ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হানিফ পাপ্পুর তুলিতে রিকশাচিত্রের নতুন জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেসকোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায় ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র। এ শিল্পের পেছনে রয়েছেন মোহাম্মদ হানিফ পাপ্পুর মতো শিল্পীরা, যাঁরা অভাব-অনটন আর প্রতিকূলতার মধ্যেও আঁকড়ে ধরে রেখেছেন রিকশাচিত্রের ঐতিহ্য। ১৯৬৭ বা ১৯৬৮ সালে মামার হাত ধরে সিনেমার ব্যানার আঁকা শুরু করেন হানিফ পাপ্পু। দীর্ঘদিন এঁকেছেন সিনেমার পোস্টার ও রিকশার পেছনের প্লেটে জনপ্রিয় সিনেমার দৃশ্য। পরে ডিজিটাল শিল্পের দাপটে কাজ কমে গেলেও হাল ছাড়েননি। তাঁর দৃঢ় উচ্চারণ, ‘ভাতে মরলেও এই কাজ আমি ছাড়ব না।’ জীবিকার তাগিদে হারিকেন, মগ, কেটলি ও চশমার মতো দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসে রিকশাচিত্র আঁকতে শুরু করেন। একসময় যাঁকে দেখে অনেকে ভেবেছিলেন, কাজ না পেয়ে পাগল হয়ে গেছেন, তাঁর সেই কাজই পরে কুড়িয়েছে প্রশংসা। এখন তাঁর সঙ্গে বেশির ভাগ কাজ করেন শাগরেদ মুনির হোসেন। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে গর্বিত হানিফ পাপ্পুর চাওয়া, ব্যবসার প্রসারে যেন হারিয়ে না যায় রিকশাচিত্রের নিজস্ব মোটিফ, ঐতিহ্য ও ইতিহাস। স্বপ্ন দেখেন, যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পাবে এই শিল্প, জায়গা করে নেবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় এবং বেঁচে থাকবে নতুন প্রজন্মের হাত ধরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
   

হানিফ পাপ্পুর তুলিতে রিকশাচিত্রের নতুন জীবন

আপডেট সময় : ১০:৫৮:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

২০২৩ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেসকোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায় ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র। এ শিল্পের পেছনে রয়েছেন মোহাম্মদ হানিফ পাপ্পুর মতো শিল্পীরা, যাঁরা অভাব-অনটন আর প্রতিকূলতার মধ্যেও আঁকড়ে ধরে রেখেছেন রিকশাচিত্রের ঐতিহ্য। ১৯৬৭ বা ১৯৬৮ সালে মামার হাত ধরে সিনেমার ব্যানার আঁকা শুরু করেন হানিফ পাপ্পু। দীর্ঘদিন এঁকেছেন সিনেমার পোস্টার ও রিকশার পেছনের প্লেটে জনপ্রিয় সিনেমার দৃশ্য। পরে ডিজিটাল শিল্পের দাপটে কাজ কমে গেলেও হাল ছাড়েননি। তাঁর দৃঢ় উচ্চারণ, ‘ভাতে মরলেও এই কাজ আমি ছাড়ব না।’ জীবিকার তাগিদে হারিকেন, মগ, কেটলি ও চশমার মতো দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসে রিকশাচিত্র আঁকতে শুরু করেন। একসময় যাঁকে দেখে অনেকে ভেবেছিলেন, কাজ না পেয়ে পাগল হয়ে গেছেন, তাঁর সেই কাজই পরে কুড়িয়েছে প্রশংসা। এখন তাঁর সঙ্গে বেশির ভাগ কাজ করেন শাগরেদ মুনির হোসেন। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিতে গর্বিত হানিফ পাপ্পুর চাওয়া, ব্যবসার প্রসারে যেন হারিয়ে না যায় রিকশাচিত্রের নিজস্ব মোটিফ, ঐতিহ্য ও ইতিহাস। স্বপ্ন দেখেন, যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পাবে এই শিল্প, জায়গা করে নেবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় এবং বেঁচে থাকবে নতুন প্রজন্মের হাত ধরে।