ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠক অনুষ্ঠিত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা, নিজেদের ঘর ভেঙে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা কোরবানির ঈদ সামনে রেখে তাড়াশের উপজেলায় পশুর হাটে কেনাবেচা ধুম ইউএনও-কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে সড়কে আলেমদের মোনাজাত গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু গাইবান্ধায় ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, জরিমানা দেড় লাখ শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন তিস্তামুখঘাট-বাহাদুরাবাদ সড়ক ও রেলসেতুর দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন সরকারি ধান ক্রয়ের তালিকায় ভুয়া কৃষক, উদ্বোধনের দিনেই ধরা পড়লো অনিয়ম ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো অবসরপ্রাপ্ত জজের

গাইবান্ধায় ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, জরিমানা দেড় লাখ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো প্রায় ৬০ মণ হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করে ধ্বংস করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী পারভীন বেগমকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বকশিগঞ্জ এলাকার বড় ছত্রগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত খালেক পাইকারের হলুদ মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন গাইবান্ধা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন। এ সময় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মিলন মিয়া, র‍্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াদ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। এসব ভেজাল মসলা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৬০ মণ ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করা হয়। পরে জনসম্মুখে সেগুলো ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় বাজারে প্রবেশ করতে না পারে।

সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, ‘জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে অভিযানের খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

গাইবান্ধায় ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, জরিমানা দেড় লাখ

আপডেট সময় : ১০:৩৮:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো প্রায় ৬০ মণ হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করে ধ্বংস করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী পারভীন বেগমকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বকশিগঞ্জ এলাকার বড় ছত্রগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত খালেক পাইকারের হলুদ মিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন গাইবান্ধা জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন। এ সময় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা মিলন মিয়া, র‍্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক জিয়াদ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম রং ও ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। এসব ভেজাল মসলা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৬০ মণ ভেজাল হলুদ ও মরিচের গুঁড়া জব্দ করা হয়। পরে জনসম্মুখে সেগুলো ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় বাজারে প্রবেশ করতে না পারে।

সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, ‘জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো অসাধু ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে অভিযানের খবরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে আরও কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।