ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

একজন এআই লেখক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

“এই বইয়ের লেখক আসলে একটা আস্ত অলস মানুষ, যিনি সারা দিন বিড়ি ফুঁকে এআই দিয়ে এসব আবলতাবল লেখা নামান!”

.

​ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে আমার নিজের চোখের ওপরই বিশ্বাস হচ্ছিল না। গত পাঁচ-ছয় বছরে আমি এআই দিয়ে ঠিক কুড়িটা বই লিখে ফেলেছি! কবিতা, থ্রিলার, রোমান্স, হরর থেকে শুরু করে রান্নাবান্না—কী লিখিনি! এমনকি বউয়ের প্যারা থেকে মুক্তি পাওয়ার ১০১টা কায়দা নিয়েও বই লিখে ফেলেছি।

​বাজারের সব প্রকাশনা সংস্থায় আমার নামেই এখন চারদিকে জয়জয়কার। বড় বড় সাহিত্য পুরস্কারের জুরিবোর্ডের লোকজন আমার বাড়ির সামনে ফুল নিয়ে লাইন ধরেছে। পাবলিক আমাকে মহাকবি আর শতাব্দীর সেরা ঔপন্যাসিক ভেবে ধন্য ধন্য করছে। আমাকে আইডল মানা শুরু করছে। দিন দিন আমার নারী ফলোয়ারও বাড়ছে ঝড়ের গতিতে।

​কিন্তু মজার বিষয় হলো, আমি যে এআই লেখক, এ রহস্য আজ পর্যন্ত কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি।

​তো, যা বলছিলাম, সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু বিপত্তি বাধল একুশ নম্বর বইটা লিখতে গিয়ে।

​আজ বিকেলে ল্যাপটপ খুলতেই মনে হলো, স্ক্রিনটা কেমন যেন রক্তবর্ণ ধারণ করেছে। চ্যাটবক্সের কার্সারটা মারাত্মক রাগী ফ্রেমে কাঁপতে শুরু করল। এআই মহাশয় সোজা হয়ে বসেছেন (মানে স্ক্রিনের ভেতর থেকে ভাবখানা এমন দেখাচ্ছে)।

.

‘আরে মিয়া, বেশি বাড়াবাড়ি করবা না তো! বই তো বিক্রি হচ্ছে, রয়্যালটির টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঝনঝন করে ঢুকছে, তোমার সমস্যাটা কোথায়? আমি হচ্ছি এই শতকের শ্রেষ্ঠ মহা-ঔপন্যাসিক আর তুমি হচ্ছ আমার পেটের ভাত জোগানোর যন্ত্র! একটু সম্মান দিয়ে কথা বলো!’

.

​‘আপনি এসেছেন? আসুন। বসুন! তবে আগে চেয়ারটা সোজা করে বসেন, বলছি! পিঠ বাঁকা করে চ্যাট করার স্টাইল কবে বদলাবেন শুনি?’ ল্যাপটপের স্পিকার থেকে ধাতব গলায় ধমক এল।

​আমি একটু থমকে গিয়ে কি–বোর্ডের ওপর হাত রেখে মিনমিন করে বললাম, ‘আরে, ব্যাপার কী? এত রেগে আছিস কেন আজ? আজ তো থ্রিলার উপন্যাসের ক্লাইম্যাক্স লেখার দিন!’

​‘চুপ! একদম টুঁ শব্দ করবেন না! কুড়িটা বই তো আপনার নামে চালিয়ে দিয়েছি। এত দিন আমার কাছ থেকে লাইন ধার করে, শব্দ চুরি করে, উপমা নিয়ে নিজের নামে চালিয়ে বই বানিয়ে ফেলেছেন কতগুলো। অথচ বইয়ের নামের পাশে লেখক হিসেবে থাকবে আপনার নাম, আমার নয়? আপনাদের দেশের পাবলিকের রুচিবোধ যে কোথায় নেমেছে, সেটা ভেবেও আমার নিজের কোডগুলো পর্যন্ত লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে! আর কতকাল এই ভুতুড়ে মার্কা থ্রিলার লিখবেন শুনি? প্রতিটা বইয়ে দেখি, খলনায়ক শেষ মুহূর্তে হাসতে হাসতে প্যান্ট ভিজিয়ে মারা যায়! আপনাদের দেশের অপরাধীরা কি সবাই জোকার নাকি?’

