ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইবান্ধায় ছাত্রশিবিরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠক অনুষ্ঠিত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা, নিজেদের ঘর ভেঙে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা কোরবানির ঈদ সামনে রেখে তাড়াশের উপজেলায় পশুর হাটে কেনাবেচা ধুম ইউএনও-কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে সড়কে আলেমদের মোনাজাত গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু গাইবান্ধায় ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, জরিমানা দেড় লাখ শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন তিস্তামুখঘাট-বাহাদুরাবাদ সড়ক ও রেলসেতুর দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন সরকারি ধান ক্রয়ের তালিকায় ভুয়া কৃষক, উদ্বোধনের দিনেই ধরা পড়লো অনিয়ম ট্রাকচাপায় প্রাণ গেলো অবসরপ্রাপ্ত জজের

মেঘনা ঘাটে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা (JERA) মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ১২ জনের ঘটনায় আমির ব্যাপারী (২৫) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই ক্যান্টিনের কর্মচারী ছিলেন। এ নিয়ে ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুজনে।

শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমির ব্যাপারীর শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং তার শ্বাসনালিও পুড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে ছয়জনকে বুধবারই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নাজমুল ১৩ শতাংশ, সুপ্রভাত ঘোষ ১২ শতাংশ, আল আমিন ২২ শতাংশ এবং কাওছার ৫৯ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে গত বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা নাজমুল আলম খান (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২), বদরুল হায়দার (৫০) এবং ক্যান্টিন কর্মচারী আমির ব্যাপারী (২৫), শঙ্কর (২৫), কাওছার (৩০) ও আল আমিন (৪৫)।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানান, ক্যান্টিনের বুফেতে দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য সবাই সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় কিচেনের ভেতরে হঠাৎ একটি বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ক্যান্টিন বয়সহ উপস্থিত ১২ জন দগ্ধ হন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, রান্না শেষে কেউ একজন গ্যাসের চুলা চালু রেখেছিল। পরে ম্যাচ জ্বালাতেই গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ধরে যায়।

মৃত আমির ব্যাপারীর ভাই লিটন ব্যাপারী জানান, তাদের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার বাসুদেবচাপ গ্রামে। বর্তমানে তিনি সোনারগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে কাজ করতেন।

অন্যদিকে দগ্ধ শঙ্করের ভাই দুলাল রোজারিও জানান, তাদের বাড়ি নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার চিটাগুড়ি দিয়ারপাড়া গ্রামে। শঙ্কর সোনারগাঁওয়ে থেকে ক্যান্টিনে কাজ করতেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

মেঘনা ঘাটে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে জেরা (JERA) মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ১২ জনের ঘটনায় আমির ব্যাপারী (২৫) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই ক্যান্টিনের কর্মচারী ছিলেন। এ নিয়ে ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুজনে।

শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমির ব্যাপারীর শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং তার শ্বাসনালিও পুড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে ছয়জনকে বুধবারই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নাজমুল ১৩ শতাংশ, সুপ্রভাত ঘোষ ১২ শতাংশ, আল আমিন ২২ শতাংশ এবং কাওছার ৫৯ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে গত বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা নাজমুল আলম খান (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২), বদরুল হায়দার (৫০) এবং ক্যান্টিন কর্মচারী আমির ব্যাপারী (২৫), শঙ্কর (২৫), কাওছার (৩০) ও আল আমিন (৪৫)।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানান, ক্যান্টিনের বুফেতে দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য সবাই সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় কিচেনের ভেতরে হঠাৎ একটি বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ক্যান্টিন বয়সহ উপস্থিত ১২ জন দগ্ধ হন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, রান্না শেষে কেউ একজন গ্যাসের চুলা চালু রেখেছিল। পরে ম্যাচ জ্বালাতেই গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ধরে যায়।

মৃত আমির ব্যাপারীর ভাই লিটন ব্যাপারী জানান, তাদের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার বাসুদেবচাপ গ্রামে। বর্তমানে তিনি সোনারগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে কাজ করতেন।

অন্যদিকে দগ্ধ শঙ্করের ভাই দুলাল রোজারিও জানান, তাদের বাড়ি নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার চিটাগুড়ি দিয়ারপাড়া গ্রামে। শঙ্কর সোনারগাঁওয়ে থেকে ক্যান্টিনে কাজ করতেন।