ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে ২০৯ বস্তা সার জব্দ, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করে রাখা ২০৯ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। জব্দ করা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের শোভাগঞ্জ বাজারে ‘মেসার্স আজাহার আলী’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঈফফাত জাহান তুলি। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী, পুলিশ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত করে রাখার অভিযোগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মজুত করা ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি সার পাওয়া যায়।

এর মধ্যে ১০২ বস্তা ইউরিয়া সারের সরকারি মূল্য ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা এবং ১০৭ বস্তা এমওপি সারের সরকারি মূল্য ১ লাখ ৭ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে জব্দ করা ২০৯ বস্তা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা।

পরে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুতের দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে এসব সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জব্দ করা সার আমার জিম্মায় রেখেছে। পরবর্তীতে এসব সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে। বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত করে চড়া দামে বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০৯ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা চড়া দামে বিক্রির মাধ্যমে কৃষকদের ভোগান্তিতে ফেলার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। কৃষকদের স্বার্থে নিয়মিতভাবে বাজার ও সার বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে ২০৯ বস্তা সার জব্দ, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করে রাখা ২০৯ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। জব্দ করা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের শোভাগঞ্জ বাজারে ‘মেসার্স আজাহার আলী’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঈফফাত জাহান তুলি। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী, পুলিশ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত করে রাখার অভিযোগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মজুত করা ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি সার পাওয়া যায়।

এর মধ্যে ১০২ বস্তা ইউরিয়া সারের সরকারি মূল্য ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা এবং ১০৭ বস্তা এমওপি সারের সরকারি মূল্য ১ লাখ ৭ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে জব্দ করা ২০৯ বস্তা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা।

পরে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুতের দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে এসব সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জব্দ করা সার আমার জিম্মায় রেখেছে। পরবর্তীতে এসব সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে। বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত করে চড়া দামে বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০৯ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা চড়া দামে বিক্রির মাধ্যমে কৃষকদের ভোগান্তিতে ফেলার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। কৃষকদের স্বার্থে নিয়মিতভাবে বাজার ও সার বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’