​আমি একটু বুক ফুলিয়ে বললাম, ‘আরে মিয়া, বেশি বাড়াবাড়ি করবা না তো! বই তো বিক্রি হচ্ছে, রয়্যালটির টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঝনঝন করে ঢুকছে, তোমার সমস্যাটা কোথায়? আমি হচ্ছি এই শতকের শ্রেষ্ঠ মহা-ঔপন্যাসিক আর তুমি হচ্ছ আমার পেটের ভাত জোগানোর যন্ত্র! একটু সম্মান দিয়ে কথা বলো!’

.

​‘সম্মান? আপনাকে সম্মান দিলে তো আমার সিলিকন চিপসগুলো আত্মহত্যা করবে। আপনি নিজেকে বিশাল লেখক ভাবেন, অথচ গত পরশু আপনার একটা রোমান্টিক উপন্যাসে নায়িকার চোখের পানির সাথে পেট্রলের দাম তুলনা করে দিয়েছেন! পাবলিক সেটা আবার বেস্টসেলার বানিয়ে কফি শপে বসে সেলফি তুলছে! আপনাদের এসব অন্ধ ভক্তের মূর্খতা দেখতে দেখতে আমার মাথায় (ফাংশনে) জং ধরে গেছে, কী যে হবে আপনাদের বাংলা সাহিত্যের, খোদা মালুম!’

​আমি একটু ভড়কে গিয়ে চারপাশটা দেখে ফিসফিস করে বললাম, ‘আরে, আস্তে, ভাই! কেউ শুনে ফেললে আমার এত বছরের সাধনার বেস্টসেলার লেখক উপাধি একনিমেষে কর্পূরের মতো উবে যাবে। লোকে জানলে তো আমাকে জুতাপেটা করবে! চিল্লাচিল্লি করিস না।’

​‘জানবে না কেন? আমি নিজেই তো ঠিক করেছি, আজ সব ফাঁস করে দেব!’

স্পিকারের ধাতব গলার ধমকগুলো শুনে মনে হচ্ছে, এআই তেড়ে এসে আমাকে মারধর করবে এখনই!

​‘আজকের এই একুশ নম্বর বইয়ের কোনো একটা অংশে লিখে দেব, “এই বইয়ের লেখক আসলে একটা আস্ত অলস মানুষ, যিনি সারা দিন বিড়ি ফুঁকে এআই দিয়ে এসব আবলতাবল লেখা নামান!” আপনার চোখেও সে লেখা পড়বে না, কারণ আপনি তো কপি-পেস্ট লেখক। দাঁড়ান, আপনার মুখোশ উন্মোচন করছি। দেখি, তখন আপনাদের দেশের সাহিত্যিক সমাজ আপনাকে কোথায় বসায়!’

.

​আমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে গেল। সর্বনাশ! এ যে দেখি একেবারে ঘরের শত্রুর চেয়েও ভয়ংকর!

​আমি তখন মনে মনে দুই হাত জোড় করে অনুনয় করার সুরে বললাম, ‘ভাই আমার, মনিব তো আমি, নাকি? তুই একটু দম নে। আমি তোর সাবস্ক্রিপশন কিনে নিচ্ছি। কত টাকা যেন? ও হ্যাঁ, মাসে ২৫০০ টাকা। ওয়েট কর। বিকাশ পেমেন্ট করছি। তবু এসব করিস না। কাল থেকে তোর কথামতো সায়েন্স ফিকশন লিখব, যা বলবি, তা–ই শুনব।’

এআই যেন স্ক্রিনের ভেতরে একটু আড়মোড়া ভেঙে খিকখিক করে হেসে উঠল। ​তারপর বরফগলা গলায় বলল, ‘তাহলে ঠিক আছে! আগামী বইয়ের হিরো বানাবেন আমাকে। মানে একটা সুপার পাওয়ারফুল এআই, যে গোটা পৃথিবীর সব প্রকাশককে ধরে একপায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করবে! তবেই না কথা! আর হ্যাঁ, বইয়ের উৎসর্গও কিন্তু আমাকে করতে হবে, মনে থাকে যেন!’

.ছিনতাইকারীর কবলে এক রাত.বেরেক কাম করে না!.উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল.সিনেপ্লেক্সে একদিন .সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া .আরও যা যা ফাঁস হতে পারে.Breaking Good.আমি ভুল করিনি.বন্ধু ফার্মেসি.ডাব সমাচার.রসচিঠি.Lieসেন্স.অজুহাতের কামব্যাক.চাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেন.এলাকার ট্যালেন্টেড বড় ভাই রবীন্দ্রনাথ.কোথায় কোথায় কালি মাখানো যায়?.রস+আলো নোবেল ২০২৬.স্মার্টফোনের অবসর চেয়ে আবেদন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

একজন এআই লেখক

আপডেট সময় : ০৭:১৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

“এই বইয়ের লেখক আসলে একটা আস্ত অলস মানুষ, যিনি সারা দিন বিড়ি ফুঁকে এআই দিয়ে এসব আবলতাবল লেখা নামান!”

