গাইবান্ধায় অনলাইন জুয়ারি গ্রেফতার, ৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা জব্দ
- আপডেট সময় : ০৩:০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধায় অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে শুভজিত চন্দ্র সরকার ওরফে শিবু (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তার কক্ষ থেকে নগদ ৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন, একটি ই-পাসপোর্ট, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র ও দুটি ব্লুটুথ স্পিকার জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোত্তালিব সরকার।
গ্রেফতার শুভজিত চন্দ্র সরকার গাইবান্ধা সদর উপজেলার তালুক মন্দুয়ার গ্রামের কান্তি ভূর্ষন সরকারের ছেলে।
ডিবি পুলিশ জানায়, অনলাইন ও অফলাইন জুয়া প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার তালুক মন্দুয়ার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় শুভজিত চন্দ্র সরকারকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আটক করা হয়। পরে তার কক্ষ তল্লাশি করে একটি স্যামসাং স্মার্টফোন, একটি বাটন ফোন, একটি ই-পাসপোর্ট, একটি এনআইডি কার্ড ও দুটি ব্লুটুথ স্পিকারসহ বিভিন্ন নোটের মোট ৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, শুভজিতকে অনলাইন জুয়া পরিচালনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে তার কথাবার্তা ও আচরণে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। গোপন তথ্যে অনলাইন জুয়া পরিচালনায় তার সঙ্গে অমিত, শিমুল, সাগর ও আনন্দ নামে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
ডিবি পুলিশ আরও জানায়, অনলাইন জুয়ার এজেন্ট কার্যক্রম পরিচালনায় বিকাশের এজেন্ট নম্বর সচল রাখতে বিদেশি ডিভাইস ও ভিপিএন ব্যবহার করা হতো। দূরবর্তী স্থান থেকে ব্লুটুথের মাধ্যমে এসব ডিভাইস পরিচালনার তথ্যও পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, শুভজিতের গ্রেফতারের খবর পেয়ে অমিত ও শিমুল মোটরসাইকেলে করে মোবাইল ফোনসহ রংপুরের দিকে পালিয়ে যান। অন্যদিকে তুলশীঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাগর ও আনন্দকে গ্রেফতারের চেষ্টা করা হলেও তারাও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যান।
গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোত্তালিব সরকার বলেন, ‘গ্রেফতার শুভজিত চন্দ্র সরকারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলো প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করে অনলাইন জুয়ার আলামত পাওয়া যায়নি। তবে সন্দেহজনক হওয়ায় ফোনগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। পরীক্ষায় সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে নিয়মিত মামলা করা হবে।’

















