ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী লাঠি মিছিল ডোমারে মাদক সম্রাজ্ঞী আটক, ৩০টির বেশি মামলা মেয়েকে জড়িয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে প্রতিষ্ঠানে মবের চেষ্টা পিরোজপুরে জিয়া মঞ্চের কর্মী সভা স্থগিতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন হাতিয়ায় মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকার বিমার চেক গাইবান্ধায় ২ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার   ক্যাশমেমো ছাড়া সার বিক্রি, দুই বিসিআইসি ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা সুন্দরগঞ্জে মাদকবিরোধী মশাল মিছিল গাইবান্ধায় হেরোইন-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ভূমি গবেষক সেলিমের ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ড’ উদ্ভাবন, অবসান হবে ‘জোর যার মুলুক তার’ নীতি

সেনাবাহিনী মাঠে থাকায় মানুষ নিরাপদ বোধ করে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কোনো ম্যাজিস্ট্রেসি বা বিচারিক ক্ষমতা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে তিনি বলেন, মাঠে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করে।

মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তার জন্য দেশজুড়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই মোতায়েন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার না হলেও তাদের ভূমিকা ও কার্যপরিধিতে পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, আগে সেনাবাহিনীর সদস্যদের কিছু ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা থাকলেও এখন তা নেই। বর্তমানে বেসামরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই মূল দায়িত্ব পালন করছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, “মাঠে সেনাবাহিনীর উপস্থিতির একটি প্রতীকী প্রভাব রয়েছে, যা অপরাধীদের জন্য কিছুটা হলেও প্রতিরোধমূলক ভূমিকা রাখে। এখন তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে যে অবস্থায় ছিল, সেভাবেই আছেন, তবে সরাসরি গ্রেফতার বা বিচারিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা নেই।”

তিনি জানান, সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ধীরে ধীরে তাদের ভূমিকা কমে আসবে এবং দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে পুলিশের ওপর থাকবে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বেসামরিক প্রশাসন দায়িত্ব পালন করছে। তবে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি জনগণের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করে।

বিদেশনীতি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সেনাবাহিনী মাঠে থাকায় মানুষ নিরাপদ বোধ করে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৬:৫২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কোনো ম্যাজিস্ট্রেসি বা বিচারিক ক্ষমতা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে তিনি বলেন, মাঠে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করে।

মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তার জন্য দেশজুড়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। বর্তমানে সেই মোতায়েন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার না হলেও তাদের ভূমিকা ও কার্যপরিধিতে পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, আগে সেনাবাহিনীর সদস্যদের কিছু ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা থাকলেও এখন তা নেই। বর্তমানে বেসামরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই মূল দায়িত্ব পালন করছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, “মাঠে সেনাবাহিনীর উপস্থিতির একটি প্রতীকী প্রভাব রয়েছে, যা অপরাধীদের জন্য কিছুটা হলেও প্রতিরোধমূলক ভূমিকা রাখে। এখন তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে যে অবস্থায় ছিল, সেভাবেই আছেন, তবে সরাসরি গ্রেফতার বা বিচারিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা নেই।”

তিনি জানান, সেনাবাহিনী কতদিন মাঠে থাকবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ধীরে ধীরে তাদের ভূমিকা কমে আসবে এবং দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে পুলিশের ওপর থাকবে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বেসামরিক প্রশাসন দায়িত্ব পালন করছে। তবে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি জনগণের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করে।

বিদেশনীতি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে।