ইউএনও-কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে সড়কে আলেমদের মোনাজাত
- আপডেট সময় : ১০:৪৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

লালমনিরহাটের আদিতমারী মডেল মসজিদে ইমাম- মুয়াজ্জিন নিয়োগের বিতর্কিত ফলাফল বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন,সড়কে মোনাজাত করেছেন জেলার মুফতি-মাওলানারা।
মানববন্ধন শেষে সড়ক দাঁড়িয়ে তারা মোনাজাত করেন।৩ মিনিটের মোনাজাতের কারণে ঢাকা- বুড়িমারি মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট শৃষ্টি হয়।এরপর নিজেরাই যানজট সড়ানোর কাজে লেগে পড়েন।
রবিবার (২৪ মে) আদিতমারী উপজেলার স্বৃতিসৌধের সামনে মানববন্ধন করেন জেলার মুফতি-মাওলানারা।তারা দাবি করেন,আদিতমারী মডেল মসজিদের নিয়োগে বড় ধরণের অনিয়ম হয়েছে।এ বিষয়ে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনে দেয়া লিখিত অভিযোগের রিসিভ কপি তারা গণমাধ্যমের কাছে দেন।
বক্তারা বলেন, পৃথিবীর সবচাইতে পবিত্রতম স্থান আল্লাহ তায়ালার ঘর।সেখানে অবৈধ ও জালিয়াতির মাধ্যমে একজন বেদাতি কে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এটার প্রতিবাদে আমাদের সুস্পষ্ট অবস্থান। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই অনতিবিলম্বে এ অবৈধ নিয়োগ পরিক্ষা যদি বাতিল করা না হয় তাহলে এর চাইতেও কঠিন কর্মসূচি দিতে আমরা বাধ্য থাকবো।
তারা বলেন,বিধি বহির্ভূত নাম্বার প্রদান, একক আধিপত্য, সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ভাইভা বোর্ডের সকল সদস্যের মুল্যায়ন করার কথা থাকলেও একজন সদস্যই এককভাবে প্রশ্ন করেছেন।এবং নিজের ইচ্ছেমত নম্বর দিয়েছেন।বাকি সদস্যদের নিষ্ক্রিয় রেখে তৈরী করা এই মুল্যায়ন সম্পূর্ণ অবৈধ ও সাজানো এটা সুস্পষ্ট ভাবে প্রতিয়মান হচ্ছে।
তারা আরো বলেন, ভাইভা পরিক্ষায় চাকরি প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই না করে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করা হয়েছে। ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত ও সামাজিক ভাবে হেয় করা হয়েছে।মসজিদে মিলাদ না পড়লে নিয়োগ হবে না বলেও শর্ত দেয়া হয়। ফেৎনা ফাসাদ করার অপবাদ দেয়া এবং মহিলা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা নিয়েও উপহাস করে প্রার্থীদের মানসিক ও সামাজিক ভাবে বিপর্যস্ত করা হয়েছে।
তারা অভিযোগ করেন,যিনি নিয়োগ বোর্ডের প্রধান ছিলেন তিনি কোন হক্কানি আলেম ছিলেন না।আমরা জানি তিনি শুধুমাত্র মিলাদ কিয়াম আর জিলাপি খাওয়ার জ্ঞান তার ছিলো। যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করে নির্দিষ্ট সময়ে রেজাল্ট না দিয়ে পছন্দের প্রার্থী কে সুবিধা দেয়া হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের সময় নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে চরম অসচ্ছ উপায়ে গভীর রাতে তরিঘরি করে ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে।
তারা বক্তব্যে, হুশিয়ারি দিয়ে বলেন,এক মাস ধরে ডিসি,ইউএনও,কৃষি অফিসার,ইসলামিক ফাউন্ডেশনে যাওয়া আসা করছেন।লিখিত ভাবে জানিয়েছেন।তারপরও কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।এই ফলাফল বাতিল না করলে,কঠিন পদক্ষেপ নেয়া হবে।আর এর জন্য দায়ি থাকবে ইউএনও,কৃষি অফিসার।
জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক শেয়ার বিজকে বলেন,এই মুহুর্তে এমন অভিযোগের কথা আমার স্বরণে আসছে না।আমি ইউএনওর সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।



















