ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশের শিক্ষক থেকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী, আমার অভিজ্ঞতা পাখি তো আকাশেই সুন্দর রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, তিনজন নিহত মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের মেডিক্যাল পরীক্ষা ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু অফিস থেকে হেঁটে বাসায় যাচ্ছিলেন যুবক, ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত গুলশান-বনানীর পাঠকদের হাতের নাগালে বইয়ের সম্ভার ২৮ স্কুলের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর জ্ঞানের লড়াই ৩৬ দিনের ‘শাটডাউন’ শেষে ক্লাসে ফিরলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা, চলবে উপাচার্য পুনর্বহালের আন্দোলন অ্যান্ডারসনকে ‘অসম্মান’ করেছে ল্যাঙ্কশায়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসির গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার প্রস্তাব

সুন্দরগঞ্জে এতিমখানা মাদরাসার সংস্কারে এগিয়ে এলেন শিল্পপতি দাছিজুল হক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
আমাদের সর্বশেষ নিউজ পেতে ক্লিক করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. দাছিজুল হক আনিছের উদ্যোগে উত্তর পরাণ বেলকা নূরানী হাফিজী মাদরাসা ও এতিমখানায় সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের মাদরাসা ও এতিমখানায় এ সংস্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এলিকো এগ্রোভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পিবিএফএল লিমিটেডের সিইও, শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. দাছিজুল হক আনিছ, মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মো. আব্দুল লতিফ, স্থানীয় মোখলেছুর রহমান, রাশেদুল ইসলাম রানু, মাহমুদুল হাসানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসার অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের পড়াশোনা ও বসবাসে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে ঘরের টিনের চাল দিয়ে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি পড়ত, ফলে শিশুদের পড়াশোনা ও বসবাসে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হতো। বিষয়টি জানতে পেরে বিশিষ্ট শিল্পপতি দাছিজুল হক আনিছ ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাদরাসার সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেন।

মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মো. আব্দুল লতিফ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত হবে।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, সংস্কার কাজ শেষ হলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং এতিম শিশুদের শিক্ষা ও লালন-পালনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বিশিষ্ট শিল্পপতি দাছিজুল হক আনিছ বলেন, ‘শিক্ষা ও মানবিক সেবা সমাজের উন্নয়নের মূল ভিত্তি। আমরা আশা করি সংস্কার কাজের মাধ্যমে মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও মানসম্মত পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে, যা তাদের সার্বিক বিকাশে সহায়ক হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
   

সুন্দরগঞ্জে এতিমখানা মাদরাসার সংস্কারে এগিয়ে এলেন শিল্পপতি দাছিজুল হক

আপডেট সময় : ০২:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. দাছিজুল হক আনিছের উদ্যোগে উত্তর পরাণ বেলকা নূরানী হাফিজী মাদরাসা ও এতিমখানায় সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের মাদরাসা ও এতিমখানায় এ সংস্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এলিকো এগ্রোভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পিবিএফএল লিমিটেডের সিইও, শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. দাছিজুল হক আনিছ, মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মো. আব্দুল লতিফ, স্থানীয় মোখলেছুর রহমান, রাশেদুল ইসলাম রানু, মাহমুদুল হাসানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসার অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের পড়াশোনা ও বসবাসে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে ঘরের টিনের চাল দিয়ে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি পড়ত, ফলে শিশুদের পড়াশোনা ও বসবাসে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হতো। বিষয়টি জানতে পেরে বিশিষ্ট শিল্পপতি দাছিজুল হক আনিছ ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাদরাসার সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেন।

মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মো. আব্দুল লতিফ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত হবে।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, সংস্কার কাজ শেষ হলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং এতিম শিশুদের শিক্ষা ও লালন-পালনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বিশিষ্ট শিল্পপতি দাছিজুল হক আনিছ বলেন, ‘শিক্ষা ও মানবিক সেবা সমাজের উন্নয়নের মূল ভিত্তি। আমরা আশা করি সংস্কার কাজের মাধ্যমে মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও মানসম্মত পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে, যা তাদের সার্বিক বিকাশে সহায়ক হবে।’