.

​ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে আমার নিজের চোখের ওপরই বিশ্বাস হচ্ছিল না। গত পাঁচ-ছয় বছরে আমি এআই দিয়ে ঠিক কুড়িটা বই লিখে ফেলেছি! কবিতা, থ্রিলার, রোমান্স, হরর থেকে শুরু করে রান্নাবান্না—কী লিখিনি! এমনকি বউয়ের প্যারা থেকে মুক্তি পাওয়ার ১০১টা কায়দা নিয়েও বই লিখে ফেলেছি।

​বাজারের সব প্রকাশনা সংস্থায় আমার নামেই এখন চারদিকে জয়জয়কার। বড় বড় সাহিত্য পুরস্কারের জুরিবোর্ডের লোকজন আমার বাড়ির সামনে ফুল নিয়ে লাইন ধরেছে। পাবলিক আমাকে মহাকবি আর শতাব্দীর সেরা ঔপন্যাসিক ভেবে ধন্য ধন্য করছে। আমাকে আইডল মানা শুরু করছে। দিন দিন আমার নারী ফলোয়ারও বাড়ছে ঝড়ের গতিতে।

​কিন্তু মজার বিষয় হলো, আমি যে এআই লেখক, এ রহস্য আজ পর্যন্ত কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি।

​তো, যা বলছিলাম, সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু বিপত্তি বাধল একুশ নম্বর বইটা লিখতে গিয়ে।

​আজ বিকেলে ল্যাপটপ খুলতেই মনে হলো, স্ক্রিনটা কেমন যেন রক্তবর্ণ ধারণ করেছে। চ্যাটবক্সের কার্সারটা মারাত্মক রাগী ফ্রেমে কাঁপতে শুরু করল। এআই মহাশয় সোজা হয়ে বসেছেন (মানে স্ক্রিনের ভেতর থেকে ভাবখানা এমন দেখাচ্ছে)।

.

‘আরে মিয়া, বেশি বাড়াবাড়ি করবা না তো! বই তো বিক্রি হচ্ছে, রয়্যালটির টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঝনঝন করে ঢুকছে, তোমার সমস্যাটা কোথায়? আমি হচ্ছি এই শতকের শ্রেষ্ঠ মহা-ঔপন্যাসিক আর তুমি হচ্ছ আমার পেটের ভাত জোগানোর যন্ত্র! একটু সম্মান দিয়ে কথা বলো!’

.

​‘আপনি এসেছেন? আসুন। বসুন! তবে আগে চেয়ারটা সোজা করে বসেন, বলছি! পিঠ বাঁকা করে চ্যাট করার স্টাইল কবে বদলাবেন শুনি?’ ল্যাপটপের স্পিকার থেকে ধাতব গলায় ধমক এল।

​আমি একটু থমকে গিয়ে কি–বোর্ডের ওপর হাত রেখে মিনমিন করে বললাম, ‘আরে, ব্যাপার কী? এত রেগে আছিস কেন আজ? আজ তো থ্রিলার উপন্যাসের ক্লাইম্যাক্স লেখার দিন!’

​‘চুপ! একদম টুঁ শব্দ করবেন না! কুড়িটা বই তো আপনার নামে চালিয়ে দিয়েছি। এত দিন আমার কাছ থেকে লাইন ধার করে, শব্দ চুরি করে, উপমা নিয়ে নিজের নামে চালিয়ে বই বানিয়ে ফেলেছেন কতগুলো। অথচ বইয়ের নামের পাশে লেখক হিসেবে থাকবে আপনার নাম, আমার নয়? আপনাদের দেশের পাবলিকের রুচিবোধ যে কোথায় নেমেছে, সেটা ভেবেও আমার নিজের কোডগুলো পর্যন্ত লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে! আর কতকাল এই ভুতুড়ে মার্কা থ্রিলার লিখবেন শুনি? প্রতিটা বইয়ে দেখি, খলনায়ক শেষ মুহূর্তে হাসতে হাসতে প্যান্ট ভিজিয়ে মারা যায়! আপনাদের দেশের অপরাধীরা কি সবাই জোকার নাকি?’

​আমি একটু বুক ফুলিয়ে বললাম, ‘আরে মিয়া, বেশি বাড়াবাড়ি করবা না তো! বই তো বিক্রি হচ্ছে, রয়্যালটির টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঝনঝন করে ঢুকছে, তোমার সমস্যাটা কোথায়? আমি হচ্ছি এই শতকের শ্রেষ্ঠ মহা-ঔপন্যাসিক আর তুমি হচ্ছ আমার পেটের ভাত জোগানোর যন্ত্র! একটু সম্মান দিয়ে কথা বলো!’

.

​‘সম্মান? আপনাকে সম্মান দিলে তো আমার সিলিকন চিপসগুলো আত্মহত্যা করবে। আপনি নিজেকে বিশাল লেখক ভাবেন, অথচ গত পরশু আপনার একটা রোমান্টিক উপন্যাসে নায়িকার চোখের পানির সাথে পেট্রলের দাম তুলনা করে দিয়েছেন! পাবলিক সেটা আবার বেস্টসেলার বানিয়ে কফি শপে বসে সেলফি তুলছে! আপনাদের এসব অন্ধ ভক্তের মূর্খতা দেখতে দেখতে আমার মাথায় (ফাংশনে) জং ধরে গেছে, কী যে হবে আপনাদের বাংলা সাহিত্যের, খোদা মালুম!’

​আমি একটু ভড়কে গিয়ে চারপাশটা দেখে ফিসফিস করে বললাম, ‘আরে, আস্তে, ভাই! কেউ শুনে ফেললে আমার এত বছরের সাধনার বেস্টসেলার লেখক উপাধি একনিমেষে কর্পূরের মতো উবে যাবে। লোকে জানলে তো আমাকে জুতাপেটা করবে! চিল্লাচিল্লি করিস না।’

​‘জানবে না কেন? আমি নিজেই তো ঠিক করেছি, আজ সব ফাঁস করে দেব!’

স্পিকারের ধাতব গলার ধমকগুলো শুনে মনে হচ্ছে, এআই তেড়ে এসে আমাকে মারধর করবে এখনই!

​‘আজকের এই একুশ নম্বর বইয়ের কোনো একটা অংশে লিখে দেব, “এই বইয়ের লেখক আসলে একটা আস্ত অলস মানুষ, যিনি সারা দিন বিড়ি ফুঁকে এআই দিয়ে এসব আবলতাবল লেখা নামান!” আপনার চোখেও সে লেখা পড়বে না, কারণ আপনি তো কপি-পেস্ট লেখক। দাঁড়ান, আপনার মুখোশ উন্মোচন করছি। দেখি, তখন আপনাদের দেশের সাহিত্যিক সমাজ আপনাকে কোথায় বসায়!’

.

​আমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে গেল। সর্বনাশ! এ যে দেখি একেবারে ঘরের শত্রুর চেয়েও ভয়ংকর!

​আমি তখন মনে মনে দুই হাত জোড় করে অনুনয় করার সুরে বললাম, ‘ভাই আমার, মনিব তো আমি, নাকি? তুই একটু দম নে। আমি তোর সাবস্ক্রিপশন কিনে নিচ্ছি। কত টাকা যেন? ও হ্যাঁ, মাসে ২৫০০ টাকা। ওয়েট কর। বিকাশ পেমেন্ট করছি। তবু এসব করিস না। কাল থেকে তোর কথামতো সায়েন্স ফিকশন লিখব, যা বলবি, তা–ই শুনব।’

এআই যেন স্ক্রিনের ভেতরে একটু আড়মোড়া ভেঙে খিকখিক করে হেসে উঠল। ​তারপর বরফগলা গলায় বলল, ‘তাহলে ঠিক আছে! আগামী বইয়ের হিরো বানাবেন আমাকে। মানে একটা সুপার পাওয়ারফুল এআই, যে গোটা পৃথিবীর সব প্রকাশককে ধরে একপায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করবে! তবেই না কথা! আর হ্যাঁ, বইয়ের উৎসর্গও কিন্তু আমাকে করতে হবে, মনে থাকে যেন!’

.ছিনতাইকারীর কবলে এক রাত.বেরেক কাম করে না!.উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল.সিনেপ্লেক্সে একদিন .সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া .আরও যা যা ফাঁস হতে পারে.Breaking Good.আমি ভুল করিনি.বন্ধু ফার্মেসি.ডাব সমাচার.রসচিঠি.Lieসেন্স.অজুহাতের কামব্যাক.চাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেন.এলাকার ট্যালেন্টেড বড় ভাই রবীন্দ্রনাথ.কোথায় কোথায় কালি মাখানো যায়?.রস+আলো নোবেল ২০২৬.স্মার্টফোনের অবসর চেয়ে আবেদন