বালাসী-বাহাদুরাবাদ যমুনা সেতুর দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ১১:১৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার বালাসী থেকে জামালপুরের বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদীর ওপর বহুমুখী সেতু নির্মাণের দাবিতে ঢাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের এই দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, সেতুটি নির্মিত হলে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা, অর্থনীতি ও জীবনমানের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ঘটবে।
শুক্রবার (৮ মে) সকাল ১০টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকাস্থ গাইবান্ধা জেলা কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে গাইবান্ধা ও উত্তরাঞ্চল থেকে আগত বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
গাইবান্ধা জেলা কল্যাণ সমিতির সভাপতি শিল্পপতি মোঃ নওশের আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রহমান স্বপন, নর্থ বেঙ্গল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যক্ষ এম শরিফুল ইসলাম, গাইবান্ধা বন্ধু সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এস এম আমজাদ হোসেন দিপ্তি, আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. কে এ বি এম তাইফুল আলম, এবি পার্টি সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম, সমাজসেবক মেহেদি হাসান ও সমাজসেবিকা মোছা. শিপরা বেগমসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যমুনা নদীর ওপর এই সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখনো বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। ফলে উত্তরাঞ্চলের মানুষকে যাতায়াত ও যোগাযোগে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও ব্যাহত হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, ১৯৮৪ সালে গাইবান্ধা জেলা প্রতিষ্ঠার পর থেকে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও যমুনা নদীর ওপর স্থায়ী সেতুর অভাবে এই অঞ্চল এখনও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি থেকে পিছিয়ে আছে।
বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, বালাসী–বাহাদুরাবাদ সেতু নির্মিত হলে শুধু গাইবান্ধা বা জামালপুর নয়, পুরো উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে। কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে, শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পকে দ্রুত জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করে বাস্তবায়নের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য।























