
ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের বিশ্রাম নেওয়ার কোন সুযোগ নেই; বরং ময়দানে সব সময় আপসহীন থেকে আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় সকল স্তরের জনশক্তিকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
তিনি আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আলহেরা মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা আয়োজিত ইউনিয়ন আমীর/সভাপতি ও সেক্রেটারিদের এক দিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমীর মোবারক হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আমিনুল ইসলামের পরিচালনায় শিক্ষাশিবিরে দারসুল কুরআন পেশ করেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা নাজমুল আলম আরিফ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জোনায়েদ হাসান,রাজিফুল হাসান বাপ্পী,কাজী সিরাজুল ইসলাম, আবুল বাশার ভুইয়া, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মো: রোকন উদ্দিন, মো: খুরশিদ আলম প্রমুখ।
সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘একটি সফল ও কার্যকরী বিপ্লবের জন্য একদল সৎ, যোগ্য ও তাক্বওয়াবান মানুষের প্রয়োজন। জাতির সে আশা-আকাংখা পুরুণে জামায়াত দীর্ঘ পরিসরে লড়াই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। সে কাজে সফল ভাবেই আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছে অধঃস্তন সংগঠনগুলো। মূলত, অধঃস্তন মূল সংগঠনের সঞ্জিবনী শক্তি। তাই একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তৃণমূল সংগঠনগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। ইউনিয়ন দায়িত্বশীলদের নেতৃত্বের গুণাবলী সৃষ্টি, বৈষয়িক ও ইসলামী জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর জন্য তাদেরকে অবশ্যই অধ্যবসায়ী হতে হবে। প্রত্যেক ইউনিয়ন সংগঠনগুলোকে দাওয়াতের সূতিকাগার ও ইসলামী আন্দোলনের দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করতে হবে। তাহলেই ইসলামী বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠবে’। তিনি দেশকে ন্যায়-ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সকলকে ময়দানে সক্রিয় থাকার আহবান জানান।

তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব ও জুলাই সনদ আমাদের জাতীয় জীবনের অন্যতম অর্জন। এ বিপ্লবই দেশ ও জাতিকে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেছে। এজন্য রাজপথে জীবন দিতে হয়েছে হাজার হাজার তরতাজা প্রাণের। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় গিয়ে এখন সবকিছু ভুলে যেতে বসেছে। কারণ, জুলাই বিপ্লবে তাদের উল্লেখযোগ্য কোন অবদান ছিলো না। তারা এখন জুলাই সনদকে পাশ কাটানোর নানা ধরনের অপযুক্তি ও কুযুক্তি উপস্থাপন করছে। যা গণরায়ের প্রতি রীতিমত অশ্রদ্ধা। কিন্তু এসব করে সরকার কোনভাবেই গণরায় পাশ কাটাতে পারবে না বরং তা তাদের জন্যই তা হবে আত্মঘাতি’। তিনি সরকারকে টালবাহানা বন্ধ করে অবিলম্বে জুলাই সনদ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহবান জানান। অন্যথায় জুলাই যোদ্ধারা জনগণকে সাথে নিয়ে আবারো রাজপথে নামবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিসেস রোকসানা খানম
অফিস : বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৫বি, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
ইমেইল : khoborpratidin.news@gmail.com
Copyright © 2026 খবর প্রতিদিন. All rights reserved.