সুন্দরগঞ্জে রোমা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- আপডেট সময় : ০৮:২১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

গোলের উত্তেজনা, দর্শকদের উল্লাস আর ‘ফুটবল, ফুটবল, ফুটবল’ স্লোগানে মুখর গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা আব্দুল হক ডিগ্রি কলেজ মাঠ। হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজনে উদ্বোধন হয়েছে রোমা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বামনডাঙ্গা আব্দুল হক ডিগ্রি কলেজ মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় কুড়িগ্রামের লাইজু কিডস ফুটবল একাডেমি ও দিনাজপুরের দাউদপুর ফুটবল একাডেমি। শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাইজু কিডস ফুটবল একাডেমি। দলের হয়ে দারুণ পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার পান নাহিদ হাসান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. বাবুল আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন সাবেক খেলোয়াড় ও সমাজসেবক মতিয়ার রহমান সেলিম। টুর্নামেন্ট পরিচালনা করেন সমাজসেবক প্রভাষক মো. ইনজামাম আজম।
এসময় বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এম এ গফফার মোল্লা, সদস্য সচিব মো. সাগীর খান, বামনডাঙ্গা আব্দুল হক ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রাকির মোহাম্মদ হাদিউল ইসলাম, কাশবন মটরসের স্বত্বাধিকারী মো. আবুল কাশেম, সাবেক তারকা ফুটবলার দিলীপ কুমার ভট্টাচার্য, সুখচান সাহা গরীবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বামনডাঙ্গা ফুটবল একাডেমির আয়োজনে টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন বামনডাঙ্গা শিববাড়ী মোড়ের রোমা সুপার মার্কেট, কমিউনিটি সেন্টার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী আজিজুর রহমান বাবু।
উদ্বোধনী ম্যাচ ঘিরে দুপুর থেকেই মাঠে দর্শকদের ভিড় বাড়তে থাকে। ম্যাচ শুরুর আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় মাঠের চারপাশ। খেলার প্রতিটি মুহূর্তে উল্লাস আর স্লোগানে মুখর থাকে পুরো মাঠ।
ম্যাচের বিরতিতেও থামেনি আয়োজন। বগুড়ার ‘ঈগল ড্যান্স’-এর নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনায় নৃত্য উপভোগ করেন দর্শকরা।

আয়োজকরা জানান, স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার তরুণ ফুটবলারদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি এবং গ্রামীণ ফুটবলের প্রতি নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করতেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
খেলা শেষে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নাহিদ হাসানের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সাবেক ফুটবলার দিলীপ কুমার ভট্টাচার্যকে ‘শ্রেষ্ঠ দর্শক’ হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়।

























