চিলমারী-হরিপুর সেতুর সংযোগ সড়কে ধীরগতি, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা
- আপডেট সময় : ০৫:২৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে চিলমারী-হরিপুর পিসি গার্ডার সেতুর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ একাধিকবার সময় বাড়ানো হলেও এখনো সম্পন্ন হয়নি। দীর্ঘসূত্রতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, পাঁচপীর বাজার থেকে চিলমারী উপজেলা সদর পর্যন্ত ৫.২৩ কিলোমিটার সংযোগ সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু হয় ২০২৪ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি। ১০ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মাণাধীন এ প্রকল্পটির মূল কাজের সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে একাধিকবার মেয়াদ বাড়ানো হলেও এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, টানা বৃষ্টির কারণে সদ্য নির্মিত সড়কের দুই পাশে মাটি ধসে গিয়ে ছোট-বড় প্রায় ৯০টি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ সাধারণ যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কাজ চললেও গতি খুবই ধীর। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে থাকতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
আতাউর রহমান নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘সেতু হয়েছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় আমরা এর সুফল পাচ্ছি না। বারবার সময় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ না হওয়া দুঃখজনক।’
জোবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘সেতু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সংযোগ সড়কের এই অবস্থা আমাদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বর্ষার সময় চলাচল একেবারেই কষ্টকর হয়ে যায়। দ্রুত কাজ শেষ না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।’
ফয়সাল হক নামে এক পথচারী জানান, ‘সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। এসব গর্তে পড়ে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রাতের বেলা এই সড়ক ব্যবহার করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে।’
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার আলী জানান, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে এবং কাজ চলমান রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শেষ করতে দাপ্তরিকভাবে তাগাদা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

















