ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

ঈদুল আজহা সামনে রেখে হিলি বাজারে জমে উঠেছে মসলার বেচাকেনা, কমেছে দাম

দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:০৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের হিলি বন্দর বাজারে পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে মসলার বেচাকেনা। ভারত থেকে পর্যাপ্ত মসলা আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কমেছে। এতে স্বস্তি নিয়ে কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা।

শনিবার (৮ মে) দুপুরে হিলির মসলা বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রেতারা বাজারে আসতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে এলাচ, জিরা, গোলমরিচ, লবঙ্গসহ বিভিন্ন ধরনের মসলার চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, গত কোরবানির ঈদে সাদা এলাচ প্রকারভেদে প্রতি কেজি ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

একইভাবে কালো এলাচের দামও কমেছে। আগে প্রতি কেজি ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কালো এলাচ এখন বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

এছাড়া আগে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হওয়া লবঙ্গ এখন ১ হাজার ৪০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। গোলমরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকায়। অন্যদিকে জিরার দাম কেজিতে ৬৩০ টাকা থেকে কমে বর্তমানে ৫৬০ টাকায় নেমে এসেছে।

জয়পুরহাট থেকে আসা ক্রেতা রাকিব হক বলেন, হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের মসলা আমদানি হয়। তাই এখানকার বাজারে দাম তুলনামূলক কম পাওয়া যায়। প্রতি কোরবানির ঈদেই আমরা এখান থেকে মসলা কিনে নিয়ে যাই।

স্থানীয় ক্রেতা আমজাদ রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার মসলার দাম অনেকটাই কম। সাদা এলাচ কেজিতে প্রায় এক হাজার টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে। জিরার দামও কমেছে। এতে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতারা উপকৃত হচ্ছি।

হিলি বাজারের মসলা ঘরের মালিক মোকারম হোসেন জানান, ভারত থেকে নিয়মিত মসলা আমদানি হওয়ায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা বাজারে আসছেন। বর্তমানে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

ঈদুল আজহা সামনে রেখে হিলি বাজারে জমে উঠেছে মসলার বেচাকেনা, কমেছে দাম

আপডেট সময় : ০৩:০৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

দিনাজপুরের হিলি বন্দর বাজারে পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে মসলার বেচাকেনা। ভারত থেকে পর্যাপ্ত মসলা আমদানি হওয়ায় গত বছরের তুলনায় প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কমেছে। এতে স্বস্তি নিয়ে কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা।

শনিবার (৮ মে) দুপুরে হিলির মসলা বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রেতারা বাজারে আসতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে এলাচ, জিরা, গোলমরিচ, লবঙ্গসহ বিভিন্ন ধরনের মসলার চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, গত কোরবানির ঈদে সাদা এলাচ প্রকারভেদে প্রতি কেজি ৫ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

একইভাবে কালো এলাচের দামও কমেছে। আগে প্রতি কেজি ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কালো এলাচ এখন বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

এছাড়া আগে ১ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হওয়া লবঙ্গ এখন ১ হাজার ৪০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। গোলমরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকায়। অন্যদিকে জিরার দাম কেজিতে ৬৩০ টাকা থেকে কমে বর্তমানে ৫৬০ টাকায় নেমে এসেছে।

জয়পুরহাট থেকে আসা ক্রেতা রাকিব হক বলেন, হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের মসলা আমদানি হয়। তাই এখানকার বাজারে দাম তুলনামূলক কম পাওয়া যায়। প্রতি কোরবানির ঈদেই আমরা এখান থেকে মসলা কিনে নিয়ে যাই।

স্থানীয় ক্রেতা আমজাদ রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার মসলার দাম অনেকটাই কম। সাদা এলাচ কেজিতে প্রায় এক হাজার টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে। জিরার দামও কমেছে। এতে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতারা উপকৃত হচ্ছি।

হিলি বাজারের মসলা ঘরের মালিক মোকারম হোসেন জানান, ভারত থেকে নিয়মিত মসলা আমদানি হওয়ায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা বাজারে আসছেন। বর্তমানে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।