা-আকাংখা পুরুণে জামায়াত দীর্ঘ পরিসরে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। সে কাজে সফল ভাবেই আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে অধঃস্তন সংগঠনগুলো। মূলত, অধঃস্তন মূল সংগঠনের সঞ্জিবনী শক্তি। তাই একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তৃণমূল সংগঠনগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। ইউনিয়ন দায়িত্বশীলদের নেতৃত্বের গুণাবলী সৃষ্টি, বৈষয়িক ও ইসলামী জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর জন্য তাদেরকে অবশ্যই অধ্যবসায়ী হতে হবে। প্রত্যেক ইউনিয়ন সংগঠনগুলোকে দাওয়াতের সূতিকাগার ও ইসলামী আন্দোলনের দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করতে হবে। তাহলেই ইসলামী বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠবে’। তিনি দেশকে ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সকলকে ময়দানে সক্রিয় থাকার আহবান জানান।

তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব ও জুলাই সনদ আমাদের জাতীয় জীবনের অন্যতম অর্জন। এ বিপ্লবই দেশ ও জাতিকে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেছে। এজন্য রাজপথে জীবন দিতে হয়েছে হাজার হাজার তরতাজা প্রাণের। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় গিয়ে এখন সবকিছু ভুলে যেতে বসেছে। কারণ, জুলাই বিপ্লবে তাদের উল্লেখযোগ্য কোন অবদান ছিলো না। তারা এখন জুলাই সনদকে পাশ কাটানোর নানা ধরনের অপযুক্তি ও কুযুক্তি উপস্থাপন করছে। যা গণরায়ের প্রতি রীতিমত অশ্রদ্ধা। কিন্তু এসব করে সরকার কোনভাবেই গণরায় পাশ কাটাতে পারবে না বরং তা তাদের জন্যই তা হবে আত্মঘাতি’। তিনি সরকারকে টালবাহানা বন্ধ করে অবিলম্বে জুলাই সনদ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহবান জানান। অন্যথায় জুলাই যোদ্ধারা জনগণকে সাথে নিয়ে আবারো রাজপথে নামবে।