ছাদখোলা বাসে সাফজয়ীদের বরণ
- আপডেট সময় : ০৮:০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

স্বপ্নের ট্রফি হাতে দেশে ফেরার আনন্দে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল শনিবারের সন্ধ্যা। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল-এর সাফ চ্যাম্পিয়নদের বরণ করতে বিমানবন্দর থেকেই শুরু হয় উচ্ছ্বাস, যা পরে ছাদখোলা বাসে রূপ নেয় এক বর্ণাঢ্য উদযাপনে।
মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে টাইব্রেকারের শেষ শটে রোনান সুলিভান-এর গোলেই নিশ্চিত হয় শিরোপা। সেই জয়ের রেশ নিয়েই শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় দলটি।
বিমানবন্দরে চ্যাম্পিয়নদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন আমিনুল হক। তিনি ফুল দিয়ে বরণ করেন দলের অধিনায়ক মিঠু চৌধুরীকে। এ সময় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন-এর কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এবারই প্রথম পুরুষ দলের জন্য ছাদখোলা বাসের আয়োজন করা হয়। এর আগে ২০২২ সালে নারী দল সাফ জয়ের পর এই সম্মান পেয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হলো অনূর্ধ্ব-২০ দল।
বিমানবন্দর থেকে বিশেষভাবে প্রস্তুত করা ছাদখোলা বাসে করে খেলোয়াড়দের নিয়ে যাওয়া হয় হাতিরঝিল এম্ফিথিয়েটারে, যেখানে তাদের জন্য আয়োজন করা হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগের গল্প। টুর্নামেন্টে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জেতেন ইসমাইল হোসেন মাহিন। এ প্রসঙ্গে গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘মাহিন খুবই প্রতিভাবান। সঠিকভাবে গড়ে উঠতে পারলে সে দেশের সেরা গোলরক্ষক হতে পারবে।’
তিনি আরও জানান, ঈদের সময় পরিবার ছেড়ে মালদ্বীপে গিয়ে খেলতে হয়েছে দলকে। শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য ছিল ট্রফি জিতে দেশে ফেরা, যা তারা পূরণ করতে পেরেছে।
টুর্নামেন্ট চলাকালে কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতাও ছিল। গ্রুপপর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে মালদ্বীপের কিছু দর্শকের কটূক্তির শিকার হন কোচ বিপ্লব। তবে ফাইনালে জয়ের পর সেই দর্শকরাই ক্ষমা চান।
সব মিলিয়ে এই শিরোপা জয় শুধু একটি ট্রফি অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের ফুটবলের ভবিষ্যতের জন্য এক বড় সম্ভাবনার বার্তা হয়ে উঠেছে।























